শনিবার (২৫ এপ্রিল) আনুমানিক রাত সাড়ে ৭টার দিকে ঢাকার ডায়াবেটিস হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।
তিনি স্ত্রী, তিন পুত্রসন্তান সহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। বার্ধক্যজনিত নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন তিনি। রবিবার (২৬ এপ্রিল) সকাল ১০টায় মুকসুদপুর কেন্দ্রীয় সদর ঈদগাহ ময়দানে তাঁর জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। পরে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদ আশিক কবিরের নেতৃত্বে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়।
মুক্তিযোদ্ধাদের পক্ষ থেকে গোপালগঞ্জ জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোঃ ফিরোজ খানের নেতৃত্বে মরহুমের প্রতি ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। জানাজা নামাজের আগে স্মৃতিচারণ মূলক বক্তব্য রাখেন সরকারি মুকসুদপুর কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ লুৎফর রহমান, গোপালগঞ্জ জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোঃ ফিরোজ খান, সরকারি মুকসুদপুর কলেজের সাবেক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ তৌহিদুল হক বকুল, মুকসুদপুর কামিল মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপাল মাওলানা মাইনুদ্দিন মোল্লা, উপজেলা পরিষদ মসজিদের সাবেক ইমাম মাওলানা আব্দুল আজিজ, মুকসুদপুর থানা মসজিদের ইমাম আক্কাস আলী মৃধা, মুকসুদপুর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান মিন্টু, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক কামরুজ্জামান স্বপন এবং মরহুমের বড় সন্তান মাহমুদ হাসান সোহাগ।
মরহুমের সহধর্মিনী ফরিদা ইয়াসমিন সরকারী সাবের মিয়া জসিমুদ্দীন (এস,জে) মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক সহকারী শিক্ষিকা। বড় সন্তান মাহমুদ হাসান সোহাগ একজন ব্যাংকার, মেজো সন্তান মাহবুব হাসান সাগর সরকারি মুকসুদপুর কলেজের প্রভাষক এবং ছোট সন্তান মঈনুল হাসান রওশনী সোহান দুদকের উপ-পরিচালক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। জানাজা নামাজ শেষে টেংরাখোলা মিয়া বাড়ির পারিবারিক কবরস্থানে মরহুমের দাফন সম্পন্ন করা হয়।

রোববার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬
শনিবার (২৫ এপ্রিল) আনুমানিক রাত সাড়ে ৭টার দিকে ঢাকার ডায়াবেটিস হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।
তিনি স্ত্রী, তিন পুত্রসন্তান সহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। বার্ধক্যজনিত নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন তিনি। রবিবার (২৬ এপ্রিল) সকাল ১০টায় মুকসুদপুর কেন্দ্রীয় সদর ঈদগাহ ময়দানে তাঁর জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। পরে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদ আশিক কবিরের নেতৃত্বে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়।
মুক্তিযোদ্ধাদের পক্ষ থেকে গোপালগঞ্জ জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোঃ ফিরোজ খানের নেতৃত্বে মরহুমের প্রতি ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। জানাজা নামাজের আগে স্মৃতিচারণ মূলক বক্তব্য রাখেন সরকারি মুকসুদপুর কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ লুৎফর রহমান, গোপালগঞ্জ জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোঃ ফিরোজ খান, সরকারি মুকসুদপুর কলেজের সাবেক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ তৌহিদুল হক বকুল, মুকসুদপুর কামিল মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপাল মাওলানা মাইনুদ্দিন মোল্লা, উপজেলা পরিষদ মসজিদের সাবেক ইমাম মাওলানা আব্দুল আজিজ, মুকসুদপুর থানা মসজিদের ইমাম আক্কাস আলী মৃধা, মুকসুদপুর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান মিন্টু, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক কামরুজ্জামান স্বপন এবং মরহুমের বড় সন্তান মাহমুদ হাসান সোহাগ।
মরহুমের সহধর্মিনী ফরিদা ইয়াসমিন সরকারী সাবের মিয়া জসিমুদ্দীন (এস,জে) মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক সহকারী শিক্ষিকা। বড় সন্তান মাহমুদ হাসান সোহাগ একজন ব্যাংকার, মেজো সন্তান মাহবুব হাসান সাগর সরকারি মুকসুদপুর কলেজের প্রভাষক এবং ছোট সন্তান মঈনুল হাসান রওশনী সোহান দুদকের উপ-পরিচালক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। জানাজা নামাজ শেষে টেংরাখোলা মিয়া বাড়ির পারিবারিক কবরস্থানে মরহুমের দাফন সম্পন্ন করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন