এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের দাবি বাস্তবায়ন এবং শিক্ষক নেতাদের বিরুদ্ধে নেওয়া পদক্ষেপের প্রতিবাদে দেশজুড়ে সংগঠিত হচ্ছেন শিক্ষকরা। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার (৩১ অক্টোবর) রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় মানববন্ধন ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।
শিক্ষকদের এই কর্মসূচিতে প্রধানত তিনটি বিষয় গুরুত্ব পেয়েছে- অধ্যক্ষ দেলাওয়ার হোসেন আজিজীর বিরুদ্ধে গঠিত তদন্ত কমিটির নোটিশ বাতিল, শিক্ষক হয়রানি বন্ধ এবং এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করা।
রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অনুষ্ঠিত কর্মসূচির পাশাপাশি দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলেও শিক্ষকরা রাস্তায় দাঁড়িয়ে তাঁদের দাবি তুলে ধরেন। সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দেশের শতাধিক জেলা ও উপজেলায় এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সিলেট, সুনামগঞ্জ, ভোলা, বরিশাল, চাঁদপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চুয়াডাঙ্গা, রাজবাড়ী, নড়াইল, নেত্রকোণা, নোয়াখালী, গাইবান্ধা, শেরপুর, ঝালকাঠি, লালমনিরহাট, কিশোরগঞ্জ, কক্সবাজার, টাঙ্গাইল, মৌলভীবাজার, লক্ষ্মীপুর, গাজীপুর, সাতক্ষীরা ও কুমিল্লাসহ বিভিন্ন জেলার শিক্ষকরা এতে অংশ নেন।
আন্দোলনকারীদের মতে, একজন শিক্ষক নেতার বিরুদ্ধে তদন্তের পদক্ষেপ এবং একই সময়ে শিক্ষকদের অধিকার আদায়ের আন্দোলন চলমান থাকায় বিষয়টি নিয়ে শিক্ষক সমাজে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোটের সদস্য সচিব অধ্যক্ষ দেলাওয়ার হোসেন আজিজী জানিয়েছেন, বিভিন্ন স্থান থেকে তাঁদের কাছে মানববন্ধনের খবর আসছে। তাঁর ভাষ্য, শিক্ষকরা এখন নিজেদের অধিকার আদায়ে ঐক্যবদ্ধ এবং তদন্তের নামে হয়রানি বন্ধ না হলে প্রতিবাদ অব্যাহত থাকবে।
জোটের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের একজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শিক্ষকদের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগ তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিবাদ জানানোর পরপরই অধ্যক্ষ আজিজীর বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। বিষয়টি তাঁরা স্বাভাবিক প্রশাসনিক প্রক্রিয়া হিসেবে দেখছেন না। যদিও এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা সংযুক্ত করা প্রয়োজন।
এদিকে আন্দোলনের পরবর্তী ধাপ হিসেবে আগামী ৪ নভেম্বর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালনের ঘোষণা রয়েছে। এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলির আদেশ জারি, নবম পে-স্কেল অনুযায়ী বেতন-ভাতা নির্ধারণ এবং শতভাগ উৎসব ভাতা প্রদানের দাবিও রয়েছে এ কর্মসূচির কেন্দ্রে।
শিক্ষক নেতারা বলছেন, শুধু প্রতিবাদ কর্মসূচি নয়, দাবি বাস্তবায়নে কার্যকর সরকারি সিদ্ধান্ত চান তাঁরা। এজন্য দেশের সব পর্যায়ের এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।
তাদের ঘোষণা, দাবি পূরণে দৃশ্যমান অগ্রগতি না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলনের কর্মসূচি চলবে।

রোববার, ০১ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ অক্টোবর ২০২৬
এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের দাবি বাস্তবায়ন এবং শিক্ষক নেতাদের বিরুদ্ধে নেওয়া পদক্ষেপের প্রতিবাদে দেশজুড়ে সংগঠিত হচ্ছেন শিক্ষকরা। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার (৩১ অক্টোবর) রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় মানববন্ধন ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।
শিক্ষকদের এই কর্মসূচিতে প্রধানত তিনটি বিষয় গুরুত্ব পেয়েছে- অধ্যক্ষ দেলাওয়ার হোসেন আজিজীর বিরুদ্ধে গঠিত তদন্ত কমিটির নোটিশ বাতিল, শিক্ষক হয়রানি বন্ধ এবং এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করা।
রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অনুষ্ঠিত কর্মসূচির পাশাপাশি দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলেও শিক্ষকরা রাস্তায় দাঁড়িয়ে তাঁদের দাবি তুলে ধরেন। সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দেশের শতাধিক জেলা ও উপজেলায় এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সিলেট, সুনামগঞ্জ, ভোলা, বরিশাল, চাঁদপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চুয়াডাঙ্গা, রাজবাড়ী, নড়াইল, নেত্রকোণা, নোয়াখালী, গাইবান্ধা, শেরপুর, ঝালকাঠি, লালমনিরহাট, কিশোরগঞ্জ, কক্সবাজার, টাঙ্গাইল, মৌলভীবাজার, লক্ষ্মীপুর, গাজীপুর, সাতক্ষীরা ও কুমিল্লাসহ বিভিন্ন জেলার শিক্ষকরা এতে অংশ নেন।
আন্দোলনকারীদের মতে, একজন শিক্ষক নেতার বিরুদ্ধে তদন্তের পদক্ষেপ এবং একই সময়ে শিক্ষকদের অধিকার আদায়ের আন্দোলন চলমান থাকায় বিষয়টি নিয়ে শিক্ষক সমাজে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোটের সদস্য সচিব অধ্যক্ষ দেলাওয়ার হোসেন আজিজী জানিয়েছেন, বিভিন্ন স্থান থেকে তাঁদের কাছে মানববন্ধনের খবর আসছে। তাঁর ভাষ্য, শিক্ষকরা এখন নিজেদের অধিকার আদায়ে ঐক্যবদ্ধ এবং তদন্তের নামে হয়রানি বন্ধ না হলে প্রতিবাদ অব্যাহত থাকবে।
জোটের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের একজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শিক্ষকদের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগ তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিবাদ জানানোর পরপরই অধ্যক্ষ আজিজীর বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। বিষয়টি তাঁরা স্বাভাবিক প্রশাসনিক প্রক্রিয়া হিসেবে দেখছেন না। যদিও এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা সংযুক্ত করা প্রয়োজন।
এদিকে আন্দোলনের পরবর্তী ধাপ হিসেবে আগামী ৪ নভেম্বর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালনের ঘোষণা রয়েছে। এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলির আদেশ জারি, নবম পে-স্কেল অনুযায়ী বেতন-ভাতা নির্ধারণ এবং শতভাগ উৎসব ভাতা প্রদানের দাবিও রয়েছে এ কর্মসূচির কেন্দ্রে।
শিক্ষক নেতারা বলছেন, শুধু প্রতিবাদ কর্মসূচি নয়, দাবি বাস্তবায়নে কার্যকর সরকারি সিদ্ধান্ত চান তাঁরা। এজন্য দেশের সব পর্যায়ের এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।
তাদের ঘোষণা, দাবি পূরণে দৃশ্যমান অগ্রগতি না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলনের কর্মসূচি চলবে।

আপনার মতামত লিখুন