যশোরে অনুমোদনহীন ও মানহীন পণ্য উৎপাদন করার দায়ে সিদ্দিক আলী নামে এক ব্যবসায়ীকে ৬ মাসের কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। বুধবার (২৯ এপ্রিল) দুপুরে র্যাব-৬ যশোর ক্যাম্পের সহায়তায় শহরতলীর শেখহাটি এলাকার ‘মেসার্স বিসমিল্লাহ মধু ট্রেডিং’-এ এই অভিযান পরিচালিত হয়।
র্যাব-৬ যশোর ক্যাম্পের অধিনায়ক মেজর এ.টি.এম ফজলে রাব্বী প্রিন্স জানান, সিদ্দিক আলী দীর্ঘদিন ধরে শেখহাটি হাইকোর্ট মোড় এলাকায় ওই কারখানাটি পরিচালনা করে আসছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারেন, সেখানে বিভিন্ন ভেজাল পণ্য উৎপাদন করা হচ্ছে যেগুলোর বিএসটিআই এর কোনো অনুমোদন নেই।
তথ্যের সত্যতা যাচাইয়ে আজ দুপুরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট গুঞ্জন বিশ্বাসকে সাথে নিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। তল্লাশিকালে দেখা যায়, ওই প্রতিষ্ঠানে উৎপাদিত পণ্যের মধ্যে মাত্র ৪টির অনুমোদন থাকলেও বাকি পণ্যগুলো সম্পূর্ণ অবৈধভাবে তৈরি করা হচ্ছিল। এছাড়া তাদের কাছে প্রয়োজনীয় ট্রেডিং লাইসেন্স ছিল না এবং প্যাকেটজাত পণ্যের ওজন ও পরিমাপেও কারচুপির প্রমাণ পাওয়া যায়।
এসব গুরুতর অনিয়মের দায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত কারখানার মালিক সিদ্দিক আলীকে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা জরিমানা প্রদান করেন।
র্যাব অধিনায়ক আরও জানান, সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য ঝুঁকি কমানো এবং ভোক্তার অধিকার রক্ষায় এ ধরনের অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে তাদের অভিযান আগামীতেও অব্যাহত থাকবে। আদালত শেষে দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যবসায়ীকে জেলহাজতে প্রেরণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ এপ্রিল ২০২৬
যশোরে অনুমোদনহীন ও মানহীন পণ্য উৎপাদন করার দায়ে সিদ্দিক আলী নামে এক ব্যবসায়ীকে ৬ মাসের কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। বুধবার (২৯ এপ্রিল) দুপুরে র্যাব-৬ যশোর ক্যাম্পের সহায়তায় শহরতলীর শেখহাটি এলাকার ‘মেসার্স বিসমিল্লাহ মধু ট্রেডিং’-এ এই অভিযান পরিচালিত হয়।
র্যাব-৬ যশোর ক্যাম্পের অধিনায়ক মেজর এ.টি.এম ফজলে রাব্বী প্রিন্স জানান, সিদ্দিক আলী দীর্ঘদিন ধরে শেখহাটি হাইকোর্ট মোড় এলাকায় ওই কারখানাটি পরিচালনা করে আসছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারেন, সেখানে বিভিন্ন ভেজাল পণ্য উৎপাদন করা হচ্ছে যেগুলোর বিএসটিআই এর কোনো অনুমোদন নেই।
তথ্যের সত্যতা যাচাইয়ে আজ দুপুরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট গুঞ্জন বিশ্বাসকে সাথে নিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। তল্লাশিকালে দেখা যায়, ওই প্রতিষ্ঠানে উৎপাদিত পণ্যের মধ্যে মাত্র ৪টির অনুমোদন থাকলেও বাকি পণ্যগুলো সম্পূর্ণ অবৈধভাবে তৈরি করা হচ্ছিল। এছাড়া তাদের কাছে প্রয়োজনীয় ট্রেডিং লাইসেন্স ছিল না এবং প্যাকেটজাত পণ্যের ওজন ও পরিমাপেও কারচুপির প্রমাণ পাওয়া যায়।
এসব গুরুতর অনিয়মের দায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত কারখানার মালিক সিদ্দিক আলীকে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা জরিমানা প্রদান করেন।
র্যাব অধিনায়ক আরও জানান, সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য ঝুঁকি কমানো এবং ভোক্তার অধিকার রক্ষায় এ ধরনের অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে তাদের অভিযান আগামীতেও অব্যাহত থাকবে। আদালত শেষে দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যবসায়ীকে জেলহাজতে প্রেরণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন