সারাদেশের ন্যায় যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অত্যন্ত সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর পরিবেশে শুরু হয়েছে ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। তবে এ বছর পরীক্ষার কেন্দ্রগুলোতে আনন্দঘন পরিবেশের পাশাপাশি নতুন প্রবর্তিত ‘পাবলিক পরীক্ষা (সংশোধিত) আইন, ২০২৬’-এর কঠোর প্রয়োগ নিয়ে বিশেষ আলোচনা লক্ষ্য করা গেছে।
যশোর শিক্ষা বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর খুলনা বিভাগের ১০ জেলায় মোট ২৯৯টি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এতে ২ হাজার ৫৭২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মোট ১ লাখ ৩৫ হাজার ৮৯ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে।
পরীক্ষার্থীদের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে:
নিয়মিত পরীক্ষার্থী ১ লাখ ৯ হাজার ২৬৬ জন।
অনিয়মিত পরীক্ষার্থী ২৫ হাজার ৬৭৮ জন।
মান উন্নয়ন ১৪৫ জন।
এ বছর যশোর বোর্ডে ছাত্রদের তুলনায় ছাত্রীর সংখ্যা বেশি। মোট পরীক্ষার্থীর মধ্যে ছাত্র ৬৬ হাজার ৯২৮ জন এবং ছাত্রী ৬৮ হাজার ১৬১ জন। ছাত্রদের তুলনায় ছাত্রীর সংখ্যা ১ হাজার ১৮৩ জন বেশি। বিভাগওয়ারী হিসেবে বিজ্ঞানে ৩৯ হাজার ৪২৬ জন, মানবিকে ৮২ হাজার ৪১১ জন এবং ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ১৩ হাজার ২৫২ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় বসেছে।
নতুন প্রবর্তিত পাবলিক পরীক্ষা (সংশোধিত) আইন, ২০২৬ কঠোরভাবে অনুসরণের কারণে পরীক্ষার্থীদের মধ্যে কিছুটা ভীতি ও জড়তা লক্ষ্য করা গেছে। তবে অভিভাবকদের কণ্ঠে শোনা গেছে ভিন্ন সুর। অনেক অভিভাবক জানান, আইনের কড়াকড়ির ফলে পরীক্ষার মান বাড়বে এবং প্রকৃত মেধাবীরা সঠিক প্রতিযোগিতার মাধ্যমে উঠে আসার সুযোগ পাবে।
যশোর শিক্ষা বোর্ড কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধ এবং নকলমুক্ত ও স্বচ্ছ পরীক্ষা নিশ্চিতে তারা বদ্ধপরিকর। বোর্ডের বিশেষ ভিজিল্যান্স টিম কেন্দ্রগুলোতে নিয়মিত তদারকি করছে। কোনো ধরনের অনিয়ম ধরা পড়লে সংশোধিত আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
প্রথম দিনের পরীক্ষায় এখন পর্যন্ত কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। অভিভাবক ও বোর্ড সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, পুরো পরীক্ষা প্রক্রিয়াটি একইভাবে সফলভাবে সম্পন্ন হবে।

বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ এপ্রিল ২০২৬
সারাদেশের ন্যায় যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অত্যন্ত সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর পরিবেশে শুরু হয়েছে ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। তবে এ বছর পরীক্ষার কেন্দ্রগুলোতে আনন্দঘন পরিবেশের পাশাপাশি নতুন প্রবর্তিত ‘পাবলিক পরীক্ষা (সংশোধিত) আইন, ২০২৬’-এর কঠোর প্রয়োগ নিয়ে বিশেষ আলোচনা লক্ষ্য করা গেছে।
যশোর শিক্ষা বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর খুলনা বিভাগের ১০ জেলায় মোট ২৯৯টি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এতে ২ হাজার ৫৭২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মোট ১ লাখ ৩৫ হাজার ৮৯ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে।
পরীক্ষার্থীদের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে:
নিয়মিত পরীক্ষার্থী ১ লাখ ৯ হাজার ২৬৬ জন।
অনিয়মিত পরীক্ষার্থী ২৫ হাজার ৬৭৮ জন।
মান উন্নয়ন ১৪৫ জন।
এ বছর যশোর বোর্ডে ছাত্রদের তুলনায় ছাত্রীর সংখ্যা বেশি। মোট পরীক্ষার্থীর মধ্যে ছাত্র ৬৬ হাজার ৯২৮ জন এবং ছাত্রী ৬৮ হাজার ১৬১ জন। ছাত্রদের তুলনায় ছাত্রীর সংখ্যা ১ হাজার ১৮৩ জন বেশি। বিভাগওয়ারী হিসেবে বিজ্ঞানে ৩৯ হাজার ৪২৬ জন, মানবিকে ৮২ হাজার ৪১১ জন এবং ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ১৩ হাজার ২৫২ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় বসেছে।
নতুন প্রবর্তিত পাবলিক পরীক্ষা (সংশোধিত) আইন, ২০২৬ কঠোরভাবে অনুসরণের কারণে পরীক্ষার্থীদের মধ্যে কিছুটা ভীতি ও জড়তা লক্ষ্য করা গেছে। তবে অভিভাবকদের কণ্ঠে শোনা গেছে ভিন্ন সুর। অনেক অভিভাবক জানান, আইনের কড়াকড়ির ফলে পরীক্ষার মান বাড়বে এবং প্রকৃত মেধাবীরা সঠিক প্রতিযোগিতার মাধ্যমে উঠে আসার সুযোগ পাবে।
যশোর শিক্ষা বোর্ড কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধ এবং নকলমুক্ত ও স্বচ্ছ পরীক্ষা নিশ্চিতে তারা বদ্ধপরিকর। বোর্ডের বিশেষ ভিজিল্যান্স টিম কেন্দ্রগুলোতে নিয়মিত তদারকি করছে। কোনো ধরনের অনিয়ম ধরা পড়লে সংশোধিত আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
প্রথম দিনের পরীক্ষায় এখন পর্যন্ত কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। অভিভাবক ও বোর্ড সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, পুরো পরীক্ষা প্রক্রিয়াটি একইভাবে সফলভাবে সম্পন্ন হবে।

আপনার মতামত লিখুন