বিপ্লবী বার্তা

মূল পাতা

শিক্ষাঙ্গন

চবিতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতিচারণমূলক গ্রন্থ ‘জুলাইগাঁথা’র মোড়ক উন্মোচন

চবিতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতিচারণমূলক গ্রন্থ ‘জুলাইগাঁথা’র মোড়ক উন্মোচন
ছবিঃ বিপ্লবী বার্তা

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) সাহিত্য, সংস্কৃতি ও প্রকাশনা বিভাগের উদ্যোগে প্রকাশিত জুলাই গণঅভ্যুত্থান নিয়ে স্মৃতিচারণমূলক গ্রন্থ ‘জুলাইগাঁথা’র মোড়ক উন্মোচন করা হয়েছে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ ৬৭ জন লেখকের স্মৃতিচারণ স্থান পেয়েছে।

বুধবার (২১ অক্টোবর) বিকেল ৩টার দিকে চাকসু ভবন প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বইটির মোড়ক উন্মোচন করা হয়। গ্রন্থটি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহিদ হৃদয় চন্দ্র ও শহিদ ফরহাদ হোসেনকে উৎসর্গ করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বইটির সম্পাদকীয় উপদেষ্টা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক, সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি ও চাকসুর ভিপি ইব্রাহীম হোসেন রনি, সম্পাদক হারেস মাতাব্বর, সহকারী সম্পাদক জিহাদ আহনাফ এবং সম্পাদনা সহযোগী মুহাম্মদ রিয়াদ উদ্দিন।

এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রামে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক মোহাম্মদ আলী, চাকসুর জিএস সাঈদ বিন হাবিব, মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনবিষয়ক সম্পাদক মোনায়েম শরীফ, যোগাযোগ ও আবাসনবিষয়ক সম্পাদক মো. ইসহাক ভুঁইয়া, বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি সম্পাদক মাহবুবুর রহমান, পাঠাগার ও ক্যাফেটেরিয়াবিষয়ক সম্পাদকসহ চাকসুর অন্যান্য প্রতিনিধিরা।

অনুষ্ঠানে বইটির সম্পাদকীয় উপদেষ্টা মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক বলেন, জুলাই নিয়ে চাকসুর এই বইটি একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে নতুন বাংলাদেশ ও ভিন্নমত প্রকাশের স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছে। তবে জুলাই-পরবর্তী বাংলাদেশে যে পরিবর্তন প্রত্যাশা করা হয়েছিল, তা আদৌ হয়েছে কি না, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।

চাকসুর ভিপি ইব্রাহীম হোসেন রনি বলেন, ‘জুলাইগাঁথা’র মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের জুলাই বিপ্লবের স্মৃতিগুলো একত্রে দলিল হিসেবে সংরক্ষিত থাকবে। ভবিষ্যতে কেউ স্বৈরাচার হয়ে উঠতে চাইলে এই বই থেকে শিক্ষা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

বইটির সম্পাদক হারেস মাতাব্বর বলেন, জুলাইয়ের স্মৃতি ও ইতিহাস মলাটবদ্ধ করার অন্যতম উদ্দেশ্য হলো, ভবিষ্যতে বাংলাদেশে কোনো শাসক ফ্যাসিস্ট হয়ে উঠতে চাইলে পরবর্তী প্রজন্ম যেন জুলাইয়ের ইতিহাস ও চেতনাকে ধারণ করে তার বিরুদ্ধে কথা বলতে পারে।

তিনি আরও বলেন, বইটির বিশেষ দিক হলো, এতে চট্টগ্রামের ১৬ জন শহিদের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি তুলে ধরা হয়েছে। পাশাপাশি ১ থেকে ৩৬ জুলাই পর্যন্ত চট্টগ্রামে আন্দোলনের ঘটনাপ্রবাহ সংক্ষেপে উল্লেখ করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে বইটির লেখক, সম্পাদকীয় উপদেষ্টা, সম্পাদনা সহযোগীসহ প্রকাশনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান হারেস মাতাব্বর।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

আপনার মতামত লিখুন

বিপ্লবী বার্তা

বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬


চবিতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতিচারণমূলক গ্রন্থ ‘জুলাইগাঁথা’র মোড়ক উন্মোচন

প্রকাশের তারিখ : ২১ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) সাহিত্য, সংস্কৃতি ও প্রকাশনা বিভাগের উদ্যোগে প্রকাশিত জুলাই গণঅভ্যুত্থান নিয়ে স্মৃতিচারণমূলক গ্রন্থ ‘জুলাইগাঁথা’র মোড়ক উন্মোচন করা হয়েছে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ ৬৭ জন লেখকের স্মৃতিচারণ স্থান পেয়েছে।

বুধবার (২১ অক্টোবর) বিকেল ৩টার দিকে চাকসু ভবন প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বইটির মোড়ক উন্মোচন করা হয়। গ্রন্থটি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহিদ হৃদয় চন্দ্র ও শহিদ ফরহাদ হোসেনকে উৎসর্গ করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বইটির সম্পাদকীয় উপদেষ্টা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক, সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি ও চাকসুর ভিপি ইব্রাহীম হোসেন রনি, সম্পাদক হারেস মাতাব্বর, সহকারী সম্পাদক জিহাদ আহনাফ এবং সম্পাদনা সহযোগী মুহাম্মদ রিয়াদ উদ্দিন।

এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রামে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক মোহাম্মদ আলী, চাকসুর জিএস সাঈদ বিন হাবিব, মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনবিষয়ক সম্পাদক মোনায়েম শরীফ, যোগাযোগ ও আবাসনবিষয়ক সম্পাদক মো. ইসহাক ভুঁইয়া, বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি সম্পাদক মাহবুবুর রহমান, পাঠাগার ও ক্যাফেটেরিয়াবিষয়ক সম্পাদকসহ চাকসুর অন্যান্য প্রতিনিধিরা।

অনুষ্ঠানে বইটির সম্পাদকীয় উপদেষ্টা মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক বলেন, জুলাই নিয়ে চাকসুর এই বইটি একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে নতুন বাংলাদেশ ও ভিন্নমত প্রকাশের স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছে। তবে জুলাই-পরবর্তী বাংলাদেশে যে পরিবর্তন প্রত্যাশা করা হয়েছিল, তা আদৌ হয়েছে কি না, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।

চাকসুর ভিপি ইব্রাহীম হোসেন রনি বলেন, ‘জুলাইগাঁথা’র মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের জুলাই বিপ্লবের স্মৃতিগুলো একত্রে দলিল হিসেবে সংরক্ষিত থাকবে। ভবিষ্যতে কেউ স্বৈরাচার হয়ে উঠতে চাইলে এই বই থেকে শিক্ষা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

বইটির সম্পাদক হারেস মাতাব্বর বলেন, জুলাইয়ের স্মৃতি ও ইতিহাস মলাটবদ্ধ করার অন্যতম উদ্দেশ্য হলো, ভবিষ্যতে বাংলাদেশে কোনো শাসক ফ্যাসিস্ট হয়ে উঠতে চাইলে পরবর্তী প্রজন্ম যেন জুলাইয়ের ইতিহাস ও চেতনাকে ধারণ করে তার বিরুদ্ধে কথা বলতে পারে।

তিনি আরও বলেন, বইটির বিশেষ দিক হলো, এতে চট্টগ্রামের ১৬ জন শহিদের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি তুলে ধরা হয়েছে। পাশাপাশি ১ থেকে ৩৬ জুলাই পর্যন্ত চট্টগ্রামে আন্দোলনের ঘটনাপ্রবাহ সংক্ষেপে উল্লেখ করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে বইটির লেখক, সম্পাদকীয় উপদেষ্টা, সম্পাদনা সহযোগীসহ প্রকাশনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান হারেস মাতাব্বর।


বিপ্লবী বার্তা

প্রকাশক
শেখ মাহমুদ উজ্জ্বল
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক
কাইয়ুম তালুকদার (কানন)
উপদেষ্টা সম্পাদক
ড. জাহিদ আহমেদ চৌধুরী

কপিরাইট © ২০২৬ । বিপ্লবী বার্তা