ঝালকাঠি পৌর শহরের শ্মশানঘাট এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে ১৬টি বসতঘর। গত সোমবার (৬ এপ্রিল) দুপুরের দিকে হঠাৎ একটি ঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা হওয়ায় মুহুর্তেই আগুন দ্রুত আশপাশের বসতঘরে ছড়িয়ে পড়ে।
খবর পেয়ে ঝালকাঠি ফায়ার সার্ভিসের ৪টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে।প্রায় দুই ঘণ্টা চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
দমকল কর্মীদের পাশাপাশি সাউথ বেঙ্গল ওপেন স্কাউট গ্রুপের সদস্য ও স্থানীয় বাসিন্দারাও আগুন নেভাতে সহযোগিতা করেন।
অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তরা জানিয়েছেন, আগুন নিভানোর আগেই তাদের বসতঘর সম্পূর্ণভাবে ভস্মীভূত হয়ে গেছে। এই অগ্নিকাণ্ডে তাদের আসবাবপত্র, নগদ টাকা ও গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্রসহ সবকিছু পুড়ে ছাই হয়েছে।
পরিবারগুলোকে রাতে খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করতে হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।তবে কি কারণে আগুন লেগে থাকতে পারে তা এখনো জানা যায়নি। এ ব্যাপারে বরিশাল ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের পরিচালক সেলিম মিয়া জানিয়েছেন, প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। তবে সুনির্দিষ্ট কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণে তদন্ত চলছে।
ঝালকাঠি জেলা প্রশাসক মো. মমিন উদ্দিন জানান, খবর পাওয়া মাত্রই জরুরি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত ১৬ পরিবারের তালিকা করেছেন। প্রত্যেক পরিবারকে ৭,৫০০ টাকা, ৩০ কেজি চাল ও ২টি কম্বল প্রদান করা হয়েছে। বরাদ্ধ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তাদের জন্য সর্বোচ্চ সহায়তা নিশ্চিত করা হবে।

মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ এপ্রিল ২০২৬
ঝালকাঠি পৌর শহরের শ্মশানঘাট এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে ১৬টি বসতঘর। গত সোমবার (৬ এপ্রিল) দুপুরের দিকে হঠাৎ একটি ঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা হওয়ায় মুহুর্তেই আগুন দ্রুত আশপাশের বসতঘরে ছড়িয়ে পড়ে।
খবর পেয়ে ঝালকাঠি ফায়ার সার্ভিসের ৪টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে।প্রায় দুই ঘণ্টা চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
দমকল কর্মীদের পাশাপাশি সাউথ বেঙ্গল ওপেন স্কাউট গ্রুপের সদস্য ও স্থানীয় বাসিন্দারাও আগুন নেভাতে সহযোগিতা করেন।
অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তরা জানিয়েছেন, আগুন নিভানোর আগেই তাদের বসতঘর সম্পূর্ণভাবে ভস্মীভূত হয়ে গেছে। এই অগ্নিকাণ্ডে তাদের আসবাবপত্র, নগদ টাকা ও গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্রসহ সবকিছু পুড়ে ছাই হয়েছে।
পরিবারগুলোকে রাতে খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করতে হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।তবে কি কারণে আগুন লেগে থাকতে পারে তা এখনো জানা যায়নি। এ ব্যাপারে বরিশাল ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের পরিচালক সেলিম মিয়া জানিয়েছেন, প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। তবে সুনির্দিষ্ট কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণে তদন্ত চলছে।
ঝালকাঠি জেলা প্রশাসক মো. মমিন উদ্দিন জানান, খবর পাওয়া মাত্রই জরুরি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত ১৬ পরিবারের তালিকা করেছেন। প্রত্যেক পরিবারকে ৭,৫০০ টাকা, ৩০ কেজি চাল ও ২টি কম্বল প্রদান করা হয়েছে। বরাদ্ধ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তাদের জন্য সর্বোচ্চ সহায়তা নিশ্চিত করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন