সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলায় পৃথক দুটি গ্রামে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে দুই ব্যক্তি নিহত হয়েছেন এবং উভয় পক্ষের অন্তত ৪০ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
নিহতরা হলেন রফিনগর ইউনিয়নের রফিনগর (কান্দাহাটি) গ্রামের তাহের উদ্দিনের ছেলে গিয়াস উদ্দিন (৫৫) এবং একই ইউনিয়নের ছাদিরপুর গ্রামের আব্দুল হামিদের ছেলে আহাদ নুর (২৫)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার সন্ধ্যায় উপজেলার রফিনগর ইউনিয়নে পৃথক দুটি স্থানে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
গত সোমবার রফিনগর গ্রামের আব্দুল হামিদের ছেলে সুফাই মিয়ার কয়েকটি হাঁস গিয়াস উদ্দিনের পক্ষের কয়েকজন যুবক খেয়ে ফেলে। এ নিয়ে হাঁসের মালিকের পরিবারের মহিলারা বিচার চাইতে গেলে যুবকরা তাদের সাথে অসদাচরণ করে তাড়িয়ে দেয়। পরবর্তীতে মুরুব্বিরা বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। এরই জেরে বুধবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে দুই পক্ষ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এতে গিয়াস উদ্দিনসহ অন্তত ২০ জন আহত হন।
একই সময়ে ইউনিয়নের ছাদিরপুর গ্রামে মোশাহিদ মিয়ার ধান শুকানোর মাঠে (খলা) জাহাঙ্গীর হোসেন নামে এক ব্যক্তি ইঞ্জিনচালিত ট্রলি চালিয়ে মাটি খুঁড়ে ফেলেন। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি ও হাতাহাতি হয়। মুহূর্তের মধ্যেই দুই পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এই ঘটনায় আহাদ নুরসহ আরও ২০ জন আহত হন।
উপজেলা সদর থেকে প্রায় ২০-২৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত গ্রাম দুটি থেকে আহতদের রাত ৯টার দিকে দিরাই উপজেলা হাসপাতালে আনা হয়। হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক মনি রানী তালুকদার জানান: "হাসপাতালে আনার আগেই গিয়াস উদ্দিন ও আহাদ নুর মারা যান। নিহত দুজনেরই বুকে দেশীয় অস্ত্রের গুরুতর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।"
দিরাই থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এনামুল হক চৌধুরী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছে। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি থমথমে থাকলেও পুলিশি তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ এপ্রিল ২০২৬
সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলায় পৃথক দুটি গ্রামে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে দুই ব্যক্তি নিহত হয়েছেন এবং উভয় পক্ষের অন্তত ৪০ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
নিহতরা হলেন রফিনগর ইউনিয়নের রফিনগর (কান্দাহাটি) গ্রামের তাহের উদ্দিনের ছেলে গিয়াস উদ্দিন (৫৫) এবং একই ইউনিয়নের ছাদিরপুর গ্রামের আব্দুল হামিদের ছেলে আহাদ নুর (২৫)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার সন্ধ্যায় উপজেলার রফিনগর ইউনিয়নে পৃথক দুটি স্থানে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
গত সোমবার রফিনগর গ্রামের আব্দুল হামিদের ছেলে সুফাই মিয়ার কয়েকটি হাঁস গিয়াস উদ্দিনের পক্ষের কয়েকজন যুবক খেয়ে ফেলে। এ নিয়ে হাঁসের মালিকের পরিবারের মহিলারা বিচার চাইতে গেলে যুবকরা তাদের সাথে অসদাচরণ করে তাড়িয়ে দেয়। পরবর্তীতে মুরুব্বিরা বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। এরই জেরে বুধবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে দুই পক্ষ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এতে গিয়াস উদ্দিনসহ অন্তত ২০ জন আহত হন।
একই সময়ে ইউনিয়নের ছাদিরপুর গ্রামে মোশাহিদ মিয়ার ধান শুকানোর মাঠে (খলা) জাহাঙ্গীর হোসেন নামে এক ব্যক্তি ইঞ্জিনচালিত ট্রলি চালিয়ে মাটি খুঁড়ে ফেলেন। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি ও হাতাহাতি হয়। মুহূর্তের মধ্যেই দুই পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এই ঘটনায় আহাদ নুরসহ আরও ২০ জন আহত হন।
উপজেলা সদর থেকে প্রায় ২০-২৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত গ্রাম দুটি থেকে আহতদের রাত ৯টার দিকে দিরাই উপজেলা হাসপাতালে আনা হয়। হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক মনি রানী তালুকদার জানান: "হাসপাতালে আনার আগেই গিয়াস উদ্দিন ও আহাদ নুর মারা যান। নিহত দুজনেরই বুকে দেশীয় অস্ত্রের গুরুতর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।"
দিরাই থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এনামুল হক চৌধুরী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছে। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি থমথমে থাকলেও পুলিশি তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন