গত ১৭ বছর আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিনা বিচারে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের ধরে নিয়ে ক্রসফায়ারের নামে হত্যা ও গুম করা হয়েছে। সাড়ে চার হাজারের বেশি বিএনপির নেতা-কর্মীকে ক্রসফায়ারের নামে হত্যা করা হয়েছে। সাতশ’র বেশি বিএনপি নেতা-কর্মীকে গুম করা হয়েছে। জামায়াতের অসংখ্য নেতা-কর্মীকেও গুম ও হত্যা করা হয়েছে, শুধুমাত্র বিএনপি ও জামায়াত করার কারণে।
মঙ্গলবার দুপুরে বাগেরহাট জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা আইনশৃঙ্খলা ও উন্নয়ন বিষয়ক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন আইনমন্ত্রী (আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়) মো. আসাদুজ্জামান।
তিনি আরও বলেন, বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের আমলে ৬০ লাখের বেশি মানুষের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও গায়েবি মামলা করা হয়েছে। এসব মামলার ৯৯ শতাংশেরই বাদী ছিল পুলিশ। এখন আপনারা পরিবর্তন দেখতে পাচ্ছেন। পুলিশ বাদী হয়ে কোনো ধরনের রাজনৈতিক মামলা করছে না। মিথ্যা মামলার সংস্কৃতি বন্ধ হয়েছে। এছাড়া বর্তমানে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা এখন টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া পর্যন্ত ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে। এসব নেতাকর্মীরা নিষ্ঠুরতার সর্বোচ্চ সীমা অতিক্রম করেছিল। আজ তাদের বিচার করতে যদি আমরা ব্যর্থ হই, তাহলে কাপুরুষ ও ভীরুতার পরিচয় দেব। আমরা সেটা চাই না। আমরা দেশে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে চাই।
মতিবিনিময় সভায় মন্ত্রী মাদকের ভয়াবহতা তুলে ধরে আরো বলেন, মাদক একটি সামাজিক ব্যাধি। এটি প্রতিরোধে শুধু ডিসি,এসপি কিংবা রাষ্ট্রের উদ্যোগ যথেষ্ট নয়। মাদককে সামাজিকভাবে প্রতিহত করতে হবে। বাগেরহাটে মাদক প্রতিরোধে মসজিদের ইমাম থেকে শুরু করে সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে সম্মিলিতভাবে এগিয়ে আসতে হবে। তাহলেই দেশ থেকে মাদক নির্মূল ও প্রতিহত করা সম্ভব হবে। এছাড়া সরকার মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিতে রয়েছে। মাদকের সঙ্গে যদি কোনো বিএনপির নেতা-কর্মীও জড়িত থাকেন, তাঁদেরও কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। মাদক প্রতিরোধে জনসম্পৃক্ততা বাড়াতে হবে। সবাইকে নিয়ে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে পারলে আমরা সামনে এগিয়ে যেতে পারব।
মতবিনিময় সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাগেরহাট-১ আসনের সংসদ সদস্য মাওলানা মশিউর রহমান খান, বাগেরহাট-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল আলিম, বাগেরহাট জেলা পরিষদের প্রশাসক ব্যারিস্টার মোহাম্মদ জাকির হোসেন, জেলা প্রশাসক গোলাম মোহাম্মদ বাতেন, পুলিশ সুপার হাসান মোহাম্মদ নাছের রিকাবদারসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এর আগে সকালে আইনমন্ত্রী জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। পরে বিকেলে বাগেরহাট জেলা পরিষদ মিলনায়তনে বিএনপির নেতা-কর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন তিনি।

মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
গত ১৭ বছর আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিনা বিচারে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের ধরে নিয়ে ক্রসফায়ারের নামে হত্যা ও গুম করা হয়েছে। সাড়ে চার হাজারের বেশি বিএনপির নেতা-কর্মীকে ক্রসফায়ারের নামে হত্যা করা হয়েছে। সাতশ’র বেশি বিএনপি নেতা-কর্মীকে গুম করা হয়েছে। জামায়াতের অসংখ্য নেতা-কর্মীকেও গুম ও হত্যা করা হয়েছে, শুধুমাত্র বিএনপি ও জামায়াত করার কারণে।
মঙ্গলবার দুপুরে বাগেরহাট জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা আইনশৃঙ্খলা ও উন্নয়ন বিষয়ক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন আইনমন্ত্রী (আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়) মো. আসাদুজ্জামান।
তিনি আরও বলেন, বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের আমলে ৬০ লাখের বেশি মানুষের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও গায়েবি মামলা করা হয়েছে। এসব মামলার ৯৯ শতাংশেরই বাদী ছিল পুলিশ। এখন আপনারা পরিবর্তন দেখতে পাচ্ছেন। পুলিশ বাদী হয়ে কোনো ধরনের রাজনৈতিক মামলা করছে না। মিথ্যা মামলার সংস্কৃতি বন্ধ হয়েছে। এছাড়া বর্তমানে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা এখন টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া পর্যন্ত ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে। এসব নেতাকর্মীরা নিষ্ঠুরতার সর্বোচ্চ সীমা অতিক্রম করেছিল। আজ তাদের বিচার করতে যদি আমরা ব্যর্থ হই, তাহলে কাপুরুষ ও ভীরুতার পরিচয় দেব। আমরা সেটা চাই না। আমরা দেশে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে চাই।
মতিবিনিময় সভায় মন্ত্রী মাদকের ভয়াবহতা তুলে ধরে আরো বলেন, মাদক একটি সামাজিক ব্যাধি। এটি প্রতিরোধে শুধু ডিসি,এসপি কিংবা রাষ্ট্রের উদ্যোগ যথেষ্ট নয়। মাদককে সামাজিকভাবে প্রতিহত করতে হবে। বাগেরহাটে মাদক প্রতিরোধে মসজিদের ইমাম থেকে শুরু করে সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে সম্মিলিতভাবে এগিয়ে আসতে হবে। তাহলেই দেশ থেকে মাদক নির্মূল ও প্রতিহত করা সম্ভব হবে। এছাড়া সরকার মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিতে রয়েছে। মাদকের সঙ্গে যদি কোনো বিএনপির নেতা-কর্মীও জড়িত থাকেন, তাঁদেরও কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। মাদক প্রতিরোধে জনসম্পৃক্ততা বাড়াতে হবে। সবাইকে নিয়ে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে পারলে আমরা সামনে এগিয়ে যেতে পারব।
মতবিনিময় সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাগেরহাট-১ আসনের সংসদ সদস্য মাওলানা মশিউর রহমান খান, বাগেরহাট-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল আলিম, বাগেরহাট জেলা পরিষদের প্রশাসক ব্যারিস্টার মোহাম্মদ জাকির হোসেন, জেলা প্রশাসক গোলাম মোহাম্মদ বাতেন, পুলিশ সুপার হাসান মোহাম্মদ নাছের রিকাবদারসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এর আগে সকালে আইনমন্ত্রী জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। পরে বিকেলে বাগেরহাট জেলা পরিষদ মিলনায়তনে বিএনপির নেতা-কর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন তিনি।

আপনার মতামত লিখুন