বাইরে কাঠফাটা রোদ আর ভ্যাপসা গরম। এই সময়ে শরীর দ্রুত পানিশূন্য হয়ে পড়ে এবং ক্লান্তি গ্রাস করে। বাইরের কৃত্রিম পানীয় বা কোল্ড ড্রিংকস না খেয়ে ঘরে তৈরি প্রাকৃতিক উপাদানে তৈরি শরবত আপনাকে দিতে পারে দীর্ঘস্থায়ী সতেজতা। আজ আমরা জানাবো কীভাবে খুব সহজে ঘরেই তৈরি করবেন স্বাস্থ্যসম্মত কাঁচা আমের স্পেশাল শরবত।
কাঁচা আমে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-সি ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকে যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এছাড়া বিট লবণ ও পুদিনা পাতার সংমিশ্রণ শরীরের ইলেকট্রোলাইট ভারসাম্য ঠিক রাখে এবং হিটস্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়।
প্রয়োজনীয় উপকরণ:
১। কাঁচা আম: ২ টি (মাঝারি সাইজ)
২। চিনি: স্বাদমতো (মধুও ব্যবহার করা যায়)
৩। পুদিনা পাতা: এক মুঠো (সতেজ ঘ্রাণের জন্য)
৪। বিট লবণ: ১ চা চামচ
৫। কাঁচা মরিচ: ১ টি (ঝাল স্বাদ চাইলে)
৬। ভাজা জিরার গুঁড়া: সামান্য
৭। বরফ কুচি ও ঠান্ডা পানি: পরিমাণমতো
প্রস্তুত প্রণালী:
১. প্রথমে আম দুটি ভালো করে ধুয়ে খোসা ছাড়িয়ে ছোট ছোট টুকরো করে নিন। (আপনি চাইলে আম পুড়িয়েও নিতে পারেন, এতে চমৎকার একটা স্মোকি ফ্লেভার আসবে)।
২. ব্লেন্ডারে আমের টুকরো, পুদিনা পাতা, কাঁচা মরিচ, চিনি, বিট লবণ এবং সামান্য ঠান্ডা পানি দিয়ে খুব ভালোভাবে ব্লেন্ড করে নিন।
৩. মিশ্রণটি ঘন হয়ে গেলে একটি ছাঁকনি দিয়ে ছেঁকে নিন যাতে আঁশ বা দানা না থাকে।
৪. এবার গ্লাসে পরিমাণমতো ঠান্ডা পানি ও বরফ কুচি দিন। ওপর থেকে সামান্য ভাজা জিরার গুঁড়া ছিটিয়ে দিন। ব্যাস, তৈরি হয়ে গেল প্রাণজুড়ানো কাঁচা আমের শরবত!
টিপস:
ডায়াবেটিস রোগীরা চিনির বদলে সামান্য লবণ দিয়ে এটি পান করতে পারেন।
পুদিনা পাতা না থাকলে ধনেপাতাও ব্যবহার করা যায়, তবে পুদিনা পাতায় সতেজতা বেশি পাওয়া যায়।
এই গরমে দুপুরের খাবারের পর বা বাইরে থেকে ফেরার পর এক গ্লাস ঠান্ডা আমের শরবত আপনার শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিক রাখতে এবং তাৎক্ষণিক শক্তি জোগাতে সাহায্য করবে।

বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ এপ্রিল ২০২৬
বাইরে কাঠফাটা রোদ আর ভ্যাপসা গরম। এই সময়ে শরীর দ্রুত পানিশূন্য হয়ে পড়ে এবং ক্লান্তি গ্রাস করে। বাইরের কৃত্রিম পানীয় বা কোল্ড ড্রিংকস না খেয়ে ঘরে তৈরি প্রাকৃতিক উপাদানে তৈরি শরবত আপনাকে দিতে পারে দীর্ঘস্থায়ী সতেজতা। আজ আমরা জানাবো কীভাবে খুব সহজে ঘরেই তৈরি করবেন স্বাস্থ্যসম্মত কাঁচা আমের স্পেশাল শরবত।
কাঁচা আমে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-সি ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকে যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এছাড়া বিট লবণ ও পুদিনা পাতার সংমিশ্রণ শরীরের ইলেকট্রোলাইট ভারসাম্য ঠিক রাখে এবং হিটস্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়।
প্রয়োজনীয় উপকরণ:
১। কাঁচা আম: ২ টি (মাঝারি সাইজ)
২। চিনি: স্বাদমতো (মধুও ব্যবহার করা যায়)
৩। পুদিনা পাতা: এক মুঠো (সতেজ ঘ্রাণের জন্য)
৪। বিট লবণ: ১ চা চামচ
৫। কাঁচা মরিচ: ১ টি (ঝাল স্বাদ চাইলে)
৬। ভাজা জিরার গুঁড়া: সামান্য
৭। বরফ কুচি ও ঠান্ডা পানি: পরিমাণমতো
প্রস্তুত প্রণালী:
১. প্রথমে আম দুটি ভালো করে ধুয়ে খোসা ছাড়িয়ে ছোট ছোট টুকরো করে নিন। (আপনি চাইলে আম পুড়িয়েও নিতে পারেন, এতে চমৎকার একটা স্মোকি ফ্লেভার আসবে)।
২. ব্লেন্ডারে আমের টুকরো, পুদিনা পাতা, কাঁচা মরিচ, চিনি, বিট লবণ এবং সামান্য ঠান্ডা পানি দিয়ে খুব ভালোভাবে ব্লেন্ড করে নিন।
৩. মিশ্রণটি ঘন হয়ে গেলে একটি ছাঁকনি দিয়ে ছেঁকে নিন যাতে আঁশ বা দানা না থাকে।
৪. এবার গ্লাসে পরিমাণমতো ঠান্ডা পানি ও বরফ কুচি দিন। ওপর থেকে সামান্য ভাজা জিরার গুঁড়া ছিটিয়ে দিন। ব্যাস, তৈরি হয়ে গেল প্রাণজুড়ানো কাঁচা আমের শরবত!
টিপস:
ডায়াবেটিস রোগীরা চিনির বদলে সামান্য লবণ দিয়ে এটি পান করতে পারেন।
পুদিনা পাতা না থাকলে ধনেপাতাও ব্যবহার করা যায়, তবে পুদিনা পাতায় সতেজতা বেশি পাওয়া যায়।
এই গরমে দুপুরের খাবারের পর বা বাইরে থেকে ফেরার পর এক গ্লাস ঠান্ডা আমের শরবত আপনার শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিক রাখতে এবং তাৎক্ষণিক শক্তি জোগাতে সাহায্য করবে।

আপনার মতামত লিখুন