সম্পর্কের সুতো ছিঁড়ে গিয়েছিল আগেই। তবে সেই বিচ্ছেদের ক্ষোভ যে এতটা ভয়ংকর পরিণতি ডেকে আনবে, তা ভাবতে পারেনি কেউ। সাবেক স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যার পর বাড়ির পাশের মাঠে মাটিচাপা দিয়ে রাখার অভিযোগ উঠেছে নুরুল আমীন (৪০) নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। নিখোঁজের সাত দিন পর শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় নেত্রকোনা সদর উপজেলার মৌগাতি ইউনিয়নের নগুয়া গ্রাম থেকে নাজু আক্তার (৩৪) নামে ওই নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
এ ঘটনায় নাজু আক্তারের সাবেক স্বামী নুরুল আমীনকে আটক করেছে পুলিশ। নিহত নাজু আক্তার নুরুল আমীনের দ্বিতীয় স্ত্রী ছিলেন।
পুলিশ ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত ১৮ সেপ্টেম্বর হঠাৎ নিখোঁজ হন নাজু আক্তার। স্বজনরা সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও তার সন্ধান পাননি। পরে ২২ সেপ্টেম্বর নাজুর ভাই শুভ নেত্রকোনা মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
জিডির পর নিখোঁজের বিষয়টি তদন্তে নামে পুলিশ। একপর্যায়ে সন্দেহের তালিকায় আসে নাজুর সাবেক স্বামী নুরুল আমীনের নাম। তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে পুলিশের কাছে নাজুকে হত্যার কথা স্বীকার করেন তিনি।
পুলিশের দাবি, নুরুল আমীন স্বীকার করেছেন—নাজুকে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করার পর বাড়ির পাশের মাঠে মাটি চাপা দিয়ে রাখেন তিনি।
তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে শুক্রবার সন্ধ্যায় নগুয়া গ্রামে অভিযান চালায় পুলিশ। পরে নুরুল আমীনের দেখিয়ে দেওয়া স্থান থেকে মাটির নিচে পুঁতে রাখা নাজু আক্তারের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নেত্রকোনা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল খায়ের ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, হত্যাকাণ্ডের কয়েকদিন আগে নাজু আক্তার ও নুরুল আমীনের আনুষ্ঠানিকভাবে বিবাহবিচ্ছেদ হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নুরুল আমীন দাবি করেছেন, বিচ্ছেদের কারণে ক্ষোভ থেকেই তিনি নাজুকে হত্যার পরিকল্পনা করেন।
ওসি আরও জানান, আটক নুরুল আমীন পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন। আইনি প্রক্রিয়া শেষে নাজু আক্তারের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নেত্রকোনা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের পর পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সম্পর্কের সুতো ছিঁড়ে গিয়েছিল আগেই। তবে সেই বিচ্ছেদের ক্ষোভ যে এতটা ভয়ংকর পরিণতি ডেকে আনবে, তা ভাবতে পারেনি কেউ। সাবেক স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যার পর বাড়ির পাশের মাঠে মাটিচাপা দিয়ে রাখার অভিযোগ উঠেছে নুরুল আমীন (৪০) নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। নিখোঁজের সাত দিন পর শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় নেত্রকোনা সদর উপজেলার মৌগাতি ইউনিয়নের নগুয়া গ্রাম থেকে নাজু আক্তার (৩৪) নামে ওই নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
এ ঘটনায় নাজু আক্তারের সাবেক স্বামী নুরুল আমীনকে আটক করেছে পুলিশ। নিহত নাজু আক্তার নুরুল আমীনের দ্বিতীয় স্ত্রী ছিলেন।
পুলিশ ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত ১৮ সেপ্টেম্বর হঠাৎ নিখোঁজ হন নাজু আক্তার। স্বজনরা সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও তার সন্ধান পাননি। পরে ২২ সেপ্টেম্বর নাজুর ভাই শুভ নেত্রকোনা মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
জিডির পর নিখোঁজের বিষয়টি তদন্তে নামে পুলিশ। একপর্যায়ে সন্দেহের তালিকায় আসে নাজুর সাবেক স্বামী নুরুল আমীনের নাম। তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে পুলিশের কাছে নাজুকে হত্যার কথা স্বীকার করেন তিনি।
পুলিশের দাবি, নুরুল আমীন স্বীকার করেছেন—নাজুকে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করার পর বাড়ির পাশের মাঠে মাটি চাপা দিয়ে রাখেন তিনি।
তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে শুক্রবার সন্ধ্যায় নগুয়া গ্রামে অভিযান চালায় পুলিশ। পরে নুরুল আমীনের দেখিয়ে দেওয়া স্থান থেকে মাটির নিচে পুঁতে রাখা নাজু আক্তারের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নেত্রকোনা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল খায়ের ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, হত্যাকাণ্ডের কয়েকদিন আগে নাজু আক্তার ও নুরুল আমীনের আনুষ্ঠানিকভাবে বিবাহবিচ্ছেদ হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নুরুল আমীন দাবি করেছেন, বিচ্ছেদের কারণে ক্ষোভ থেকেই তিনি নাজুকে হত্যার পরিকল্পনা করেন।
ওসি আরও জানান, আটক নুরুল আমীন পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন। আইনি প্রক্রিয়া শেষে নাজু আক্তারের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নেত্রকোনা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের পর পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন