নরসিংদীর মনোহরদীতে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের লাঠির আঘাতে মিজান মিয়া (৪৫) নামে এক স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতার মৃত্যু হয়েছে।
শনিবার(১ আগষ্ট) দুপুরে উপজেলার বড়চাপা ইউনিয়নের বড়চাপা পূর্বপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত মিজান মিয়া বড়চাপা ইউনিয়নের বড়চাপা পূর্বপাড়ার সফুর উদ্দিনের ছেলে। তিনি ওই ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের সহসভাপতি ছিলেন।
নিহতের স্বজনরা জানায়, বড়চাপা ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ড বড়চাপা পূর্বপাড়ার মিজান ও চাচা শহীদুল্লাহর বাড়ির পাশের একটি রাস্তা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিলো। এনিয়ে একাধিকবার সালিশ দরবার হলেও শহীদুল্লাহ তা মেনে নেয়নি। শনিবার দুপুরে রাস্তায় থাকা একটি গাছ মিজান কাটতে গেলে উভয় পক্ষের মধ্যে তর্কাতর্কি শুরু হয়। এসময় শহীদুল্লাহ এর ছেলে জীবন লাঠি নিয়ে এসে মিজানকে মাথায় আঘাত করে। এতে মিজান মাটিতে লুটিয়ে পড়লে তাকে উদ্ধার করে মনোহরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।
মনোহরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. খন্দকার আনিসুর রহমান বলেন, দুপুরে মিজানকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে। পরীক্ষা নিরীক্ষা করে তাকে মৃত ঘোষণা করেছি। আর মৃত্যুর কারণ ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসার পর বলা যাবে।
মনোহরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর বাদশা বলেন, চাচা ভাতিজার জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এ হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। মরদেহ সুরতাল করে নরসিংদী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

শনিবার, ০১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ আগস্ট ২০২৬
নরসিংদীর মনোহরদীতে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের লাঠির আঘাতে মিজান মিয়া (৪৫) নামে এক স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতার মৃত্যু হয়েছে।
শনিবার(১ আগষ্ট) দুপুরে উপজেলার বড়চাপা ইউনিয়নের বড়চাপা পূর্বপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত মিজান মিয়া বড়চাপা ইউনিয়নের বড়চাপা পূর্বপাড়ার সফুর উদ্দিনের ছেলে। তিনি ওই ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের সহসভাপতি ছিলেন।
নিহতের স্বজনরা জানায়, বড়চাপা ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ড বড়চাপা পূর্বপাড়ার মিজান ও চাচা শহীদুল্লাহর বাড়ির পাশের একটি রাস্তা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিলো। এনিয়ে একাধিকবার সালিশ দরবার হলেও শহীদুল্লাহ তা মেনে নেয়নি। শনিবার দুপুরে রাস্তায় থাকা একটি গাছ মিজান কাটতে গেলে উভয় পক্ষের মধ্যে তর্কাতর্কি শুরু হয়। এসময় শহীদুল্লাহ এর ছেলে জীবন লাঠি নিয়ে এসে মিজানকে মাথায় আঘাত করে। এতে মিজান মাটিতে লুটিয়ে পড়লে তাকে উদ্ধার করে মনোহরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।
মনোহরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. খন্দকার আনিসুর রহমান বলেন, দুপুরে মিজানকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে। পরীক্ষা নিরীক্ষা করে তাকে মৃত ঘোষণা করেছি। আর মৃত্যুর কারণ ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসার পর বলা যাবে।
মনোহরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর বাদশা বলেন, চাচা ভাতিজার জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এ হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। মরদেহ সুরতাল করে নরসিংদী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন