বিপ্লবী বার্তা

আর্কাইভ দেখুন

মিঠাপুকুরে জামায়াতের যুব বিভাগের সহ-সভাপতিকে অব্যাহতি

মিঠাপুকুরে জামায়াতের যুব বিভাগের সহ-সভাপতিকে অব্যাহতি

রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার ৩ নম্বর পায়রাবন্দ ইউনিয়ন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর যুব বিভাগের সহ-সভাপতি মো. শফিকুল ইসলাম শফিকে সংগঠনের সব ধরনের সাংগঠনিক দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬) পায়রাবন্দ ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমীর হাফেজ আব্দুল মালেক স্বাক্ষরিত এক আনুষ্ঠানিক চিঠিতে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণের কথা জানানো হয়।ইউনিয়ন আমীর স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, সংগঠনের প্রতি আনুগত্য ও দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে মো. শফিকুল ইসলাম শফিকে পদসহ সংগঠনের যাবতীয় দায়িত্ব থেকে চূড়ান্তভাবে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।চিঠিতে আরও বলা হয়, জামায়াতে ইসলামীর দলীয় ভাবমূর্তি রক্ষা ও প্রশাসনিক শৃঙ্খলা নিশ্চিতকরণে এই অব্যাহতির সিদ্ধান্ত ইতোমধ্যেই সাংগঠনিকভাবে কার্যকর করা হয়েছে।


বিচ্ছেদের ক্ষোভে সাবেক স্ত্রীকে হত্যা, ৭ দিন পর মিলল মাটিচাপা মরদেহ

বিচ্ছেদের ক্ষোভে সাবেক স্ত্রীকে হত্যা, ৭ দিন পর মিলল মাটিচাপা মরদেহ

সম্পর্কের সুতো ছিঁড়ে গিয়েছিল আগেই। তবে সেই বিচ্ছেদের ক্ষোভ যে এতটা ভয়ংকর পরিণতি ডেকে আনবে, তা ভাবতে পারেনি কেউ। সাবেক স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যার পর বাড়ির পাশের মাঠে মাটিচাপা দিয়ে রাখার অভিযোগ উঠেছে নুরুল আমীন (৪০) নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। নিখোঁজের সাত দিন পর শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় নেত্রকোনা সদর উপজেলার মৌগাতি ইউনিয়নের নগুয়া গ্রাম থেকে নাজু আক্তার (৩৪) নামে ওই নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।এ ঘটনায় নাজু আক্তারের সাবেক স্বামী নুরুল আমীনকে আটক করেছে পুলিশ। নিহত নাজু আক্তার নুরুল আমীনের দ্বিতীয় স্ত্রী ছিলেন।পুলিশ ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত ১৮ সেপ্টেম্বর হঠাৎ নিখোঁজ হন নাজু আক্তার। স্বজনরা সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও তার সন্ধান পাননি। পরে ২২ সেপ্টেম্বর নাজুর ভাই শুভ নেত্রকোনা মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।জিডির পর নিখোঁজের বিষয়টি তদন্তে নামে পুলিশ। একপর্যায়ে সন্দেহের তালিকায় আসে নাজুর সাবেক স্বামী নুরুল আমীনের নাম। তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে পুলিশের কাছে নাজুকে হত্যার কথা স্বীকার করেন তিনি।পুলিশের দাবি, নুরুল আমীন স্বীকার করেছেন—নাজুকে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করার পর বাড়ির পাশের মাঠে মাটি চাপা দিয়ে রাখেন তিনি।তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে শুক্রবার সন্ধ্যায় নগুয়া গ্রামে অভিযান চালায় পুলিশ। পরে নুরুল আমীনের দেখিয়ে দেওয়া স্থান থেকে মাটির নিচে পুঁতে রাখা নাজু আক্তারের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।নেত্রকোনা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল খায়ের ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, হত্যাকাণ্ডের কয়েকদিন আগে নাজু আক্তার ও নুরুল আমীনের আনুষ্ঠানিকভাবে বিবাহবিচ্ছেদ হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নুরুল আমীন দাবি করেছেন, বিচ্ছেদের কারণে ক্ষোভ থেকেই তিনি নাজুকে হত্যার পরিকল্পনা করেন।ওসি আরও জানান, আটক নুরুল আমীন পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন। আইনি প্রক্রিয়া শেষে নাজু আক্তারের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নেত্রকোনা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের পর পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


পরিবর্তিত বাংলাদেশে রাজনীতির পরিবর্তনটা কোথায়?

পরিবর্তিত বাংলাদেশে রাজনীতির পরিবর্তনটা কোথায়?

দীর্ঘদিন দেশে সুশাসনের অভাব ছিল। সেই সুশাসনের অভাব থেকেই ৫ আগস্টের মতো গণঅভ্যুত্থান ঘটলো। এরপর অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এলো। দেশের অর্থনীতি, রাজনীতি সহ সমাজের প্রতিটি সেক্টরে দীর্ঘদিন ধরে যে অন্যায়, অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনা চলমান ছিল, সেখান থেকে বের হতে অনেক সময় লাগবে।সম্প্রতি খেলাপি ঋণে বাংলাদেশ বিশ্বের প্রথম হয়েছে। এটি অস্বাভাবিক ছিল না। বিগত সময়গুলোতে যেভাবে ঋণ নেওয়া হয়েছে এবং সেই টাকা পাচার হয়েছে, তাতে এটি অবধারিত ছিল। বরঞ্চ তথ্য প্রদানের প্রক্রিয়াটি একেবারে নিয়ন্ত্রিত থাকায় এটি প্রকাশ করা হয়নি। এখন তথ্য সরবরাহের প্রক্রিয়াটি সহজ হওয়ায় এটি প্রকাশিত হচ্ছে। অন্যথায় বাংলাদেশ আরও অনেক আগেই বিশ্বে ঋণ খেলাপিতে শীর্ষস্থানীয় হতো।ঋণ খেলাপি হতে দীর্ঘ সময় লাগে। ছয় মাস, এক বছর কিংবা দুই বছরেও সাধারণভাবে ঋণ খেলাপি হওয়া যায় না। কেননা, ঋণ প্রদান থেকে শুরু করে খেলাপি হওয়া একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া। এই ঋণগুলো বেশিরভাগই শিল্প-কারখানা কিংবা উৎপাদন প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িতদের দেওয়া হয় এবং এগুলো দীর্ঘমেয়াদি হয়।শুধু ব্যাংকিং সেক্টর নয়, প্রতিটি সেক্টরেই যে অব্যবস্থাপনা তৈরি হয়েছে, সেটিকে শৃঙ্খলায় আনতে একটি ভালো সময় লাগবে। সেই সময়টি একটি নির্বাচিত সরকারকে দিতে হবে। দীর্ঘদিন পর একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে একটি গণতান্ত্রিক সরকার এসেছে। সুতরাং এই সরকারকে সময় দিতে হবে, যৌক্তিক সময় দিতে হবে, পরামর্শ দিতে হবে এবং তাদের ভুলের সমালোচনা করতে হবে। সেটি না করে শুধু সমালোচনার জন্য সমালোচনা, রাজনীতির জন্য সমালোচনা করলে দেশের জন্য কোনো ভালো কিছু বয়ে আনবে না।এখন বাংলাদেশে একটি দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতা দরকার। অভ্যন্তরীণ বিনিয়োগের জন্য এবং বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করার জন্য একটি স্থিতিশীল পরিবেশ দরকার। দেশের ভাবমূর্তি এমনিতেই ভঙ্গুর। সেই ভঙ্গুর ভাবমূর্তি ও ভঙ্গুর অর্থনীতিকে সাজাতে হলে সুশাসনের দিকে যেমন নজর দিতে হবে, ঠিক তেমনি একটি স্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করতে হবে।দেশে বর্তমানে জ্বালানি সংকট অত্যন্ত প্রকট। লোডশেডিংয়ে জনজীবনের দুর্ভোগ বেড়েছে। জ্বালানি সংকটের কারণে উৎপাদনে ব্যাঘাত ঘটছে। এটি পূর্বের ভুল জ্বালানি নীতির কারণে হচ্ছে। একইভাবে রাতারাতি এই সমস্যার সমাধান করা সম্ভব নয়। কিন্তু সরকারকে এ বিষয়ে সবচেয়ে বেশি জোর দিতে হবে। স্বল্পমেয়াদি, মধ্যমেয়াদি এবং দীর্ঘমেয়াদি নীতি প্রণয়ন করতে হবে।আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ব্যাপক উন্নয়ন চোখে পড়ছে না। রাতারাতি এটি সম্ভব নয়। কেননা, বিগত সময়ে যে রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী থেকে শুরু করে সর্বত্র নিয়োগ হয়েছে, তাদের দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন এত সহজ নয়। ঠিক একইভাবে বর্তমান সরকারের এত অল্প সময়ে নিয়োগ দেওয়াও সম্ভব নয়। সুতরাং জবাবদিহিতার পরিবেশে বেশি মনোযোগী হতে হবে।এ দেশটা আমাদের সবার। দেশের ভালো-মন্দের দায়িত্ব আমাদের সবার। রাজনীতির একটি নির্দিষ্ট মাত্রা থাকা উচিত। সবকিছুতেই রাজনীতি নিয়ে এসে আমরা আমাদের সমাজটাকে অত্যন্ত কলুষিত করে ফেলেছি। এর পরিবর্তনের পথটাও রাজনীতিকদের থেকেই আসতে হবে।তবে যা কিছুই হোক না কেন, এই মুহূর্তে দেশে স্থিতিশীলতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই স্থিতিশীলতার ওপর নির্ভর করবে ভবিষ্যতের বাংলাদেশ। যদি আমরা দেশকে স্থিতিশীল রাখতে না পারি, তবে ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ খুব অন্ধকারময় হবে সেটি এখনই বলে দেওয়া যায়। সুতরাং দলমত নির্বিশেষে স্থিতিশীল বাংলাদেশ গড়ার জন্য আমাদেরকে সময় দিতে হবে এবং নির্মোহভাবে কাজ করতে হবে।লেখক : ড. আবদুল কাইয়ুম মাসুদঅধ্যাপক, ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগ নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়


জবির ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগে শিক্ষক নিয়োগে সিজিপিএ শর্ত নিয়ে বৈষম্যের অভিযোগ

জবির ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগে শিক্ষক নিয়োগে সিজিপিএ শর্ত নিয়ে বৈষম্যের অভিযোগ

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) কলা অনুষদভুক্ত ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগে শিক্ষক নিয়োগের যোগ্যতার ক্ষেত্রে সিজিপিএ শর্ত নিয়ে বৈষম্যের অভিযোগ তুলেছেন বিভাগের শিক্ষার্থীরা। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বরাবর সম্মিলিতভাবে লিখিত আবেদন দিয়েছেন বিভাগের শিক্ষার্থীরা। তাদের দাবি, একই অনুষদের অন্যান্য বিভাগে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে যে যোগ্যতার শর্ত প্রযোজ্য, ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ক্ষেত্রে তা ভিন্নভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে।বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বরাবর দেওয়া আবেদনপত্রে শিক্ষার্থীরা জানান, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদে মোট ছয়টি বিভাগ রয়েছে। এর মধ্যে পাঁচটি বিভাগে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে অনার্স ও মাস্টার্স পর্যায়ের যেকোনো একটিতে ন্যূনতম সিজিপিএ ৩.৭৫ থাকলেই আবেদন করার সুযোগ রয়েছে। তবে ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ক্ষেত্রে অনার্স ও মাস্টার্স—উভয় পর্যায়েই ন্যূনতম সিজিপিএ ৩.৭৫ থাকার শর্ত আরোপ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তারা।শিক্ষার্থীদের দাবি, একই অনুষদের অন্তর্ভুক্ত বিভাগগুলোর শিক্ষক নিয়োগ নীতিমালায় এমন ভিন্ন শর্ত আরোপের ফলে ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থীরা প্রাতিষ্ঠানিক বৈষম্যের মুখোমুখি হচ্ছেন। তাদের ভাষ্য, বিশ্ববিদ্যালয়ের সব অনুষদ-অনুষদভুক্ত বিভাগের জন্য শিক্ষক নিয়োগের যোগ্যতার ক্ষেত্রে অভিন্ন নীতি অনুসরণ করা হলেও ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ক্ষেত্রে সিজিপিএর শর্ত আলাদাভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে।আবেদনপত্রে শিক্ষার্থীরা উল্লেখ করেন, অতিরিক্ত সিজিপিএ শর্তের কারণে বিভাগের অনেক মেধাবী ও যোগ্য শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকতাসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক হিসেবে আবেদন করার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে হতাশা তৈরি হচ্ছে এবং তাদের একাডেমিক ও পেশাগত বিকাশ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে বলেও আবেদনে উল্লেখ করা হয়।শিক্ষার্থীরা আরও বলেন, যদি ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রেও অন্যান্য বিভাগের মতো যেকোনো একটি পর্যায়ে ন্যূনতম ৩.৭৫ সিজিপিএ শর্ত রাখা হয়, তাহলে বিভাগের মেধাবী শিক্ষার্থীরা প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের সমান সুযোগ পাবেন। একই সঙ্গে অন্যান্য বিভাগের সঙ্গে বিদ্যমান যোগ্যতার বৈষম্যও কমবে বলে মনে করেন তারা।আরও বলা হয়, ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদভুক্ত একটি বিভাগ এবং দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা ও গবেষণার ক্ষেত্রে অবদান রেখে আসছে। ফলে বিভাগের শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ ও একাডেমিক সমতার বিষয়টি বিবেচনা করে শিক্ষক নিয়োগ নীতিমালায় প্রয়োজনীয় সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়ার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।শিক্ষার্থীরা তাদের আবেদনে ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে অন্যান্য বিভাগের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সিজিপিএ নির্ধারণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সদয় হস্তক্ষেপ কামনা করেন।আবেদনের শেষে বিভাগের সাধারণ শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে স্বাক্ষর করা হয়। এর অনুলিপি বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার, রেজিস্ট্রার, কলা অনুষদের ডিন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছেও দেওয়া হয়েছে।শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা, দীর্ঘদিনের এই সমস্যা সমাধানে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে শিক্ষক নিয়োগের যোগ্যতার ক্ষেত্রে বৈষম্য দূর করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।


জাবিতে যাত্রা শুরু করল বুক ক্যাফে ‘অর্কেস্ট্রা’

জাবিতে যাত্রা শুরু করল বুক ক্যাফে ‘অর্কেস্ট্রা’

জাবিতে করপোরেট প্রতিষ্ঠানকে জায়গা দিতে ব্যবসায়ীকে উচ্ছেদ চেষ্টার অভিযোগ

জাবিতে করপোরেট প্রতিষ্ঠানকে জায়গা দিতে ব্যবসায়ীকে উচ্ছেদ চেষ্টার অভিযোগ

জাবিতে কর্পোরেট সেবার নামে পকেট কাটার অভিযোগ!

জাবিতে কর্পোরেট সেবার নামে পকেট কাটার অভিযোগ!

রাজাপুরে প্রবাসী কন্যার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

রাজাপুরে প্রবাসী কন্যার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

কাঠালিয়ায় স্কুল শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

কাঠালিয়ায় স্কুল শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

ছাত্রদলের নতুন কমিটিতে চমক হতে পারেন কাজী জিয়া উদ্দিন বাসিত

ছাত্রদলের নতুন কমিটিতে চমক হতে পারেন কাজী জিয়া উদ্দিন বাসিত

যারা অনেক সম্পদের মালিক হতে চান, তাদের জন্য আইনি পেশা নয়: ব্যরিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন

যারা অনেক সম্পদের মালিক হতে চান, তাদের জন্য আইনি পেশা নয়: ব্যরিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন

এআই ও গ্রাফিকস ডিজাইন কোর্স চালু করবে জাকসু: জিতু

এআই ও গ্রাফিকস ডিজাইন কোর্স চালু করবে জাকসু: জিতু

জাবিতে পেশাগত দায়িত্ব পালনে সাংবাদিকদের বাধা দেওয়ার অভিযোগ

জাবিতে পেশাগত দায়িত্ব পালনে সাংবাদিকদের বাধা দেওয়ার অভিযোগ

নিয়ামতপুরে পারিবারিক কলহে গৃহবধূর আত্মহত্যা

নিয়ামতপুরে পারিবারিক কলহে গৃহবধূর আত্মহত্যা

মিঠাপুকুরে জামায়াতের যুব বিভাগের সহ-সভাপতিকে অব্যাহতি

মিঠাপুকুরে জামায়াতের যুব বিভাগের সহ-সভাপতিকে অব্যাহতি

বিচ্ছেদের ক্ষোভে সাবেক স্ত্রীকে হত্যা, ৭ দিন পর মিলল মাটিচাপা মরদেহ

বিচ্ছেদের ক্ষোভে সাবেক স্ত্রীকে হত্যা, ৭ দিন পর মিলল মাটিচাপা মরদেহ

পরিবর্তিত বাংলাদেশে রাজনীতির পরিবর্তনটা কোথায়?

পরিবর্তিত বাংলাদেশে রাজনীতির পরিবর্তনটা কোথায়?

জবির ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগে শিক্ষক নিয়োগে সিজিপিএ শর্ত নিয়ে বৈষম্যের অভিযোগ

জবির ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগে শিক্ষক নিয়োগে সিজিপিএ শর্ত নিয়ে বৈষম্যের অভিযোগ

সাংবাদিককে হুমকি ও সংবাদ সরানোর চাপের অভিযোগ, নিন্দা ছাত্রশক্তির

সাংবাদিককে হুমকি ও সংবাদ সরানোর চাপের অভিযোগ, নিন্দা ছাত্রশক্তির

দামুড়হুদায় ১৪ বছর বয়সী কিশোরীর বাল্যবিবাহ দেওয়ার চেষ্টা ব্যর্থ

দামুড়হুদায় ১৪ বছর বয়সী কিশোরীর বাল্যবিবাহ দেওয়ার চেষ্টা ব্যর্থ

‎আব্বু আম্মুকে জড়িয়ে ধরে বলতে চাই

‎আব্বু আম্মুকে জড়িয়ে ধরে বলতে চাই "আমি জজ হয়েছি"

মুক্তিযোদ্ধার জানাজায় গিয়ে মোটরসাইকেল চুরি, ২৪ ঘণ্টায় উদ্ধার

মুক্তিযোদ্ধার জানাজায় গিয়ে মোটরসাইকেল চুরি, ২৪ ঘণ্টায় উদ্ধার

চুয়াডাঙ্গায় ডেঙ্গুর মধ্যে আবারও বাড়ছে হাম, হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে শয্যা সংকট

চুয়াডাঙ্গায় ডেঙ্গুর মধ্যে আবারও বাড়ছে হাম, হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে শয্যা সংকট

নিয়ামতপুরে মিলাদে বেড়াতে এসে সাপের কামড়ে শিশুর মৃত্যু

নিয়ামতপুরে মিলাদে বেড়াতে এসে সাপের কামড়ে শিশুর মৃত্যু