“জাটকা ধরা থামাই যদি, ইলিশে ভরবে সাগর-নদী,” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আজ (৭ এপ্রিল ২০২৬) ঝালকাঠিতে “জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ-২০২৬”-এর উদ্বোধন-পরবর্তী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
জেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোঃ কাওছার হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম এবং অ্যাডভোকেট মোঃ শাহাদাত হোসেন।
সভায় সভাপতিত্ব করেন মোঃ এনামুল হক। এছাড়া জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ, দপ্তর প্রধান, প্রতিনিধি এবং স্থানীয় মৎস্যজীবীরা উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভায় বক্তারা জাটকা সংরক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, দেশের জাতীয় মাছ ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি ও টেকসই মৎস্যসম্পদ রক্ষায় জাটকা নিধন বন্ধ করা অত্যন্ত জরুরি। এ ক্ষেত্রে প্রশাসন, মৎস্যজীবী ও সাধারণ জনগণের সম্মিলিত সচেতনতা ও উদ্যোগ প্রয়োজন।
বক্তারা আরও জানান, জাটকা সংরক্ষণ কার্যক্রম সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে ভবিষ্যতে নদী ও সাগরে ইলিশের উৎপাদন উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাবে, যা দেশের অর্থনীতি ও জেলেদের জীবিকায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ এপ্রিল ২০২৬
“জাটকা ধরা থামাই যদি, ইলিশে ভরবে সাগর-নদী,” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আজ (৭ এপ্রিল ২০২৬) ঝালকাঠিতে “জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ-২০২৬”-এর উদ্বোধন-পরবর্তী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
জেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোঃ কাওছার হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম এবং অ্যাডভোকেট মোঃ শাহাদাত হোসেন।
সভায় সভাপতিত্ব করেন মোঃ এনামুল হক। এছাড়া জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ, দপ্তর প্রধান, প্রতিনিধি এবং স্থানীয় মৎস্যজীবীরা উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভায় বক্তারা জাটকা সংরক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, দেশের জাতীয় মাছ ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি ও টেকসই মৎস্যসম্পদ রক্ষায় জাটকা নিধন বন্ধ করা অত্যন্ত জরুরি। এ ক্ষেত্রে প্রশাসন, মৎস্যজীবী ও সাধারণ জনগণের সম্মিলিত সচেতনতা ও উদ্যোগ প্রয়োজন।
বক্তারা আরও জানান, জাটকা সংরক্ষণ কার্যক্রম সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে ভবিষ্যতে নদী ও সাগরে ইলিশের উৎপাদন উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাবে, যা দেশের অর্থনীতি ও জেলেদের জীবিকায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

আপনার মতামত লিখুন