জামালপুরের মাদারগঞ্জে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) স্বাক্ষর জাল করে ভুয়া ফুয়েল কার্ডের মাধ্যমে তেল নেওয়ার চেষ্টা করায় দুই মোটরসাইকেল চালককে অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। বুধবার (২৯ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার তুহিন মৌসুমি ফিলিং স্টেশনে এ জালিয়াতির ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ফয়সাল (২৫) ও ওয়াসিম উদ্দিন (৩০) নামে দুই যুবক ইউএনও’র স্বাক্ষর সংবলিত ভুয়া ফুয়েল কার্ড নিয়ে পাম্পে তেল নিতে আসেন। কার্ডের স্বাক্ষর দেখে পাম্প কর্তৃপক্ষের সন্দেহ হলে তারা বিষয়টি প্রশাসনকে অবহিত করেন। পরবর্তীতে স্বাক্ষর জালিয়াতির বিষয়টি হাতেনাতে ধরা পড়লে সেখানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।
মাদারগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুমন চৌধুরী নিজেই এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ এর ৯২ ও ৬৬ ধারায় অপরাধ স্বীকার করায়, ওয়াসিম উদ্দিনকে ৯ হাজার ৫০০ টাকা এবং ফয়সালকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
দণ্ডপ্রাপ্ত ফয়সালের বাড়ি নিশ্চিন্তপুর এলাকায় এবং ওয়াসিম উদ্দিনের বাড়ি বাকুরচর এলাকায় বলে জানা গেছে। অভিযানকালে মাদারগঞ্জ মডেল থানার নবাগত ওসি স্নেহাশিস রায়, ট্যাগ অফিসার রহুল আমিন, উপজেলা আইসিটি অফিসার, পুলিশ সদস্য এবং স্থানীয় সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
ঘটনা প্রসঙ্গে ইউএনও সুমন চৌধুরী গণমাধ্যমকে বলেন, প্রশাসনের কর্মকর্তাদের স্বাক্ষর জাল করা একটি গুরুতর অপরাধ। অনিয়ম কিংবা অসদুপায় অবলম্বন করে পার পাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। জনস্বার্থে এ ধরনের কঠোর অবস্থান ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া অব্যাহত থাকবে।
পাম্প কর্তৃপক্ষকে এ ধরনের ভুয়া কার্ড বা সন্দেহভাজন লেনদেনের ক্ষেত্রে আরও সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ এপ্রিল ২০২৬
জামালপুরের মাদারগঞ্জে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) স্বাক্ষর জাল করে ভুয়া ফুয়েল কার্ডের মাধ্যমে তেল নেওয়ার চেষ্টা করায় দুই মোটরসাইকেল চালককে অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। বুধবার (২৯ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার তুহিন মৌসুমি ফিলিং স্টেশনে এ জালিয়াতির ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ফয়সাল (২৫) ও ওয়াসিম উদ্দিন (৩০) নামে দুই যুবক ইউএনও’র স্বাক্ষর সংবলিত ভুয়া ফুয়েল কার্ড নিয়ে পাম্পে তেল নিতে আসেন। কার্ডের স্বাক্ষর দেখে পাম্প কর্তৃপক্ষের সন্দেহ হলে তারা বিষয়টি প্রশাসনকে অবহিত করেন। পরবর্তীতে স্বাক্ষর জালিয়াতির বিষয়টি হাতেনাতে ধরা পড়লে সেখানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।
মাদারগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুমন চৌধুরী নিজেই এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ এর ৯২ ও ৬৬ ধারায় অপরাধ স্বীকার করায়, ওয়াসিম উদ্দিনকে ৯ হাজার ৫০০ টাকা এবং ফয়সালকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
দণ্ডপ্রাপ্ত ফয়সালের বাড়ি নিশ্চিন্তপুর এলাকায় এবং ওয়াসিম উদ্দিনের বাড়ি বাকুরচর এলাকায় বলে জানা গেছে। অভিযানকালে মাদারগঞ্জ মডেল থানার নবাগত ওসি স্নেহাশিস রায়, ট্যাগ অফিসার রহুল আমিন, উপজেলা আইসিটি অফিসার, পুলিশ সদস্য এবং স্থানীয় সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
ঘটনা প্রসঙ্গে ইউএনও সুমন চৌধুরী গণমাধ্যমকে বলেন, প্রশাসনের কর্মকর্তাদের স্বাক্ষর জাল করা একটি গুরুতর অপরাধ। অনিয়ম কিংবা অসদুপায় অবলম্বন করে পার পাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। জনস্বার্থে এ ধরনের কঠোর অবস্থান ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া অব্যাহত থাকবে।
পাম্প কর্তৃপক্ষকে এ ধরনের ভুয়া কার্ড বা সন্দেহভাজন লেনদেনের ক্ষেত্রে আরও সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।

আপনার মতামত লিখুন