নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলায় সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে তার গৃহশিক্ষিকার বাবার বিরুদ্ধে। বুধবার (২২ জুলাই) সকালে উপজেলার চরবাটা ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র।
অভিযুক্তের নাম কামাল উদ্দিন, পেশায় তিনি সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক। ঘটনার দিন সন্ধ্যায় স্থানীয় জনতা তাকে আটক করে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে।
স্থানীয় ও ভুক্তভোগীর পরিবার সূত্রে জানা যায়, বুধবার সকালে প্রতিদিনের মতো ওই ছাত্রী তার শিক্ষিকার বাসায় প্রাইভেট পড়তে যায়। তখন শিক্ষিকা বাসায় ছিলেন না। ছাত্রী দরজায় কড়া নাড়লে শিক্ষিকার বাবা কামাল উদ্দিন দরজা খুলে দেন এবং সুযোগ বুঝে তাকে জোরপূর্বক ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ।
অভিযোগ অনুযায়ী, ঘটনার পর কামাল উদ্দিন ছাত্রীকে বিষয়টি গোপন রাখতে ভয়ভীতি দেখান এবং ৫০০ টাকা দিয়ে তাড়িয়ে দেন। পরে ওই ছাত্রী কান্নাকাটি করতে করতে বাড়ি ফিরে পরিবারকে পুরো ঘটনা জানায়। খবর ছড়িয়ে পড়লে ক্ষুব্ধ স্বজন ও এলাকাবাসী অভিযুক্তের সন্ধানে নামেন এবং সন্ধ্যায় তাকে আটক করেন।
চরজব্বর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল হাসান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্তকে হেফাজতে নেয়। ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় কামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
ওসি আরও জানান, ভুক্তভোগী ছাত্রীর জবানবন্দি গ্রহণ ও চিকিৎসা পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আইন অনুযায়ী অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।

বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুলাই ২০২৬
নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলায় সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে তার গৃহশিক্ষিকার বাবার বিরুদ্ধে। বুধবার (২২ জুলাই) সকালে উপজেলার চরবাটা ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র।
অভিযুক্তের নাম কামাল উদ্দিন, পেশায় তিনি সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক। ঘটনার দিন সন্ধ্যায় স্থানীয় জনতা তাকে আটক করে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে।
স্থানীয় ও ভুক্তভোগীর পরিবার সূত্রে জানা যায়, বুধবার সকালে প্রতিদিনের মতো ওই ছাত্রী তার শিক্ষিকার বাসায় প্রাইভেট পড়তে যায়। তখন শিক্ষিকা বাসায় ছিলেন না। ছাত্রী দরজায় কড়া নাড়লে শিক্ষিকার বাবা কামাল উদ্দিন দরজা খুলে দেন এবং সুযোগ বুঝে তাকে জোরপূর্বক ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ।
অভিযোগ অনুযায়ী, ঘটনার পর কামাল উদ্দিন ছাত্রীকে বিষয়টি গোপন রাখতে ভয়ভীতি দেখান এবং ৫০০ টাকা দিয়ে তাড়িয়ে দেন। পরে ওই ছাত্রী কান্নাকাটি করতে করতে বাড়ি ফিরে পরিবারকে পুরো ঘটনা জানায়। খবর ছড়িয়ে পড়লে ক্ষুব্ধ স্বজন ও এলাকাবাসী অভিযুক্তের সন্ধানে নামেন এবং সন্ধ্যায় তাকে আটক করেন।
চরজব্বর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল হাসান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্তকে হেফাজতে নেয়। ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় কামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
ওসি আরও জানান, ভুক্তভোগী ছাত্রীর জবানবন্দি গ্রহণ ও চিকিৎসা পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আইন অনুযায়ী অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।

আপনার মতামত লিখুন