ঢাকা সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট ও Town Life Japan Ltd.-এর মধ্যে সম্পাদিত সমঝোতা স্মারকের (MoU) আলোকে ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটসহ দেশের অন্যান্য বিভাগীয় পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীদের জাপানে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সভায় দেশের কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত তরুণদের জাপানের শ্রমবাজারে যুক্ত করার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়। বিশেষ করে জাপানি ভাষা শিক্ষা, কারিগরি প্রশিক্ষণ, কর্মসংস্থানের জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি এবং জাপানে যাওয়ার প্রক্রিয়া নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন জানিয়েছেন, জাপানে কর্মসংস্থানের জন্য নির্বাচিত বাংলাদেশি ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের জাপানি ভাষা ও কারিগরি প্রশিক্ষণ থেকে শুরু করে জাপানে পৌঁছানো পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট সব খরচ জাপানি প্রতিষ্ঠানগুলো বহন করবে। ফলে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের জন্য এটি আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে প্রবেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের প্রথম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের জাপানি ভাষা প্রশিক্ষণ ইতোমধ্যে প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে এবং তাদের চাকরিও নিশ্চিত হয়েছে। তারা ২০২৬ সালের অক্টোবরের মধ্যে পর্যায়ক্রমে জাপানে গিয়ে নিজ নিজ কর্মস্থলে যোগ দেওয়া শুরু করবেন।
এদিকে, দ্বিতীয় ব্যাচের জন্য নির্বাচিত প্রার্থীদেরও জাপানে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৭ সালের জানুয়ারির মধ্যে দ্বিতীয় ব্যাচের নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা জাপানে যাওয়ার সুযোগ পাবেন। এর মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে আরও দক্ষ ডিপ্লোমা প্রকৌশলীকে জাপানের কর্মসংস্থান বাজারে যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
সভায় জাপানি প্রশিক্ষকদের বাংলাদেশে এসে শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার বিষয়টিও গুরুত্ব পায়। বাংলাদেশে জাপানি প্রশিক্ষকদের আসার প্রক্রিয়া আরও সহজ ও কার্যকর করতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। এতে দেশে থেকেই শিক্ষার্থীদের জাপানি ভাষা ও প্রয়োজনীয় কারিগরি দক্ষতা অর্জনের সুযোগ আরও সম্প্রসারিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
মতবিনিময় সভায় সংশ্লিষ্টরা বলেন, বাংলাদেশের কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত তরুণদের আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে যুক্ত করার মাধ্যমে একদিকে যেমন তাদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে, অন্যদিকে দেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন ও অর্থনৈতিক উন্নয়নেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। বিশেষ করে সিভিল, ইলেকট্রিক্যাল ও আর্কিটেকচারসহ বিভিন্ন কারিগরি ক্ষেত্রে দক্ষ ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের আন্তর্জাতিক চাহিদাকে কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের প্রথম ও দ্বিতীয় ব্যাচের এই উদ্যোগ সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে দেশের অন্যান্য পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীদের জন্যও জাপানে কর্মসংস্থানের পথ আরও বিস্তৃত হবে। এর ফলে বাংলাদেশের কারিগরি শিক্ষার্থীদের জন্য আন্তর্জাতিক কর্মবাজারে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে।

বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ আগস্ট ২০২৬
ঢাকা সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট ও Town Life Japan Ltd.-এর মধ্যে সম্পাদিত সমঝোতা স্মারকের (MoU) আলোকে ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটসহ দেশের অন্যান্য বিভাগীয় পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীদের জাপানে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সভায় দেশের কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত তরুণদের জাপানের শ্রমবাজারে যুক্ত করার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়। বিশেষ করে জাপানি ভাষা শিক্ষা, কারিগরি প্রশিক্ষণ, কর্মসংস্থানের জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি এবং জাপানে যাওয়ার প্রক্রিয়া নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন জানিয়েছেন, জাপানে কর্মসংস্থানের জন্য নির্বাচিত বাংলাদেশি ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের জাপানি ভাষা ও কারিগরি প্রশিক্ষণ থেকে শুরু করে জাপানে পৌঁছানো পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট সব খরচ জাপানি প্রতিষ্ঠানগুলো বহন করবে। ফলে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের জন্য এটি আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে প্রবেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের প্রথম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের জাপানি ভাষা প্রশিক্ষণ ইতোমধ্যে প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে এবং তাদের চাকরিও নিশ্চিত হয়েছে। তারা ২০২৬ সালের অক্টোবরের মধ্যে পর্যায়ক্রমে জাপানে গিয়ে নিজ নিজ কর্মস্থলে যোগ দেওয়া শুরু করবেন।
এদিকে, দ্বিতীয় ব্যাচের জন্য নির্বাচিত প্রার্থীদেরও জাপানে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৭ সালের জানুয়ারির মধ্যে দ্বিতীয় ব্যাচের নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা জাপানে যাওয়ার সুযোগ পাবেন। এর মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে আরও দক্ষ ডিপ্লোমা প্রকৌশলীকে জাপানের কর্মসংস্থান বাজারে যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
সভায় জাপানি প্রশিক্ষকদের বাংলাদেশে এসে শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার বিষয়টিও গুরুত্ব পায়। বাংলাদেশে জাপানি প্রশিক্ষকদের আসার প্রক্রিয়া আরও সহজ ও কার্যকর করতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। এতে দেশে থেকেই শিক্ষার্থীদের জাপানি ভাষা ও প্রয়োজনীয় কারিগরি দক্ষতা অর্জনের সুযোগ আরও সম্প্রসারিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
মতবিনিময় সভায় সংশ্লিষ্টরা বলেন, বাংলাদেশের কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত তরুণদের আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে যুক্ত করার মাধ্যমে একদিকে যেমন তাদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে, অন্যদিকে দেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন ও অর্থনৈতিক উন্নয়নেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। বিশেষ করে সিভিল, ইলেকট্রিক্যাল ও আর্কিটেকচারসহ বিভিন্ন কারিগরি ক্ষেত্রে দক্ষ ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের আন্তর্জাতিক চাহিদাকে কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের প্রথম ও দ্বিতীয় ব্যাচের এই উদ্যোগ সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে দেশের অন্যান্য পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীদের জন্যও জাপানে কর্মসংস্থানের পথ আরও বিস্তৃত হবে। এর ফলে বাংলাদেশের কারিগরি শিক্ষার্থীদের জন্য আন্তর্জাতিক কর্মবাজারে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে।

আপনার মতামত লিখুন