লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে লাইসেন্সবিহীন দুটি অবৈধ ইটভাটা ও দুটি করাতকল (স’মিল) উচ্ছেদ করেছে প্রশাসন। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) উপজেলার চর পোড়াগাছা ইউনিয়নে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জান্নাতুল ছিদ্দিকার নেতৃত্বে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালত এ অভিযান চালান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক হারুন অর রশিদ পাঠান, পরিদর্শক মোজাম্মেল হকসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা।
অভিযান সূত্রে জানা যায়, চর পোড়াগাছা ইউনিয়নে দীর্ঘদিন ধরে লাইসেন্স ছাড়াই ‘মেসার্স মিরাজ এন্ড আসিফ ব্রিকস’ ও ‘রাকিব ব্রিকস’ নামে দুটি ইটভাটা পরিচালিত হয়ে আসছিল। অভিযানে ইটভাটা দুটির দুটি চুল্লি ও চিমনি ভেঙে ফেলা হয়। পাশাপাশি পানি ছিটিয়ে এবং ইট তৈরির সরঞ্জাম ও যন্ত্রপাতি ব্যবহারের অনুপযোগী করে দেওয়া হয়।
এ ছাড়া ইটভাটায় জ্বালানি হিসেবে কাঠ ব্যবহারের উদ্দেশ্যে স্থাপিত দুটি অবৈধ করাতকল উচ্ছেদ এবং ভাটাগুলোর অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়।
অভিযানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও সার্বিক সহযোগিতায় বাংলাদেশ পুলিশ, ব্যাটালিয়ন আনসার, পরিবেশ অধিদপ্তর, বন বিভাগ, বিদ্যুৎ বিভাগ এবং ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সদস্যরা অংশ নেন।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানানো হয়েছে, পরিবেশ রক্ষা এবং লাইসেন্সবিহীন অবৈধ স্থাপনা বন্ধে লক্ষ্মীপুর জেলাজুড়ে এ ধরনের উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ অক্টোবর ২০২৬
লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে লাইসেন্সবিহীন দুটি অবৈধ ইটভাটা ও দুটি করাতকল (স’মিল) উচ্ছেদ করেছে প্রশাসন। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) উপজেলার চর পোড়াগাছা ইউনিয়নে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জান্নাতুল ছিদ্দিকার নেতৃত্বে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালত এ অভিযান চালান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক হারুন অর রশিদ পাঠান, পরিদর্শক মোজাম্মেল হকসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা।
অভিযান সূত্রে জানা যায়, চর পোড়াগাছা ইউনিয়নে দীর্ঘদিন ধরে লাইসেন্স ছাড়াই ‘মেসার্স মিরাজ এন্ড আসিফ ব্রিকস’ ও ‘রাকিব ব্রিকস’ নামে দুটি ইটভাটা পরিচালিত হয়ে আসছিল। অভিযানে ইটভাটা দুটির দুটি চুল্লি ও চিমনি ভেঙে ফেলা হয়। পাশাপাশি পানি ছিটিয়ে এবং ইট তৈরির সরঞ্জাম ও যন্ত্রপাতি ব্যবহারের অনুপযোগী করে দেওয়া হয়।
এ ছাড়া ইটভাটায় জ্বালানি হিসেবে কাঠ ব্যবহারের উদ্দেশ্যে স্থাপিত দুটি অবৈধ করাতকল উচ্ছেদ এবং ভাটাগুলোর অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়।
অভিযানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও সার্বিক সহযোগিতায় বাংলাদেশ পুলিশ, ব্যাটালিয়ন আনসার, পরিবেশ অধিদপ্তর, বন বিভাগ, বিদ্যুৎ বিভাগ এবং ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সদস্যরা অংশ নেন।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানানো হয়েছে, পরিবেশ রক্ষা এবং লাইসেন্সবিহীন অবৈধ স্থাপনা বন্ধে লক্ষ্মীপুর জেলাজুড়ে এ ধরনের উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন