নেত্রকোণার মদনে বীর মুক্তিযোদ্ধার জানাজায় অংশ নিতে গিয়ে মোটরসাইকেল চুরির শিকার হয়েছেন এক ব্যক্তি। তবে চুরির ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তথ্যপ্রযুক্তি ও সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণের মাধ্যমে চুরি যাওয়া মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করেছে পুলিশ।
এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে মো. মাজহারুল ইসলাম জয় (২৬) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে নেত্রকোণার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) হাফিজুল ইসলাম প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব তথ্য জানান।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মদন উপজেলার ৬ নম্বর তিয়শ্রী ইউনিয়নের দৌলতপুর গ্রামে বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম আল আক্কাসের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় অংশ নিতে সেখানে যান মদন থানার চকপাড়া (চানগাঁও শাহপুর) গ্রামের মৃত আব্দুস সুবহানের ছেলে মো. শামসুল হক চ্যাম্পিয়ন (৩৮)।
তিনি তার ব্যবহৃত কালো ও নীল রঙের পালসার ১৫০ সিসি মোটরসাইকেলটি মরহুমের বাড়ির সামনে কবরস্থানের পাশে রেখে জানাজায় অংশ নেন। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জানাজা শেষে ফিরে এসে দেখেন, তার প্রায় এক লাখ ৬০ হাজার টাকা মূল্যের মোটরসাইকেলটি সেখানে নেই।
এ ঘটনায় ২৩ সেপ্টেম্বর মদন থানায় পেনাল কোডের ৩৭৯ ধারায় চুরির মামলা করেন ভুক্তভোগী। মামলা দায়েরের পরপরই চোর শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করে মদন থানা পুলিশ।
তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় এবং ঘটনাস্থলের আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ নিবিড়ভাবে পর্যালোচনা করে পুলিশ চুরির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিকে শনাক্ত করতে সক্ষম হয়।
এরপর বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল পৌনে ৫টার দিকে ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ থানা এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশের একটি দল। অভিযানে তেলুয়াড়ী মুন্সিপাড়ার নিজ বাড়ি থেকে মো. মাজহারুল ইসলাম জয়কে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি ওই গ্রামের মো. সবুজ মিয়া ও মোছা. খালেদা আক্তারের ছেলে।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদে জয় মোটরসাইকেল চুরির কথা স্বীকার করেন। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নেত্রকোণার কেন্দুয়া থানাধীন দরগাহ রোডের জনৈক আ. লতিফের চায়ের দোকানের পূর্ব পাশে অভিযান চালানো হয়। সেখানে পরিত্যক্ত অবস্থায় চুরি যাওয়া মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করে জব্দ তালিকার মাধ্যমে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) হাফিজুল ইসলাম জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। মোটরসাইকেল চুরির ঘটনায় আরও কোনো ব্যক্তি বা চক্র জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মামলার সঙ্গে জড়িত অপর আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। বর্তমানে মামলাটি নিবিড় তদন্তাধীন।

শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নেত্রকোণার মদনে বীর মুক্তিযোদ্ধার জানাজায় অংশ নিতে গিয়ে মোটরসাইকেল চুরির শিকার হয়েছেন এক ব্যক্তি। তবে চুরির ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তথ্যপ্রযুক্তি ও সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণের মাধ্যমে চুরি যাওয়া মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করেছে পুলিশ।
এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে মো. মাজহারুল ইসলাম জয় (২৬) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে নেত্রকোণার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) হাফিজুল ইসলাম প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব তথ্য জানান।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মদন উপজেলার ৬ নম্বর তিয়শ্রী ইউনিয়নের দৌলতপুর গ্রামে বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম আল আক্কাসের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় অংশ নিতে সেখানে যান মদন থানার চকপাড়া (চানগাঁও শাহপুর) গ্রামের মৃত আব্দুস সুবহানের ছেলে মো. শামসুল হক চ্যাম্পিয়ন (৩৮)।
তিনি তার ব্যবহৃত কালো ও নীল রঙের পালসার ১৫০ সিসি মোটরসাইকেলটি মরহুমের বাড়ির সামনে কবরস্থানের পাশে রেখে জানাজায় অংশ নেন। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জানাজা শেষে ফিরে এসে দেখেন, তার প্রায় এক লাখ ৬০ হাজার টাকা মূল্যের মোটরসাইকেলটি সেখানে নেই।
এ ঘটনায় ২৩ সেপ্টেম্বর মদন থানায় পেনাল কোডের ৩৭৯ ধারায় চুরির মামলা করেন ভুক্তভোগী। মামলা দায়েরের পরপরই চোর শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করে মদন থানা পুলিশ।
তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় এবং ঘটনাস্থলের আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ নিবিড়ভাবে পর্যালোচনা করে পুলিশ চুরির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিকে শনাক্ত করতে সক্ষম হয়।
এরপর বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল পৌনে ৫টার দিকে ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ থানা এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশের একটি দল। অভিযানে তেলুয়াড়ী মুন্সিপাড়ার নিজ বাড়ি থেকে মো. মাজহারুল ইসলাম জয়কে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি ওই গ্রামের মো. সবুজ মিয়া ও মোছা. খালেদা আক্তারের ছেলে।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদে জয় মোটরসাইকেল চুরির কথা স্বীকার করেন। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নেত্রকোণার কেন্দুয়া থানাধীন দরগাহ রোডের জনৈক আ. লতিফের চায়ের দোকানের পূর্ব পাশে অভিযান চালানো হয়। সেখানে পরিত্যক্ত অবস্থায় চুরি যাওয়া মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করে জব্দ তালিকার মাধ্যমে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) হাফিজুল ইসলাম জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। মোটরসাইকেল চুরির ঘটনায় আরও কোনো ব্যক্তি বা চক্র জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মামলার সঙ্গে জড়িত অপর আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। বর্তমানে মামলাটি নিবিড় তদন্তাধীন।

আপনার মতামত লিখুন