ফেসবুকে পরিচয় থেকে প্রেম, এরপর দুই পরিবারের সম্মতিতে বিয়ে। চীনা নাগরিক ওয়্যাং সুলিন ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে বিয়ে করেছেন সুনামগঞ্জের কলেজছাত্রী নাজমিন আক্তার লিজাকে। তাদের বিবাহোত্তর সংবর্ধনায় কনের পরিবার, আত্মীয়স্বজন ও স্থানীয় লোকজন উপস্থিত ছিলেন। চীনা বরকে একনজর দেখতে দূর-দূরান্ত থেকে উৎসুক মানুষও ভিড় করেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত ২১ জুলাই ওয়্যাং সুলিন ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। পরে আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে একই দিন লিজাকে বিয়ে করেন।
ওয়্যাং সুলিন চীনের লুবেই প্রদেশের লুরাং শহরের বাসিন্দা। তিনি সেখানে ভাইয়ের সঙ্গে যৌথভাবে একটি রেস্তোরাঁ পরিচালনা করেন। অন্যদিকে, লিজা সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার ভাটগাঁও গ্রামের মো. নাজিম উদ্দীনের মেয়ে। বর্তমানে পরিবারসহ তিনি মোহনগঞ্জ পৌর শহরের দৌলতপুর এলাকায় বসবাস করছেন। তিনি মোহনগঞ্জ সরকারি কলেজের স্নাতক (সম্মান) দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী।
লিজার বড় ভাই সোহান জানান, প্রায় দুই মাস আগে ফেসবুকে ওয়্যাং সুলিন ও লিজার পরিচয় হয়। পরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। দুই পরিবারের সম্মতির পর গত ১৮ জুলাই ওয়্যাং সুলিন বাংলাদেশে আসেন।
লিজার বাবা মো. নাজিম উদ্দীন বলেন, “বিয়ের আগে ছেলের পরিবার এবং চীনা দূতাবাসের মাধ্যমে তার পরিচয় ও প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাই করেছি। সবকিছু নিশ্চিত হওয়ার পরই বিয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।”
স্থানীয় বাসিন্দা সাহাজুল বলেন, বিদেশিদের মাধ্যমে প্রতারণার বিভিন্ন ঘটনার কারণে শুরুতে কিছুটা শঙ্কা ছিল। তবে মেয়ের পরিবার প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাই-বাছাই করেই বিয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

শনিবার, ০১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ জুলাই ২০২৬
ফেসবুকে পরিচয় থেকে প্রেম, এরপর দুই পরিবারের সম্মতিতে বিয়ে। চীনা নাগরিক ওয়্যাং সুলিন ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে বিয়ে করেছেন সুনামগঞ্জের কলেজছাত্রী নাজমিন আক্তার লিজাকে। তাদের বিবাহোত্তর সংবর্ধনায় কনের পরিবার, আত্মীয়স্বজন ও স্থানীয় লোকজন উপস্থিত ছিলেন। চীনা বরকে একনজর দেখতে দূর-দূরান্ত থেকে উৎসুক মানুষও ভিড় করেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত ২১ জুলাই ওয়্যাং সুলিন ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। পরে আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে একই দিন লিজাকে বিয়ে করেন।
ওয়্যাং সুলিন চীনের লুবেই প্রদেশের লুরাং শহরের বাসিন্দা। তিনি সেখানে ভাইয়ের সঙ্গে যৌথভাবে একটি রেস্তোরাঁ পরিচালনা করেন। অন্যদিকে, লিজা সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার ভাটগাঁও গ্রামের মো. নাজিম উদ্দীনের মেয়ে। বর্তমানে পরিবারসহ তিনি মোহনগঞ্জ পৌর শহরের দৌলতপুর এলাকায় বসবাস করছেন। তিনি মোহনগঞ্জ সরকারি কলেজের স্নাতক (সম্মান) দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী।
লিজার বড় ভাই সোহান জানান, প্রায় দুই মাস আগে ফেসবুকে ওয়্যাং সুলিন ও লিজার পরিচয় হয়। পরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। দুই পরিবারের সম্মতির পর গত ১৮ জুলাই ওয়্যাং সুলিন বাংলাদেশে আসেন।
লিজার বাবা মো. নাজিম উদ্দীন বলেন, “বিয়ের আগে ছেলের পরিবার এবং চীনা দূতাবাসের মাধ্যমে তার পরিচয় ও প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাই করেছি। সবকিছু নিশ্চিত হওয়ার পরই বিয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।”
স্থানীয় বাসিন্দা সাহাজুল বলেন, বিদেশিদের মাধ্যমে প্রতারণার বিভিন্ন ঘটনার কারণে শুরুতে কিছুটা শঙ্কা ছিল। তবে মেয়ের পরিবার প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাই-বাছাই করেই বিয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন