ফরিদপুর অঞ্চলের কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক মোহাম্মদ খয়ের উদ্দিন মোল্লা বলেছেন, বাংলাদেশে কৃষি উৎপাদন বাড়লেও নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন এখনো পর্যাপ্ত নয়। কৃষকরা অতিরিক্ত কীটনাশক ব্যবহার করায় স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হচ্ছে, যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বড় হুমকি। তাই তিনি বিষমুক্ত ও নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে কৃষকদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) বেলা ১১টায় মুকসুদপুর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে “পার্টনার” প্রকল্পের আওতায় আয়োজিত পার্টনার কংগ্রেসে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মুকসুদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদ আশিক কবির। স্বাগত বক্তব্য দেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মিজানুর রহমান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন গোপালগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. মো. মামুনুর রহমান। তিনি বলেন, স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরও কৃষকরা তাদের ফসলের ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত হলে কৃষিতে আগ্রহ আরও বাড়বে।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষার্থী, কৃষক-কৃষাণী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ মে ২০২৬
ফরিদপুর অঞ্চলের কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক মোহাম্মদ খয়ের উদ্দিন মোল্লা বলেছেন, বাংলাদেশে কৃষি উৎপাদন বাড়লেও নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন এখনো পর্যাপ্ত নয়। কৃষকরা অতিরিক্ত কীটনাশক ব্যবহার করায় স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হচ্ছে, যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বড় হুমকি। তাই তিনি বিষমুক্ত ও নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে কৃষকদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) বেলা ১১টায় মুকসুদপুর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে “পার্টনার” প্রকল্পের আওতায় আয়োজিত পার্টনার কংগ্রেসে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মুকসুদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদ আশিক কবির। স্বাগত বক্তব্য দেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মিজানুর রহমান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন গোপালগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. মো. মামুনুর রহমান। তিনি বলেন, স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরও কৃষকরা তাদের ফসলের ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত হলে কৃষিতে আগ্রহ আরও বাড়বে।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষার্থী, কৃষক-কৃষাণী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

আপনার মতামত লিখুন