গাজীপুরের শ্রীপুরে আদালতে মামলা চলমান থাকা অবস্থায় বিরোধীয় জমিতে জোরপূর্বক টিনের ছাপড়া ঘর নির্মাণ করে দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) ভোর ৪টার দিকে শ্রীপুর পৌরসভার বৈরাগীরচালা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় একইদিন সকালে জমির মালিক দাবিদার বৈরাগীরচালা এলাকার আমজাদ হোসেনের ছেলে উসমান খাঁন শ্রীপুর থানায় আটজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১০-১৫ জনকে অভিযুক্ত করে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
অভিযোগে উসমান খাঁন বলেন, তিনি পৈতৃক সূত্রে ওই জমির মালিক হয়ে দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখল করে আসছেন। জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের সঙ্গে তার পরিবারের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। এ ঘটনায় গাজীপুরের আদালতে ১৩(২)/২৪ ও ৫২(৬)/২৫ নম্বরসহ একাধিক মামলা চলমান রয়েছে।
এছাড়া বিরোধীয় জমি নিয়ে গাজীপুর জেলা জজ আদালতে ২৪৫৭/২০২৫ নম্বরের একটি জালিয়াতি মামলাও চলমান রয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।উসমান খাঁন আরও জানান, প্রতিপক্ষের হুমকি ও হয়রানির ঘটনায় ২০২৫ সালের ২৯ আগস্ট এবং চলতি বছরের ৭ জুন শ্রীপুর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।
এরপরও মঙ্গলবার ভোরে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রসহ লোকজন নিয়ে তার পুরোনো বসতবাড়ির ভিটায় প্রবেশ করে টিনের ছাপড়া ঘর নির্মাণের মাধ্যমে জমি দখলের চেষ্টা করা হয়। অভিযোগে অভিযুক্তরা হলেন—কেওয়া এলাকার আবু কালাম (৫২), তার স্ত্রী শাহানাজ পারভীন (৫০), গারোপাড়া এলাকার জাহিদ হাসান নাঈম (৩৫), তহিদুজ্জামান বাছেদ (৪০), পলক সরকার জিম (২২), বৈরাগীরচালা এলাকার সাইদুল ইসলাম লিটন (৪৫), কারিশমা (২৫) ও শাহিনা আক্তার (৪০)। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ১০-১৫ জনকে সহযোগী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে আবু কালাম বলেন, “আমি মাত্র বগুড়া থেকে হাজিরা দিয়ে এসেছি। এ জায়গার মালিক আমি নই, আমার স্ত্রীও নন। দখলের ব্যাপারে আমি কিছুই জানি না।”
শ্রীপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সাদী মোহাম্মদ বলেন, ভুক্তভোগীর লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। পৈতৃক সূত্রে উসমান খাঁন জমিটির মালিক এবং তিনি দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখলে রয়েছেন বলে জানা গেছে। যেহেতু জমিটি নিয়ে আদালতে মামলা চলমান রয়েছে, তাই উভয় পক্ষকে বিরোধীয় জমিতে কোনো ধরনের কাজ না করা এবং সেখানে প্রবেশ না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ আগস্ট ২০২৬
গাজীপুরের শ্রীপুরে আদালতে মামলা চলমান থাকা অবস্থায় বিরোধীয় জমিতে জোরপূর্বক টিনের ছাপড়া ঘর নির্মাণ করে দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) ভোর ৪টার দিকে শ্রীপুর পৌরসভার বৈরাগীরচালা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় একইদিন সকালে জমির মালিক দাবিদার বৈরাগীরচালা এলাকার আমজাদ হোসেনের ছেলে উসমান খাঁন শ্রীপুর থানায় আটজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১০-১৫ জনকে অভিযুক্ত করে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
অভিযোগে উসমান খাঁন বলেন, তিনি পৈতৃক সূত্রে ওই জমির মালিক হয়ে দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখল করে আসছেন। জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের সঙ্গে তার পরিবারের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। এ ঘটনায় গাজীপুরের আদালতে ১৩(২)/২৪ ও ৫২(৬)/২৫ নম্বরসহ একাধিক মামলা চলমান রয়েছে।
এছাড়া বিরোধীয় জমি নিয়ে গাজীপুর জেলা জজ আদালতে ২৪৫৭/২০২৫ নম্বরের একটি জালিয়াতি মামলাও চলমান রয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।উসমান খাঁন আরও জানান, প্রতিপক্ষের হুমকি ও হয়রানির ঘটনায় ২০২৫ সালের ২৯ আগস্ট এবং চলতি বছরের ৭ জুন শ্রীপুর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।
এরপরও মঙ্গলবার ভোরে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রসহ লোকজন নিয়ে তার পুরোনো বসতবাড়ির ভিটায় প্রবেশ করে টিনের ছাপড়া ঘর নির্মাণের মাধ্যমে জমি দখলের চেষ্টা করা হয়। অভিযোগে অভিযুক্তরা হলেন—কেওয়া এলাকার আবু কালাম (৫২), তার স্ত্রী শাহানাজ পারভীন (৫০), গারোপাড়া এলাকার জাহিদ হাসান নাঈম (৩৫), তহিদুজ্জামান বাছেদ (৪০), পলক সরকার জিম (২২), বৈরাগীরচালা এলাকার সাইদুল ইসলাম লিটন (৪৫), কারিশমা (২৫) ও শাহিনা আক্তার (৪০)। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ১০-১৫ জনকে সহযোগী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে আবু কালাম বলেন, “আমি মাত্র বগুড়া থেকে হাজিরা দিয়ে এসেছি। এ জায়গার মালিক আমি নই, আমার স্ত্রীও নন। দখলের ব্যাপারে আমি কিছুই জানি না।”
শ্রীপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সাদী মোহাম্মদ বলেন, ভুক্তভোগীর লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। পৈতৃক সূত্রে উসমান খাঁন জমিটির মালিক এবং তিনি দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখলে রয়েছেন বলে জানা গেছে। যেহেতু জমিটি নিয়ে আদালতে মামলা চলমান রয়েছে, তাই উভয় পক্ষকে বিরোধীয় জমিতে কোনো ধরনের কাজ না করা এবং সেখানে প্রবেশ না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন