সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গাপূজা নির্বিঘ্ন ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপনের লক্ষ্যে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ ও সেনবাগ উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের উপ-মহাপুলিশ পরিদর্শক (ডিআইজি) আবদুল কুদ্দুস চৌধুরী।
শনিবার বিকেলে সেনবাগসহ বেগমগঞ্জ উপজেলার ‘দশভূজা পূজামণ্ডপ’, গণিপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় মণ্ডপ, কলেজ রোড পূজা মণ্ডপ এবং সেনবাগ উপজেলার ‘সর্বজনীন শ্রী শ্রী আনন্দময়ী কালী মন্দির’ পূজামণ্ডপ ঘুরে দেখেন এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেন।
পূজামণ্ডপ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি আবদুল কুদ্দুস চৌধুরী বলেন, পূজা যেন সম্পূর্ণ নির্বিঘ্ন ও নিরাপত্তাবেষ্টনীতে সম্পন্ন হতে পারে, সেজন্য আমরা এক মাস আগে থেকেই বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও নিয়ন্ত্রণে রাখতে নিয়মিত পুলিশি অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এমনকি ১৫ দিন আগে যখন প্রতিমা তৈরির কাজ শুরু হয়, তখন থেকেই মণ্ডপগুলোতে ‘স্ট্যাটিক ফোর্স’ (স্থায়ী পুলিশ পাহারা) মোতায়েন করা হয়েছে।
সব সম্প্রদায়ের সহাবস্থানের প্রসাদ টেনে ডিআইজি আরও বলেন, নোয়াখালীতে পূজা উদযাপনে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ, কল্যাণ ফ্রন্ট, পূজা পরিষদ, পূজা ফ্রন্ট এবং বিএনপি নেতৃবৃন্দসহ সব রাজনৈতিক ও সামাজিক শক্তিকে সাথে নিয়ে সর্বদলীয় কমিটি গঠন করা হয়েছে। এর পাশাপাশি নিরাপত্তা ও শৃংখলা রক্ষায় স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে বিএনসিসির ক্যাডেটরাও কাজ করছে। সার্বজনীন বলতে যা বোঝায় সবার সক্রিয় অংশগ্রহ নোয়াখালীতে আমরা সেটিই প্রত্যক্ষ করলাম। এটি সত্যিই এক অনন্য ও অভূতপূর্ব দৃষ্টান্ত। মনে হচ্ছে এটি কেবল সনাতন ধর্মাবলম্বীদের আয়োজন নয়, বরং এটি আমাদের সকলের উৎসব।
তিনি আশ্বস্ত করে বলেন, পূজার আনন্দ উৎসব শেষ দিন পর্যন্ত বজায় রাখতে আমাদের এই সতর্ক অবস্থান ও গৃহীত পদক্ষেপসমূহ অব্যাহত থাকবে। অত্যন্ত আনন্দমুখর ও শান্তিময় পরিবেশে যেন প্রতিটি আচার-অনুষ্ঠান সম্পন্ন হতে পারে, সে বিষয়ে পুলিশ প্রশাসন সর্বোচ্চ সজাগ রয়েছে।"
পরিদর্শনকালে নোয়াখালী জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) এন এম নাসিরুদ্দিন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু তৈয়ব মো. আরিফ হোসেন, বেগমগঞ্জ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার ইমরান হোসেন এবং বেগমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামসুজ্জামানসহ শামীম বরকত লাকী ও উপজেলা বিএনপির বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ এবল পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ অক্টোবর ২০২৬
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গাপূজা নির্বিঘ্ন ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপনের লক্ষ্যে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ ও সেনবাগ উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের উপ-মহাপুলিশ পরিদর্শক (ডিআইজি) আবদুল কুদ্দুস চৌধুরী।
শনিবার বিকেলে সেনবাগসহ বেগমগঞ্জ উপজেলার ‘দশভূজা পূজামণ্ডপ’, গণিপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় মণ্ডপ, কলেজ রোড পূজা মণ্ডপ এবং সেনবাগ উপজেলার ‘সর্বজনীন শ্রী শ্রী আনন্দময়ী কালী মন্দির’ পূজামণ্ডপ ঘুরে দেখেন এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেন।
পূজামণ্ডপ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি আবদুল কুদ্দুস চৌধুরী বলেন, পূজা যেন সম্পূর্ণ নির্বিঘ্ন ও নিরাপত্তাবেষ্টনীতে সম্পন্ন হতে পারে, সেজন্য আমরা এক মাস আগে থেকেই বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও নিয়ন্ত্রণে রাখতে নিয়মিত পুলিশি অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এমনকি ১৫ দিন আগে যখন প্রতিমা তৈরির কাজ শুরু হয়, তখন থেকেই মণ্ডপগুলোতে ‘স্ট্যাটিক ফোর্স’ (স্থায়ী পুলিশ পাহারা) মোতায়েন করা হয়েছে।
সব সম্প্রদায়ের সহাবস্থানের প্রসাদ টেনে ডিআইজি আরও বলেন, নোয়াখালীতে পূজা উদযাপনে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ, কল্যাণ ফ্রন্ট, পূজা পরিষদ, পূজা ফ্রন্ট এবং বিএনপি নেতৃবৃন্দসহ সব রাজনৈতিক ও সামাজিক শক্তিকে সাথে নিয়ে সর্বদলীয় কমিটি গঠন করা হয়েছে। এর পাশাপাশি নিরাপত্তা ও শৃংখলা রক্ষায় স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে বিএনসিসির ক্যাডেটরাও কাজ করছে। সার্বজনীন বলতে যা বোঝায় সবার সক্রিয় অংশগ্রহ নোয়াখালীতে আমরা সেটিই প্রত্যক্ষ করলাম। এটি সত্যিই এক অনন্য ও অভূতপূর্ব দৃষ্টান্ত। মনে হচ্ছে এটি কেবল সনাতন ধর্মাবলম্বীদের আয়োজন নয়, বরং এটি আমাদের সকলের উৎসব।
তিনি আশ্বস্ত করে বলেন, পূজার আনন্দ উৎসব শেষ দিন পর্যন্ত বজায় রাখতে আমাদের এই সতর্ক অবস্থান ও গৃহীত পদক্ষেপসমূহ অব্যাহত থাকবে। অত্যন্ত আনন্দমুখর ও শান্তিময় পরিবেশে যেন প্রতিটি আচার-অনুষ্ঠান সম্পন্ন হতে পারে, সে বিষয়ে পুলিশ প্রশাসন সর্বোচ্চ সজাগ রয়েছে।"
পরিদর্শনকালে নোয়াখালী জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) এন এম নাসিরুদ্দিন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু তৈয়ব মো. আরিফ হোসেন, বেগমগঞ্জ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার ইমরান হোসেন এবং বেগমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামসুজ্জামানসহ শামীম বরকত লাকী ও উপজেলা বিএনপির বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ এবল পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন