ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার তেজখালী ইউনিয়নের আকানগর গ্রামের আমেনা বেগমের শরীরে টিউমার থেকে ক্যান্সার শনাক্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে তাঁর পরিবার। বর্তমানে তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। অর্থের অভাবে তাঁর চিকিৎসা চালিয়ে যেতে হিমশিম খাচ্ছে পরিবারটি।
আমেনা বেগম ওই গ্রামের আওয়াল মিয়ার পুত্রবধূ এবং মতিন মিয়ার স্ত্রী। তাঁদের সংসারে রয়েছে একজন ছেলে ও দুইজন মেয়ে।
পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রায় এক সপ্তাহ আগে পেটে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করলে আমেনাকে সলিমগঞ্জের একটি স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর পেটে পানি জমার বিষয়টি ধরা পড়ে। পরে চিকিৎসকের পরামর্শে ঢাকায় নেওয়া হলে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর টিউমার ও ক্যান্সার শনাক্ত হয় বলে পরিবার জানায়।
পরিবারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত দুই দিন ধরে এক দিন পরপর তাঁর পেট থেকে প্রায় তিন থেকে চার কেজি করে পানি বের করা হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে চিকিৎসার ব্যয় বহন করা পরিবারের পক্ষে কঠিন হয়ে পড়েছে।
আমেনার শ্বশুর আওয়াল মিয়া তাঁকে নিজের মেয়ের মতো স্নেহ করেন। কিন্তু পুত্রবধূর চিকিৎসার খরচ জোগাড় করতে গিয়ে এখন দিশেহারা তিনি। ইতোমধ্যে স্থানীয় একটি সামাজিক সংগঠন সাধ্যমতো আর্থিক সহযোগিতা করেছে। তবে চিকিৎসা চালিয়ে যেতে আরও সহায়তা প্রয়োজন।
আওয়াল মিয়া দেশ-বিদেশে অবস্থানরত সামর্থ্যবান মানুষের কাছে সহযোগিতার আবেদন জানিয়েছেন। স্থানীয়রাও অসুস্থ আমেনার চিকিৎসায় এগিয়ে আসার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
যার যতটুকু সামর্থ্য আছে, তা দিয়ে আমেনা বেগমের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন তাঁর স্বজনেরা। সবার সম্মিলিত সহযোগিতায় হয়তো চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়ার পথ কিছুটা সহজ হবে এবং পরিবারটি ফিরে পাবে নতুন করে আশার আলো।
সাহায্য পাঠানোর মাধ্যম, বিকাশ/নগদ:+8801762600320

রোববার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ অক্টোবর ২০২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার তেজখালী ইউনিয়নের আকানগর গ্রামের আমেনা বেগমের শরীরে টিউমার থেকে ক্যান্সার শনাক্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে তাঁর পরিবার। বর্তমানে তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। অর্থের অভাবে তাঁর চিকিৎসা চালিয়ে যেতে হিমশিম খাচ্ছে পরিবারটি।
আমেনা বেগম ওই গ্রামের আওয়াল মিয়ার পুত্রবধূ এবং মতিন মিয়ার স্ত্রী। তাঁদের সংসারে রয়েছে একজন ছেলে ও দুইজন মেয়ে।
পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রায় এক সপ্তাহ আগে পেটে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করলে আমেনাকে সলিমগঞ্জের একটি স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর পেটে পানি জমার বিষয়টি ধরা পড়ে। পরে চিকিৎসকের পরামর্শে ঢাকায় নেওয়া হলে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর টিউমার ও ক্যান্সার শনাক্ত হয় বলে পরিবার জানায়।
পরিবারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত দুই দিন ধরে এক দিন পরপর তাঁর পেট থেকে প্রায় তিন থেকে চার কেজি করে পানি বের করা হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে চিকিৎসার ব্যয় বহন করা পরিবারের পক্ষে কঠিন হয়ে পড়েছে।
আমেনার শ্বশুর আওয়াল মিয়া তাঁকে নিজের মেয়ের মতো স্নেহ করেন। কিন্তু পুত্রবধূর চিকিৎসার খরচ জোগাড় করতে গিয়ে এখন দিশেহারা তিনি। ইতোমধ্যে স্থানীয় একটি সামাজিক সংগঠন সাধ্যমতো আর্থিক সহযোগিতা করেছে। তবে চিকিৎসা চালিয়ে যেতে আরও সহায়তা প্রয়োজন।
আওয়াল মিয়া দেশ-বিদেশে অবস্থানরত সামর্থ্যবান মানুষের কাছে সহযোগিতার আবেদন জানিয়েছেন। স্থানীয়রাও অসুস্থ আমেনার চিকিৎসায় এগিয়ে আসার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
যার যতটুকু সামর্থ্য আছে, তা দিয়ে আমেনা বেগমের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন তাঁর স্বজনেরা। সবার সম্মিলিত সহযোগিতায় হয়তো চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়ার পথ কিছুটা সহজ হবে এবং পরিবারটি ফিরে পাবে নতুন করে আশার আলো।
সাহায্য পাঠানোর মাধ্যম, বিকাশ/নগদ:+8801762600320

আপনার মতামত লিখুন