বিপ্লবী বার্তা

মূল পাতা

সারাদেশ

তিন শতাধিক বাস, হাজারো যাত্রী ,বেহাল টার্মিনালে বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি

তিন শতাধিক বাস, হাজারো যাত্রী ,বেহাল টার্মিনালে বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি
ছবি : বিপ্লবী বার্তা

পদ্মা সেতু চালুর পর বাগেরহাট থেকে দূরপাল্লার বাস চলাচল যাত্রীর সংখ্যা বেড়েছে। কিন্তু এর সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাড়েনি জেলার একমাত্র কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালের সেবার মান অবকাঠামো। দীর্ঘদিন সংস্কার আধুনিকায়ন না হওয়ায় টার্মিনালটির বিভিন্ন অংশে তৈরি হয়েছে বড় বড় খানাখন্দ। সামান্য বৃষ্টিতেই এসব গর্তে পানি জমে কাদা সৃষ্টি হয়। জায়গা সংকটের কারণে অধিকাংশ দূরপাল্লার বাস টার্মিনালের বাইরে সড়কের পাশে পার্কিং করে যাত্রী ওঠানামা করাচ্ছে। এতে ভোগান্তির পাশাপাশি বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি।

সংশ্লিষ্টদের দাবি, বর্তমানে প্রতিদিন প্রায় ১৫ থেকে ২০ হাজার যাত্রী এই টার্মিনাল ব্যবহার করেন। প্রতিদিন আটটি রুটে চলাচল করে তিন শতাধিক বাস মিনিবাস। যাত্রী যানবাহনের চাপ বাড়লেও সেই তুলনায় বাড়েনি টার্মিনালের সুযোগ-সুবিধা।

সরেজমিনে দেখা যায়, টার্মিনালের ভেতরের বিভিন্ন অংশে বড় বড় গর্ত, কাদা পানি জমে আছে। পর্যাপ্ত জায়গা না থাকায় অনেক দূরপাল্লার বাস প্রধান সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে যাত্রী ওঠানামা করাচ্ছে। কয়েকটি পরিবহনের কাউন্টারও টার্মিনালের বাইরে গড়ে উঠেছে। ফলে ব্যস্ত সড়কের ওপর দাঁড়িয়েই যাত্রীদের বাসে উঠতে নামতে হচ্ছে। এতে যানজটের পাশাপাশি দুর্ঘটনার ঝুঁকিও তৈরি হচ্ছে।

চট্টগ্রাম থেকে আসা যাত্রী রায়হান শেখ বলেন, বাসে উঠতে বা নামতে গিয়ে অনেক সময় সড়কের ওপর দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। বড় বড় বাস পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় আতঙ্ক লাগে। টার্মিনালের ভেতরেই যদি পর্যাপ্ত জায়গা থাকত, তাহলে এই ভোগান্তি হতো না।

আরেক যাত্রী শাওন বলেন,বৃষ্টির সময় টার্মিনালের অবস্থা আরও খারাপ হয়ে যায়। কোথাও পানি জমে থাকে, কোথাও কাদা। নারী, শিশু বয়স্কদের জন্য এখানে চলাচল করা খুবই কষ্টকর। দীর্ঘদিন ধরে এই অবস্থা দেখছি, কিন্তু স্থায়ী সমাধান হচ্ছে না।

ঢাকা থেকে আসা যাত্রী শাফিন আহমেদ বলেন, পদ্মা সেতু চালু হওয়ার পর বাস যাত্রী দুটোই বেড়েছে। কিন্তু টার্মিনাল আগের মতোই আছে। বাস রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে যাত্রী তুললে যানজট দুর্ঘটনার ঝুঁকি দুটোই বাড়ে। দ্রুত টার্মিনালটি আধুনিকায়ন করা দরকার।

যশোর থেকে আসা নাফিজা বলেন,বাস টার্মিনালের ভেতরে পর্যাপ্ত বসার অপেক্ষা করার জায়গা নেই। বৃষ্টির সময় কাদা-পানি মাড়িয়ে বাসে উঠতে হয়। বিশেষ করে শিশু বা বয়স্ক নারী সঙ্গে থাকলে আরও বেশি ভোগান্তিতে পড়তে হয়। অনেক বাস সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে যাত্রী ওঠানামা করায় নিরাপত্তা নিয়েও শঙ্কা থাকে। দ্রুত টার্মিনালটি সংস্কার আধুনিকায়ন করা দরকার।

সংশ্লিষ্টরা জানান, ২০০৪ সালে পৌরসভা এলাকার মহাসড়কের পাশে দুই একর জমির ওপর বাগেরহাট স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগ বাস টার্মিনালটি নির্মাণ করে। দুই দশকের বেশি সময় পার হলেও টার্মিনালটির অবকাঠামোগত উন্নয়ন সেভাবে হয়নি। বর্তমানে প্রতিদিন আটটি রুটে তিন শতাধিক বাস মিনিবাস চলাচল করায় পুরোনো এই টার্মিনালটি যানবাহন যাত্রীর চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে।

বাগেরহাট জেলা বাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বলেন,টার্মিনালের অবস্থা একেবারেই নাজুক। বড় বড় গর্ত কাদার কারণে যাত্রীদের ওঠানামায় চরম ভোগান্তি হচ্ছে। গর্তে পড়ে প্রতিনিয়ত বাস ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বিশেষ করে গাড়ির পাতি ভেঙে যাওয়াসহ বিভিন্ন যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিচ্ছে। এতে পরিবহন মালিকদের বাড়তি ক্ষতির সম্মুখীন হতে হচ্ছে।

তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। পরিবহন মালিকরা নিয়মিত টার্মিনালের কর পরিশোধ করছেন। এরপরও কেন প্রয়োজনীয় সংস্কার মেরামত করা হচ্ছে না, তা বোধগম্য নয়। পৌরসভার পক্ষ থেকে বারবার কাজ করার আশ্বাস দেওয়া হলেও বাস্তবে এখনো কার্যকর কোনো উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না।

দ্রুত টার্মিনালটি সংস্কার সম্প্রসারণ করে যাত্রী, চালক পরিবহন শ্রমিকদের ভোগান্তি দূর করার দাবি জানান তিনি।

বাগেরহাট পৌরসভার প্রশাসক অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মেজবাহ উদ্দিন বলেন,বাগেরহাট পৌর বাসস্ট্যান্ডটি পুরোনো হওয়ায় এটিকে আধুনিকায়নের জন্য জমি অধিগ্রহণের কাজ চলমান রয়েছে। জমি অধিগ্রহণের কাজ সম্পন্ন হলে বাসস্ট্যান্ডটি আধুনিক উন্নত বাসস্ট্যান্ডে রূপান্তর করা হবে।

তিনি আরও বলেন,অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে বাসস্ট্যান্ডের বিভিন্ন স্থানে খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। ইতোমধ্যে সেখানে ইট-বালু দেওয়া হয়েছে। এরপরও কোনো সমস্যা থাকলে তা চিহ্নিত করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যাত্রীরা যাতে স্বাচ্ছন্দ্যে নিরাপদে বাসস্ট্যান্ডটি ব্যবহার করতে পারেন, সে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। বাসস্ট্যান্ডের লাইটের সমস্যাটিও দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

পৌরসভার সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী জানান, বাস টার্মিনালটি সম্প্রসারণের জন্য আরও প্রায় তিন একর জমি অধিগ্রহণের কাজ চলছে। জমি অধিগ্রহণ সম্পন্ন হলে টার্মিনালের পরিসর বাড়ানোর পাশাপাশি যাত্রীদের সুযোগ-সুবিধাও বাড়ানো হবে।

তবে যাত্রীদের দাবি, জমি অধিগ্রহণ আধুনিকায়নের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার পাশাপাশি টার্মিনালের বর্তমান খানাখন্দ, পানি নিষ্কাশন, আলোকসজ্জা যানবাহন পার্কিংয়ের সমস্যা দ্রুত সমাধান করা জরুরি। তা না হলে যাত্রী যানবাহনের চাপ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দুর্ভোগ এবং দুর্ঘটনার ঝুঁকিও আরও বাড়তে পারে।

দুর্ঘটনা টার্মিনাল

আপনার মতামত লিখুন

বিপ্লবী বার্তা

শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬


তিন শতাধিক বাস, হাজারো যাত্রী ,বেহাল টার্মিনালে বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি

প্রকাশের তারিখ : ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

পদ্মা সেতু চালুর পর বাগেরহাট থেকে দূরপাল্লার বাস চলাচল যাত্রীর সংখ্যা বেড়েছে। কিন্তু এর সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাড়েনি জেলার একমাত্র কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালের সেবার মান অবকাঠামো। দীর্ঘদিন সংস্কার আধুনিকায়ন না হওয়ায় টার্মিনালটির বিভিন্ন অংশে তৈরি হয়েছে বড় বড় খানাখন্দ। সামান্য বৃষ্টিতেই এসব গর্তে পানি জমে কাদা সৃষ্টি হয়। জায়গা সংকটের কারণে অধিকাংশ দূরপাল্লার বাস টার্মিনালের বাইরে সড়কের পাশে পার্কিং করে যাত্রী ওঠানামা করাচ্ছে। এতে ভোগান্তির পাশাপাশি বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি।

সংশ্লিষ্টদের দাবি, বর্তমানে প্রতিদিন প্রায় ১৫ থেকে ২০ হাজার যাত্রী এই টার্মিনাল ব্যবহার করেন। প্রতিদিন আটটি রুটে চলাচল করে তিন শতাধিক বাস মিনিবাস। যাত্রী যানবাহনের চাপ বাড়লেও সেই তুলনায় বাড়েনি টার্মিনালের সুযোগ-সুবিধা।

সরেজমিনে দেখা যায়, টার্মিনালের ভেতরের বিভিন্ন অংশে বড় বড় গর্ত, কাদা পানি জমে আছে। পর্যাপ্ত জায়গা না থাকায় অনেক দূরপাল্লার বাস প্রধান সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে যাত্রী ওঠানামা করাচ্ছে। কয়েকটি পরিবহনের কাউন্টারও টার্মিনালের বাইরে গড়ে উঠেছে। ফলে ব্যস্ত সড়কের ওপর দাঁড়িয়েই যাত্রীদের বাসে উঠতে নামতে হচ্ছে। এতে যানজটের পাশাপাশি দুর্ঘটনার ঝুঁকিও তৈরি হচ্ছে।

চট্টগ্রাম থেকে আসা যাত্রী রায়হান শেখ বলেন, বাসে উঠতে বা নামতে গিয়ে অনেক সময় সড়কের ওপর দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। বড় বড় বাস পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় আতঙ্ক লাগে। টার্মিনালের ভেতরেই যদি পর্যাপ্ত জায়গা থাকত, তাহলে এই ভোগান্তি হতো না।

আরেক যাত্রী শাওন বলেন,বৃষ্টির সময় টার্মিনালের অবস্থা আরও খারাপ হয়ে যায়। কোথাও পানি জমে থাকে, কোথাও কাদা। নারী, শিশু বয়স্কদের জন্য এখানে চলাচল করা খুবই কষ্টকর। দীর্ঘদিন ধরে এই অবস্থা দেখছি, কিন্তু স্থায়ী সমাধান হচ্ছে না।

ঢাকা থেকে আসা যাত্রী শাফিন আহমেদ বলেন, পদ্মা সেতু চালু হওয়ার পর বাস যাত্রী দুটোই বেড়েছে। কিন্তু টার্মিনাল আগের মতোই আছে। বাস রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে যাত্রী তুললে যানজট দুর্ঘটনার ঝুঁকি দুটোই বাড়ে। দ্রুত টার্মিনালটি আধুনিকায়ন করা দরকার।

যশোর থেকে আসা নাফিজা বলেন,বাস টার্মিনালের ভেতরে পর্যাপ্ত বসার অপেক্ষা করার জায়গা নেই। বৃষ্টির সময় কাদা-পানি মাড়িয়ে বাসে উঠতে হয়। বিশেষ করে শিশু বা বয়স্ক নারী সঙ্গে থাকলে আরও বেশি ভোগান্তিতে পড়তে হয়। অনেক বাস সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে যাত্রী ওঠানামা করায় নিরাপত্তা নিয়েও শঙ্কা থাকে। দ্রুত টার্মিনালটি সংস্কার আধুনিকায়ন করা দরকার।

সংশ্লিষ্টরা জানান, ২০০৪ সালে পৌরসভা এলাকার মহাসড়কের পাশে দুই একর জমির ওপর বাগেরহাট স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগ বাস টার্মিনালটি নির্মাণ করে। দুই দশকের বেশি সময় পার হলেও টার্মিনালটির অবকাঠামোগত উন্নয়ন সেভাবে হয়নি। বর্তমানে প্রতিদিন আটটি রুটে তিন শতাধিক বাস মিনিবাস চলাচল করায় পুরোনো এই টার্মিনালটি যানবাহন যাত্রীর চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে।

বাগেরহাট জেলা বাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বলেন,টার্মিনালের অবস্থা একেবারেই নাজুক। বড় বড় গর্ত কাদার কারণে যাত্রীদের ওঠানামায় চরম ভোগান্তি হচ্ছে। গর্তে পড়ে প্রতিনিয়ত বাস ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বিশেষ করে গাড়ির পাতি ভেঙে যাওয়াসহ বিভিন্ন যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিচ্ছে। এতে পরিবহন মালিকদের বাড়তি ক্ষতির সম্মুখীন হতে হচ্ছে।

তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। পরিবহন মালিকরা নিয়মিত টার্মিনালের কর পরিশোধ করছেন। এরপরও কেন প্রয়োজনীয় সংস্কার মেরামত করা হচ্ছে না, তা বোধগম্য নয়। পৌরসভার পক্ষ থেকে বারবার কাজ করার আশ্বাস দেওয়া হলেও বাস্তবে এখনো কার্যকর কোনো উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না।

দ্রুত টার্মিনালটি সংস্কার সম্প্রসারণ করে যাত্রী, চালক পরিবহন শ্রমিকদের ভোগান্তি দূর করার দাবি জানান তিনি।

বাগেরহাট পৌরসভার প্রশাসক অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মেজবাহ উদ্দিন বলেন,বাগেরহাট পৌর বাসস্ট্যান্ডটি পুরোনো হওয়ায় এটিকে আধুনিকায়নের জন্য জমি অধিগ্রহণের কাজ চলমান রয়েছে। জমি অধিগ্রহণের কাজ সম্পন্ন হলে বাসস্ট্যান্ডটি আধুনিক উন্নত বাসস্ট্যান্ডে রূপান্তর করা হবে।

তিনি আরও বলেন,অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে বাসস্ট্যান্ডের বিভিন্ন স্থানে খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। ইতোমধ্যে সেখানে ইট-বালু দেওয়া হয়েছে। এরপরও কোনো সমস্যা থাকলে তা চিহ্নিত করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যাত্রীরা যাতে স্বাচ্ছন্দ্যে নিরাপদে বাসস্ট্যান্ডটি ব্যবহার করতে পারেন, সে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। বাসস্ট্যান্ডের লাইটের সমস্যাটিও দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

পৌরসভার সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী জানান, বাস টার্মিনালটি সম্প্রসারণের জন্য আরও প্রায় তিন একর জমি অধিগ্রহণের কাজ চলছে। জমি অধিগ্রহণ সম্পন্ন হলে টার্মিনালের পরিসর বাড়ানোর পাশাপাশি যাত্রীদের সুযোগ-সুবিধাও বাড়ানো হবে।

তবে যাত্রীদের দাবি, জমি অধিগ্রহণ আধুনিকায়নের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার পাশাপাশি টার্মিনালের বর্তমান খানাখন্দ, পানি নিষ্কাশন, আলোকসজ্জা যানবাহন পার্কিংয়ের সমস্যা দ্রুত সমাধান করা জরুরি। তা না হলে যাত্রী যানবাহনের চাপ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দুর্ভোগ এবং দুর্ঘটনার ঝুঁকিও আরও বাড়তে পারে।


বিপ্লবী বার্তা

প্রকাশক
শেখ মাহমুদ উজ্জ্বল
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক
কাইয়ুম তালুকদার (কানন)
উপদেষ্টা সম্পাদক
ড. জাহিদ আহমেদ চৌধুরী

কপিরাইট © ২০২৬ । বিপ্লবী বার্তা