আধিপত্য বিস্তার ও পূর্বশত্রুতার জেরে নেত্রকোণার মদন উপজেলায় দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে নারীসহ উভয় পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন।
রবিবার (১৬ আগস্ট) উপজেলার তিয়শ্রী ইউনিয়নের কাওয়ালীবিন্নী গ্রামে প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে এই সংঘর্ষ চলে। এই ঘটনায় গুরুতর আহত বেশ কয়েকজনকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, কাওয়ালীবিন্নী গ্রামের জজ মিয়া ও জাহাঙ্গীর পক্ষের সঙ্গে একই গ্রামের নজরুল মিয়ার পক্ষের লোকজনের দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এ বিরোধের সূত্রপাত ঘটে মূলত গত রমজানের ঈদে। ওই সময় গরু ক্রয় ও এর মাংস ভাগ-বাটোয়ারাকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছিল, যা নিয়ে আদালতে মামলা-মোকদ্দমাও চলমান।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সম্প্রতি পূর্বশত্রুতার জেরে দুপক্ষের মধ্যে ফের চরম উত্তেজনা দেখা দেয়। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে কয়েকদিন ধরে পুলিশ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা বিষয়টি মীমাংসার জন্য কয়েক দফা বৈঠকও করেন। বৈঠকে উভয় পক্ষই নতুন করে কোনো সংঘর্ষে না জড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। সেই প্রতিশ্রুতি ভেঙে আজ দুপুরে তারা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে ফের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এই সংঘর্ষ প্রায় দেড় ঘণ্টা স্থায়ী হয়, ফলে পুরো এলাকায় চরম আতঙ্ক ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে মদন থানা পুলিশ ও স্থানীয় এলাকাবাসী ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি শান্ত করে।
এই সংঘর্ষে গুরুতর আহত আবু বক্কর, বিপুল মিয়া, রকি খান (রফি মিয়া), রহিছ উদ্দিন, কামাল তালুকদার, শামছুনা আক্তার, আতিকুর রহমান, নজরুল, রাজ্জাক মিয়া, সেকুল মিয়া এবং মিস্টার মিয়াসহ অন্তত ১০ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালাউদ্দিন করিম বলেন, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। তাদের মধ্যে আগে থেকেই বিরোধ ও মামলা-মোকদ্দমা চলমান ছিল। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এলাকার পরিস্থিতি বর্তমানে শান্ত রয়েছে। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষই থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সোমবার, ১৭ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ আগস্ট ২০২৬
আধিপত্য বিস্তার ও পূর্বশত্রুতার জেরে নেত্রকোণার মদন উপজেলায় দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে নারীসহ উভয় পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন।
রবিবার (১৬ আগস্ট) উপজেলার তিয়শ্রী ইউনিয়নের কাওয়ালীবিন্নী গ্রামে প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে এই সংঘর্ষ চলে। এই ঘটনায় গুরুতর আহত বেশ কয়েকজনকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, কাওয়ালীবিন্নী গ্রামের জজ মিয়া ও জাহাঙ্গীর পক্ষের সঙ্গে একই গ্রামের নজরুল মিয়ার পক্ষের লোকজনের দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এ বিরোধের সূত্রপাত ঘটে মূলত গত রমজানের ঈদে। ওই সময় গরু ক্রয় ও এর মাংস ভাগ-বাটোয়ারাকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছিল, যা নিয়ে আদালতে মামলা-মোকদ্দমাও চলমান।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সম্প্রতি পূর্বশত্রুতার জেরে দুপক্ষের মধ্যে ফের চরম উত্তেজনা দেখা দেয়। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে কয়েকদিন ধরে পুলিশ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা বিষয়টি মীমাংসার জন্য কয়েক দফা বৈঠকও করেন। বৈঠকে উভয় পক্ষই নতুন করে কোনো সংঘর্ষে না জড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। সেই প্রতিশ্রুতি ভেঙে আজ দুপুরে তারা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে ফের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এই সংঘর্ষ প্রায় দেড় ঘণ্টা স্থায়ী হয়, ফলে পুরো এলাকায় চরম আতঙ্ক ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে মদন থানা পুলিশ ও স্থানীয় এলাকাবাসী ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি শান্ত করে।
এই সংঘর্ষে গুরুতর আহত আবু বক্কর, বিপুল মিয়া, রকি খান (রফি মিয়া), রহিছ উদ্দিন, কামাল তালুকদার, শামছুনা আক্তার, আতিকুর রহমান, নজরুল, রাজ্জাক মিয়া, সেকুল মিয়া এবং মিস্টার মিয়াসহ অন্তত ১০ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালাউদ্দিন করিম বলেন, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। তাদের মধ্যে আগে থেকেই বিরোধ ও মামলা-মোকদ্দমা চলমান ছিল। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এলাকার পরিস্থিতি বর্তমানে শান্ত রয়েছে। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষই থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন