বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন যারা ধর্মকে পুঁজি করে স্বস্তা রাজনীতির নামে দেশে বিভক্তি রেখা কিংবা সমাজের অশান্তি সৃষ্টির পায়তারা করবে তিনি যে ধর্ম বিশ্বাস কিংবা রাজনৈতিক দর্শনের হোক না? রাষ্ট্র সরকারের পাশাপাশি আমরা সম্মিলিত ভাবে সামাজিক ভাবে তাদেরকে প্রতিরোধ করবো। ধর্ম বিশ্বাসের ভিন্নতার কারণে কোন মানুষ যে পিছনে না পড়ে, কিংবা অতিরিক্ত সুবিধা ভোগ অথবা সুবিধা বঞ্চিত না হয় বর্তমান তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার সেটি নিশ্চিত করতে চায়। আমরা মানুষকে মানুষ হিসেবে চিনতে শিখেছি। এই শিক্ষা আমার রাজনৈতিক দল বিএনপি দিয়েছে। যে কারণে ক্ষমতায় থাকলেও আমরা মানুষের পাশে থাকি, ক্ষমতায় না থাকলেও মানুষের পাশে থাকি।
শ্রীকৃষ্ণের শুভ জন্মাষ্টমী উৎসব উপলক্ষে যশোর জেলা, সদর উপজেলা ও পৌর পূজা উদযাপন পরিষদ আয়োজিত র্যালি পূর্ব আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন। শুক্রবার মুন্সী মেহেরুল্লাহ ময়দানে জাতীয় সংগীত এবং জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে প্রতিমন্ত্রী অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন।
অনুষ্ঠানে বক্তব্যের শুরুতে জন্মাষ্টমীর শুভেচ্ছা জানান। তিনি আরও বলেন ধর্ম নিছক বিশ্বাস এবং চেতনার বিষয়, রাজনীতির মাঠে অনৈতিক সুবিধা লাভের মাধ্যমে হতে পারে না। আজকের এই দিনটি কেবল ধর্মীয় উৎসব নয়, গভীর ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য এবং আধ্যাত্মিক চেতনায় উজ্জীবিত দিন। দ্বাপর যুগে অন্ধকারাচ্ছন পাপাচার ময় সময়ে শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব হয়েছিল। মথুরার কংসের কারাগারে বন্দিদশার সেই কঠিন সময় তার জন্ম আমাদের এই বার্তায় দেয়, রাতের অন্ধকার যত গভীর হোক না কন? ন্যায়ের পথ ধরে আসে মুক্তির আলো এটাই পরম সত্য। তাই সমাজ থেকে সত্য বিশ্বাস হারিয়ে গেলেও সমাজ টিকে থাকবে আশার আলো নিয়ে। সেই আশার আলো হচ্ছে আবারও সমাজে সত্য উন্মোচিত এবং পরস্পরের মধ্যে বিশ্বাস স্থাপন ও ভালো বাসা সৃষ্টি হবে। যার মাধ্যমে ব্যক্তিগত কিংবা গোষ্ঠীগত স্বার্থের উর্ধ্বে থেকে সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে পারবো। চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান আমাদের সেই শিক্ষা দিয়েছে।
তিনি বলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী আপসহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদ জিয়া মহান সংসদে বলেছিলেন, কারও ধর্ম বিশ্বাস কিংবা রাজনৈতিক দর্শন বিবেচ্য বিষয় নয়, বাংলাদেশ নামক ভূখন্ডে বসবাসকারী আমাদের সকলের একটি পরিচয় আমরা বাংলাদেশি। তাই আপনাদের (সনাতন ধর্মাবলম্বী) দুর্বল ভাবার কোন কারণ নেই। সরকারের একজন প্রতিনিধি হিসেবে এই যশোরের মাটিতে আমার যতখানি অধিকার রয়েছে, আপনাদের ( সনাতন ধর্মাবলম্বী) ঠিক ততখানি অধিকার রয়েছে।
আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান, পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম, যশোর পৌর প্রশাসক রফিকুল হাসান। সম্মানিত অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাড. সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু ও সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খান খোকন। আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি দীপংকর দাস রতন। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক তপন কুমার ঘোষের পরিচালনায় আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি গোলাম রেজা দুলু, পৌরসভার সাবেক মেয়র মারুফুল ইসলাম।
বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্ট যশোর জেলা শাখার আহ্বায়ক অ্যাড. দেবাশীষ দাস, রামকৃষ্ণ আশ্রম ও মিশন যশোরের অধ্যক্ষ স্বামী জ্ঞানপ্রকাশানন্দজী মহারাজ, সদর উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি রবিন পাল, সাধারণ সম্পাদক প্রশান্ত কুমার সরকার, পৌর পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক উৎপল ঘোষ প্রমুখ।

শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন যারা ধর্মকে পুঁজি করে স্বস্তা রাজনীতির নামে দেশে বিভক্তি রেখা কিংবা সমাজের অশান্তি সৃষ্টির পায়তারা করবে তিনি যে ধর্ম বিশ্বাস কিংবা রাজনৈতিক দর্শনের হোক না? রাষ্ট্র সরকারের পাশাপাশি আমরা সম্মিলিত ভাবে সামাজিক ভাবে তাদেরকে প্রতিরোধ করবো। ধর্ম বিশ্বাসের ভিন্নতার কারণে কোন মানুষ যে পিছনে না পড়ে, কিংবা অতিরিক্ত সুবিধা ভোগ অথবা সুবিধা বঞ্চিত না হয় বর্তমান তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার সেটি নিশ্চিত করতে চায়। আমরা মানুষকে মানুষ হিসেবে চিনতে শিখেছি। এই শিক্ষা আমার রাজনৈতিক দল বিএনপি দিয়েছে। যে কারণে ক্ষমতায় থাকলেও আমরা মানুষের পাশে থাকি, ক্ষমতায় না থাকলেও মানুষের পাশে থাকি।
শ্রীকৃষ্ণের শুভ জন্মাষ্টমী উৎসব উপলক্ষে যশোর জেলা, সদর উপজেলা ও পৌর পূজা উদযাপন পরিষদ আয়োজিত র্যালি পূর্ব আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন। শুক্রবার মুন্সী মেহেরুল্লাহ ময়দানে জাতীয় সংগীত এবং জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে প্রতিমন্ত্রী অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন।
অনুষ্ঠানে বক্তব্যের শুরুতে জন্মাষ্টমীর শুভেচ্ছা জানান। তিনি আরও বলেন ধর্ম নিছক বিশ্বাস এবং চেতনার বিষয়, রাজনীতির মাঠে অনৈতিক সুবিধা লাভের মাধ্যমে হতে পারে না। আজকের এই দিনটি কেবল ধর্মীয় উৎসব নয়, গভীর ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য এবং আধ্যাত্মিক চেতনায় উজ্জীবিত দিন। দ্বাপর যুগে অন্ধকারাচ্ছন পাপাচার ময় সময়ে শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব হয়েছিল। মথুরার কংসের কারাগারে বন্দিদশার সেই কঠিন সময় তার জন্ম আমাদের এই বার্তায় দেয়, রাতের অন্ধকার যত গভীর হোক না কন? ন্যায়ের পথ ধরে আসে মুক্তির আলো এটাই পরম সত্য। তাই সমাজ থেকে সত্য বিশ্বাস হারিয়ে গেলেও সমাজ টিকে থাকবে আশার আলো নিয়ে। সেই আশার আলো হচ্ছে আবারও সমাজে সত্য উন্মোচিত এবং পরস্পরের মধ্যে বিশ্বাস স্থাপন ও ভালো বাসা সৃষ্টি হবে। যার মাধ্যমে ব্যক্তিগত কিংবা গোষ্ঠীগত স্বার্থের উর্ধ্বে থেকে সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে পারবো। চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান আমাদের সেই শিক্ষা দিয়েছে।
তিনি বলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী আপসহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদ জিয়া মহান সংসদে বলেছিলেন, কারও ধর্ম বিশ্বাস কিংবা রাজনৈতিক দর্শন বিবেচ্য বিষয় নয়, বাংলাদেশ নামক ভূখন্ডে বসবাসকারী আমাদের সকলের একটি পরিচয় আমরা বাংলাদেশি। তাই আপনাদের (সনাতন ধর্মাবলম্বী) দুর্বল ভাবার কোন কারণ নেই। সরকারের একজন প্রতিনিধি হিসেবে এই যশোরের মাটিতে আমার যতখানি অধিকার রয়েছে, আপনাদের ( সনাতন ধর্মাবলম্বী) ঠিক ততখানি অধিকার রয়েছে।
আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান, পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম, যশোর পৌর প্রশাসক রফিকুল হাসান। সম্মানিত অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাড. সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু ও সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খান খোকন। আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি দীপংকর দাস রতন। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক তপন কুমার ঘোষের পরিচালনায় আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি গোলাম রেজা দুলু, পৌরসভার সাবেক মেয়র মারুফুল ইসলাম।
বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্ট যশোর জেলা শাখার আহ্বায়ক অ্যাড. দেবাশীষ দাস, রামকৃষ্ণ আশ্রম ও মিশন যশোরের অধ্যক্ষ স্বামী জ্ঞানপ্রকাশানন্দজী মহারাজ, সদর উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি রবিন পাল, সাধারণ সম্পাদক প্রশান্ত কুমার সরকার, পৌর পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক উৎপল ঘোষ প্রমুখ।

আপনার মতামত লিখুন