কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার উত্তর রাবাইতাড়ী বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নূরুল আমিনের বিরুদ্ধে ওঠা অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ তদন্তে এক মাসের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও কার্যকর প্রশাসনিক ব্যবস্থা না নেওয়ার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছেন শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দুপুর ১২টার দিকে ফুলবাড়ী উপজেলা পরিষদ চত্বরে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধন থেকে প্রধান শিক্ষককে অপসারণসহ বিভিন্ন দাবিতে প্রশাসনকে ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেওয়া হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, প্রধান শিক্ষক মো. নূরুল আমিনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে বিদ্যালয়টি সরেজমিন পরিদর্শন ও তদন্ত করা হলেও এক মাস আট দিন পার হয়ে গেছে। এখনো তদন্তের বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বা কার্যকর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
বক্তারা দ্রুত তদন্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং প্রমাণিত হলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। একই সঙ্গে বিদ্যালয়ে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান তারা।
পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও একাডেমিক সুপারভাইজারের কাছে স্মারকলিপি দেন মানববন্ধনকারীরা।
তবে নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন প্রধান শিক্ষক মো. নূরুল আমিন। তিনি বলেন, “আমার বিরুদ্ধে করা অভিযোগগুলো মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। আমাকে ফাঁসানোর জন্য একটি মহল উঠে-পড়ে লেগেছে।

বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ অক্টোবর ২০২৬
কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার উত্তর রাবাইতাড়ী বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নূরুল আমিনের বিরুদ্ধে ওঠা অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ তদন্তে এক মাসের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও কার্যকর প্রশাসনিক ব্যবস্থা না নেওয়ার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছেন শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দুপুর ১২টার দিকে ফুলবাড়ী উপজেলা পরিষদ চত্বরে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধন থেকে প্রধান শিক্ষককে অপসারণসহ বিভিন্ন দাবিতে প্রশাসনকে ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেওয়া হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, প্রধান শিক্ষক মো. নূরুল আমিনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে বিদ্যালয়টি সরেজমিন পরিদর্শন ও তদন্ত করা হলেও এক মাস আট দিন পার হয়ে গেছে। এখনো তদন্তের বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বা কার্যকর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
বক্তারা দ্রুত তদন্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং প্রমাণিত হলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। একই সঙ্গে বিদ্যালয়ে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান তারা।
পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও একাডেমিক সুপারভাইজারের কাছে স্মারকলিপি দেন মানববন্ধনকারীরা।
তবে নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন প্রধান শিক্ষক মো. নূরুল আমিন। তিনি বলেন, “আমার বিরুদ্ধে করা অভিযোগগুলো মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। আমাকে ফাঁসানোর জন্য একটি মহল উঠে-পড়ে লেগেছে।

আপনার মতামত লিখুন