কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক নাহিদা বেগমের ছেলে অপ্রতিমের দ্বিতীয় দফা জানাজা শেষে দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন্দ্রীয় মাঠে প্রথম জানাজা শেষে তার মরদেহ গন্ধমতী ঈদগাহ মাঠে নেওয়া হয়। সেখানে দ্বিতীয় জানাজা শেষে বাগমারা কোটবাড়ির কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
অপ্রতিমের বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার বলেন, 'দ্রুত বিচার যাতে হয় বর্তমান প্রশাসনের কাছে এইটা আমার চাওয়া। আমার ছেলের বয়স মাত্র ১৩ বছর, সে এই বয়সে কোনো ক্রাইম তো করবেই না, না কোনো প্রেম ঘটিত কারন থাকবে। সিসিটিভি ফুটেজ দেখে বুঝাই যাচ্ছে যে আনন্দে তাদের সাথে যাচ্ছে।"
অপ্রতিম কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের একমাত্র সন্তান। তার বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার পেশায় ব্যবসায়ী। সে কুমিল্লার বর্ডারগার্ড পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী।
এর আগে শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার দিকে সানন্দা পশ্চিমপাড়া লালমাই পাহাড় এলাকা থেকে অপ্রতিমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

রোববার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক নাহিদা বেগমের ছেলে অপ্রতিমের দ্বিতীয় দফা জানাজা শেষে দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন্দ্রীয় মাঠে প্রথম জানাজা শেষে তার মরদেহ গন্ধমতী ঈদগাহ মাঠে নেওয়া হয়। সেখানে দ্বিতীয় জানাজা শেষে বাগমারা কোটবাড়ির কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
অপ্রতিমের বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার বলেন, 'দ্রুত বিচার যাতে হয় বর্তমান প্রশাসনের কাছে এইটা আমার চাওয়া। আমার ছেলের বয়স মাত্র ১৩ বছর, সে এই বয়সে কোনো ক্রাইম তো করবেই না, না কোনো প্রেম ঘটিত কারন থাকবে। সিসিটিভি ফুটেজ দেখে বুঝাই যাচ্ছে যে আনন্দে তাদের সাথে যাচ্ছে।"
অপ্রতিম কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের একমাত্র সন্তান। তার বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার পেশায় ব্যবসায়ী। সে কুমিল্লার বর্ডারগার্ড পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী।
এর আগে শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার দিকে সানন্দা পশ্চিমপাড়া লালমাই পাহাড় এলাকা থেকে অপ্রতিমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন