যশোরের কেশবপুরে চাঁদার টাকা না পেয়ে দোকানঘর দখলের চেষ্টা, ভাঙচুর ও মারপিটের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মিষ্টি ব্যবসায়ী ইসমাইল হোসেন ও তাঁর পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে দাবি করেছেন তিনি।
গত শনিবার বিকেলে উপজেলার পরচক্রা বাজারে স্থানীয় গ্রামবাসীকে নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী ইসমাইল হোসেন।
লিখিত বক্তব্যে ইসমাইল হোসেন জানান, উপজেলার পরচক্রা গ্রামের মৃত সোনাই মণ্ডলের স্ত্রী মহারানী মণ্ডলের কাছ থেকে তিনি বৈধভাবে ৮ শতক জমি কিনেছেন। পরে ওই জমিতে দুটি দোকানঘর নির্মাণ করে দীর্ঘদিন ধরে মিষ্টির ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন।
ইসমাইল হোসেনের অভিযোগ, গত কয়েক মাস ধরে এলাকার একটি মহল তাঁর কাছে মোটা অঙ্কের টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিল। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে গত ১৭ অক্টোবর ওই মহলের ইন্ধনে জমির অন্য শরিক প্রতাপ মণ্ডল, তপন মণ্ডল, লক্ষণ মণ্ডল, স্বপন মণ্ডল, রুহিদাস মণ্ডল ও অমিত মণ্ডলের নেতৃত্বে ২৫ থেকে ৩০ জনের একটি দল দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাঁর দোকানঘরে হামলা চালায়।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, হামলাকারীরা দোকানঘর ভাঙচুর করে তাঁকে উচ্ছেদের চেষ্টা করে। এ সময় বাধা দিলে তাঁকে ও তাঁর ছেলে সালমানকে মারধর করে গুরুতর আহত করা হয়। এ ঘটনায় তাঁর ৭ থেকে ৮ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। এ ছাড়া তাঁর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ ও আদালতে একাধিক মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন ইসমাইল হোসেন।
সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, ন্যায়বিচার ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত জমি বিক্রেতা মহারানী মণ্ডল বলেন, “পৈতৃক সূত্রে আমার স্বামীর পাওয়া ৮ শতক জমি আমি ১২ লাখ টাকায় ইসমাইল হোসেনের কাছে বিক্রি করে দখল বুঝিয়ে দিয়েছি। বর্তমানে ওই জমি নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি করে একটি মহল আমাকেও ভিটাবাড়ি থেকে উচ্ছেদের উদ্দেশ্যে নানাভাবে নির্যাতন চালাচ্ছে।”
এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য দবিরউদ্দীন বিশ্বাস বলেন, “জমি বৈধভাবে কেনার পর থেকেই ইসমাইল হোসেন একটি কুচক্রী মহলের মাধ্যমে ধারাবাহিক হয়রানির শিকার হচ্ছেন। প্রকৃতপক্ষে তিনিই ওই জমির আইনগত মালিক।”
অন্যদিকে, সংবাদ সম্মেলনে আনা অভিযোগ অস্বীকার করে আরিফুর রহমান বলেন, “কারও কাছে কোনো চাঁদা দাবি করা হয়নি। মূলত সরকারি খাসজমির ওপর ঘর নির্মাণে বাধা দেওয়া হয়েছিল। ঘর ভাঙচুরের ঘটনার সঙ্গে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।”

সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ অক্টোবর ২০২৬
যশোরের কেশবপুরে চাঁদার টাকা না পেয়ে দোকানঘর দখলের চেষ্টা, ভাঙচুর ও মারপিটের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মিষ্টি ব্যবসায়ী ইসমাইল হোসেন ও তাঁর পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে দাবি করেছেন তিনি।
গত শনিবার বিকেলে উপজেলার পরচক্রা বাজারে স্থানীয় গ্রামবাসীকে নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী ইসমাইল হোসেন।
লিখিত বক্তব্যে ইসমাইল হোসেন জানান, উপজেলার পরচক্রা গ্রামের মৃত সোনাই মণ্ডলের স্ত্রী মহারানী মণ্ডলের কাছ থেকে তিনি বৈধভাবে ৮ শতক জমি কিনেছেন। পরে ওই জমিতে দুটি দোকানঘর নির্মাণ করে দীর্ঘদিন ধরে মিষ্টির ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন।
ইসমাইল হোসেনের অভিযোগ, গত কয়েক মাস ধরে এলাকার একটি মহল তাঁর কাছে মোটা অঙ্কের টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিল। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে গত ১৭ অক্টোবর ওই মহলের ইন্ধনে জমির অন্য শরিক প্রতাপ মণ্ডল, তপন মণ্ডল, লক্ষণ মণ্ডল, স্বপন মণ্ডল, রুহিদাস মণ্ডল ও অমিত মণ্ডলের নেতৃত্বে ২৫ থেকে ৩০ জনের একটি দল দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাঁর দোকানঘরে হামলা চালায়।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, হামলাকারীরা দোকানঘর ভাঙচুর করে তাঁকে উচ্ছেদের চেষ্টা করে। এ সময় বাধা দিলে তাঁকে ও তাঁর ছেলে সালমানকে মারধর করে গুরুতর আহত করা হয়। এ ঘটনায় তাঁর ৭ থেকে ৮ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। এ ছাড়া তাঁর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ ও আদালতে একাধিক মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন ইসমাইল হোসেন।
সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, ন্যায়বিচার ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত জমি বিক্রেতা মহারানী মণ্ডল বলেন, “পৈতৃক সূত্রে আমার স্বামীর পাওয়া ৮ শতক জমি আমি ১২ লাখ টাকায় ইসমাইল হোসেনের কাছে বিক্রি করে দখল বুঝিয়ে দিয়েছি। বর্তমানে ওই জমি নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি করে একটি মহল আমাকেও ভিটাবাড়ি থেকে উচ্ছেদের উদ্দেশ্যে নানাভাবে নির্যাতন চালাচ্ছে।”
এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য দবিরউদ্দীন বিশ্বাস বলেন, “জমি বৈধভাবে কেনার পর থেকেই ইসমাইল হোসেন একটি কুচক্রী মহলের মাধ্যমে ধারাবাহিক হয়রানির শিকার হচ্ছেন। প্রকৃতপক্ষে তিনিই ওই জমির আইনগত মালিক।”
অন্যদিকে, সংবাদ সম্মেলনে আনা অভিযোগ অস্বীকার করে আরিফুর রহমান বলেন, “কারও কাছে কোনো চাঁদা দাবি করা হয়নি। মূলত সরকারি খাসজমির ওপর ঘর নির্মাণে বাধা দেওয়া হয়েছিল। ঘর ভাঙচুরের ঘটনার সঙ্গে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।”

আপনার মতামত লিখুন