ঝালকাঠি জেলার রাজাপুর উপজেলার আদাখোলা গ্রামে মিলন (২৫) নামের এক যুবককে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে। শনিবার দুপুরে উপজেলার ৫ নং বড়ইয়া ইউনিয়নের পশ্চিম আদাখোলা ঈদগাহ মসজিদ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত মিলন ওই এলাকার তৈয়ব আলী হাওলাদারের ছেলে।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, নিহত মিলনের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে তার স্ত্রী রোজিনা এবং শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের বিরোধ চলছিল। শনিবার ওই বিরোধ মীমাংসার কথা ছিল। এদিন দুপুরে দাওয়াতে যাওয়ার পথে ঈদগাহ মসজিদ এলাকায় পৌঁছালে তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়।
নিহতের স্বজনদের দাবি প্রতিপক্ষরা পরিকল্পিতভাবে এ হামলা চালিয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।
পরে স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় মিলনকে রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ বিষয়ে নিহতের স্ত্রী রোজিনা দাবি করেন, মিলনের সঙ্গে অনেকের শত্রুতা ছিল এবং তার পরিবারের কেউ এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত নয়।
রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা. খালিদ হোসেন জানান, হাসপাতালে আনার আগেই মিলনের মৃত্যু হয়েছে। তার শরীরে ১০-১২টি ধারালো অস্ত্রের গভীর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে এবং অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়।
ঘটনার বিষয়ে রাজাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম বলেন, কারা এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এ বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

রোববার, ০৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ এপ্রিল ২০২৬
ঝালকাঠি জেলার রাজাপুর উপজেলার আদাখোলা গ্রামে মিলন (২৫) নামের এক যুবককে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে। শনিবার দুপুরে উপজেলার ৫ নং বড়ইয়া ইউনিয়নের পশ্চিম আদাখোলা ঈদগাহ মসজিদ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত মিলন ওই এলাকার তৈয়ব আলী হাওলাদারের ছেলে।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, নিহত মিলনের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে তার স্ত্রী রোজিনা এবং শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের বিরোধ চলছিল। শনিবার ওই বিরোধ মীমাংসার কথা ছিল। এদিন দুপুরে দাওয়াতে যাওয়ার পথে ঈদগাহ মসজিদ এলাকায় পৌঁছালে তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়।
নিহতের স্বজনদের দাবি প্রতিপক্ষরা পরিকল্পিতভাবে এ হামলা চালিয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।
পরে স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় মিলনকে রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ বিষয়ে নিহতের স্ত্রী রোজিনা দাবি করেন, মিলনের সঙ্গে অনেকের শত্রুতা ছিল এবং তার পরিবারের কেউ এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত নয়।
রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা. খালিদ হোসেন জানান, হাসপাতালে আনার আগেই মিলনের মৃত্যু হয়েছে। তার শরীরে ১০-১২টি ধারালো অস্ত্রের গভীর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে এবং অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়।
ঘটনার বিষয়ে রাজাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম বলেন, কারা এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এ বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন