গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে চাঁদা না দেওয়ায় এক বৃদ্ধার বাড়িতে প্রবেশ করে নগদ ৫ লাখ টাকা ও ৫ ভরি স্বর্ণালংকার লুটের অভিযোগ উঠেছে। এ সময় ওই বৃদ্ধাকে ঘরে আটকে রেখে তালা লাগিয়ে দেওয়া এবং চাঁদা না দিলে হত্যা করে লাশ গুমের হুমকি দেওয়ারও অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী। এ ঘটনায় মুকসুদপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন তিনি।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার কহলদিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। ভুক্তভোগী রাবেয়া বেগম (৬৫) ওই গ্রামের মৃত রাজ্জাক শেখের স্ত্রী।
থানায় দায়ের করা লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, রাবেয়া বেগমের ছোট ছেলে সৌদি আরবপ্রবাসী এবং বড় ছেলে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে কর্মরত। তিনি বাড়িতে দুই ছেলের স্ত্রীকে নিয়ে বসবাস করেন। অভিযোগ অনুযায়ী, তাঁর কাছে ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন অভিযুক্তরা। তবে তিনি চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে এ ঘটনার সূত্রপাত হয়।
অভিযোগে বলা হয়েছে, সোমবার সকালে স্বপন শেখ (৩৫), জিলহক শেখ (৭০), নুরা শেখ (৬০) ও আজিবুল শেখ (৩০) তাঁর বসতবাড়িতে অনধিকার প্রবেশ করেন। এ সময় ঘরের বাক্সে রাখা নগদ ৫ লাখ টাকা এবং আলমারিতে থাকা ৫ ভরি স্বর্ণালংকার, যার আনুমানিক মূল্য ১১ লাখ টাকা, নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ করেন রাবেয়া বেগম।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, অভিযুক্তরা তাঁকে ঘর থেকে বের করে দিয়ে ঘরে দুটি তালা লাগিয়ে দেন। এ সময় তাঁকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয়। পাশাপাশি দাবি করা চাঁদা না দিলে তাঁকে হত্যা করে লাশ গুম করার হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য জানতে তাঁদের বাড়িতে গিয়ে এবং যোগাযোগের চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি।
মুকসুদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
উল্লেখ্য, এসব অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত ঘটনার সত্যতা ও অভিযুক্তদের দায় নির্ধারিত হয়নি।

সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ অক্টোবর ২০২৬
গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে চাঁদা না দেওয়ায় এক বৃদ্ধার বাড়িতে প্রবেশ করে নগদ ৫ লাখ টাকা ও ৫ ভরি স্বর্ণালংকার লুটের অভিযোগ উঠেছে। এ সময় ওই বৃদ্ধাকে ঘরে আটকে রেখে তালা লাগিয়ে দেওয়া এবং চাঁদা না দিলে হত্যা করে লাশ গুমের হুমকি দেওয়ারও অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী। এ ঘটনায় মুকসুদপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন তিনি।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার কহলদিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। ভুক্তভোগী রাবেয়া বেগম (৬৫) ওই গ্রামের মৃত রাজ্জাক শেখের স্ত্রী।
থানায় দায়ের করা লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, রাবেয়া বেগমের ছোট ছেলে সৌদি আরবপ্রবাসী এবং বড় ছেলে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে কর্মরত। তিনি বাড়িতে দুই ছেলের স্ত্রীকে নিয়ে বসবাস করেন। অভিযোগ অনুযায়ী, তাঁর কাছে ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন অভিযুক্তরা। তবে তিনি চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে এ ঘটনার সূত্রপাত হয়।
অভিযোগে বলা হয়েছে, সোমবার সকালে স্বপন শেখ (৩৫), জিলহক শেখ (৭০), নুরা শেখ (৬০) ও আজিবুল শেখ (৩০) তাঁর বসতবাড়িতে অনধিকার প্রবেশ করেন। এ সময় ঘরের বাক্সে রাখা নগদ ৫ লাখ টাকা এবং আলমারিতে থাকা ৫ ভরি স্বর্ণালংকার, যার আনুমানিক মূল্য ১১ লাখ টাকা, নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ করেন রাবেয়া বেগম।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, অভিযুক্তরা তাঁকে ঘর থেকে বের করে দিয়ে ঘরে দুটি তালা লাগিয়ে দেন। এ সময় তাঁকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয়। পাশাপাশি দাবি করা চাঁদা না দিলে তাঁকে হত্যা করে লাশ গুম করার হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য জানতে তাঁদের বাড়িতে গিয়ে এবং যোগাযোগের চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি।
মুকসুদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
উল্লেখ্য, এসব অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত ঘটনার সত্যতা ও অভিযুক্তদের দায় নির্ধারিত হয়নি।

আপনার মতামত লিখুন