জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগের কর্মসূচি ঠেকানোর নামে ছাত্রদলের দুই পক্ষের সংঘর্ষ ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়া এবং ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ততার সন্দেহে এক রিকশাচালককে মারধরের ঘটনায় প্রতিবাদ জানিয়েছে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দেওয়া এক যৌথ বিবৃতিতে এসব ঘটনার প্রতিবাদ জানান সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট, জবি শাখার সভাপতি ইভান তাহসীব ও সাধারণ সম্পাদক শামসুল আলম মারুফ।
বিবৃতিতে তারা বলেন, ছাত্রলীগের দখলদারিত্ব ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীরা গণতান্ত্রিক ও ভয়মুক্ত ক্যাম্পাসের দাবিতে আন্দোলন করেছে। কিন্তু ছাত্রলীগ ঠেকানোর নামে ছাত্রদলের নিজেদের মধ্যে সংঘর্ষ এবং রাজনৈতিক পরিচয়ের সন্দেহে একজন রিকশাচালককে মারধরের ঘটনা শিক্ষার্থীদের সেই প্রত্যাশার সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
তারা আরও বলেন, রোববারের ঘটনায় ক্যাম্পাসের ভেতরে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের লাঠিসোঁটা ও স্ট্যাম্প হাতে দেখা গেছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড ক্যাম্পাসের স্বাভাবিক পরিবেশকে ব্যাহত করে।
তারা বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন ক্যাম্পাসে ছাত্রদল-ছাত্রশিবিরের সংঘর্ষ এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের অভ্যন্তরীণ সংঘর্ষের ঘটনা শিক্ষাঙ্গনের স্বাভাবিক ও গণতান্ত্রিক পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। রাজনৈতিক পরিচয়ের সন্দেহে কাউকে মারধর কিংবা সংঘর্ষের মাধ্যমে ক্যাম্পাস নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় বলে তারা উল্লেখ করেন।
বিবৃতিতে তারা দখলদারিত্ব, সন্ত্রাস ও সংঘর্ষের রাজনীতি বন্ধ করে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য গণতান্ত্রিক, নিরাপদ ও ভয়মুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানান।
এর আগে রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক ও আশপাশের এলাকায় ছাত্রদলের দুই পক্ষের মধ্যে কয়েক দফা সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। একই দিন ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ততার সন্দেহে এক রিকশাচালককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।

শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগের কর্মসূচি ঠেকানোর নামে ছাত্রদলের দুই পক্ষের সংঘর্ষ ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়া এবং ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ততার সন্দেহে এক রিকশাচালককে মারধরের ঘটনায় প্রতিবাদ জানিয়েছে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দেওয়া এক যৌথ বিবৃতিতে এসব ঘটনার প্রতিবাদ জানান সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট, জবি শাখার সভাপতি ইভান তাহসীব ও সাধারণ সম্পাদক শামসুল আলম মারুফ।
বিবৃতিতে তারা বলেন, ছাত্রলীগের দখলদারিত্ব ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীরা গণতান্ত্রিক ও ভয়মুক্ত ক্যাম্পাসের দাবিতে আন্দোলন করেছে। কিন্তু ছাত্রলীগ ঠেকানোর নামে ছাত্রদলের নিজেদের মধ্যে সংঘর্ষ এবং রাজনৈতিক পরিচয়ের সন্দেহে একজন রিকশাচালককে মারধরের ঘটনা শিক্ষার্থীদের সেই প্রত্যাশার সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
তারা আরও বলেন, রোববারের ঘটনায় ক্যাম্পাসের ভেতরে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের লাঠিসোঁটা ও স্ট্যাম্প হাতে দেখা গেছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড ক্যাম্পাসের স্বাভাবিক পরিবেশকে ব্যাহত করে।
তারা বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন ক্যাম্পাসে ছাত্রদল-ছাত্রশিবিরের সংঘর্ষ এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের অভ্যন্তরীণ সংঘর্ষের ঘটনা শিক্ষাঙ্গনের স্বাভাবিক ও গণতান্ত্রিক পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। রাজনৈতিক পরিচয়ের সন্দেহে কাউকে মারধর কিংবা সংঘর্ষের মাধ্যমে ক্যাম্পাস নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় বলে তারা উল্লেখ করেন।
বিবৃতিতে তারা দখলদারিত্ব, সন্ত্রাস ও সংঘর্ষের রাজনীতি বন্ধ করে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য গণতান্ত্রিক, নিরাপদ ও ভয়মুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানান।
এর আগে রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক ও আশপাশের এলাকায় ছাত্রদলের দুই পক্ষের মধ্যে কয়েক দফা সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। একই দিন ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ততার সন্দেহে এক রিকশাচালককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন