গাজীপুর মহানগরীর টঙ্গীতে গ্যাস লিকেজ থেকে সৃষ্ট আগুনে একই পরিবারের তিনজন দগ্ধ হয়েছেন। বুধবার (২১ অক্টোবর) সকাল ৬টার দিকে টঙ্গী পশ্চিম থানার চেরাগ আলী মার্কেটসংলগ্ন মুদাফা এলাকার মাস্টারবাড়ী রোডের একটি ভাড়া বাসায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
দগ্ধ ব্যক্তিরা হলেন লালচান (৬৫), তাঁর স্ত্রী নাসিমা (৫০) ও তাঁদের মেয়ে তানিশা (১৬)। তাঁদের উদ্ধার করে ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে জানা গেছে, তিনজনের অবস্থাই আশঙ্কাজনক।
টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, গ্যাসের পাইপলাইনের লিকেজ থেকে ঘরে গ্যাস জমে ছিল। সকালে রান্নার চুলা জ্বালানোর সময় আগুন ছড়িয়ে পড়লে তাঁরা দগ্ধ হন। এ ঘটনায় ঘরে বিস্ফোরণের কোনো আলামত পাওয়া যায়নি।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের চিকিৎসকরা জানান, লালচানের শরীরের প্রায় ৯৫ শতাংশ এবং নাসিমা ও তানিশার শরীরের যথাক্রমে প্রায় ৮৫ ও ৮৬ শতাংশ পুড়ে গেছে। তাঁদের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ অক্টোবর ২০২৬
গাজীপুর মহানগরীর টঙ্গীতে গ্যাস লিকেজ থেকে সৃষ্ট আগুনে একই পরিবারের তিনজন দগ্ধ হয়েছেন। বুধবার (২১ অক্টোবর) সকাল ৬টার দিকে টঙ্গী পশ্চিম থানার চেরাগ আলী মার্কেটসংলগ্ন মুদাফা এলাকার মাস্টারবাড়ী রোডের একটি ভাড়া বাসায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
দগ্ধ ব্যক্তিরা হলেন লালচান (৬৫), তাঁর স্ত্রী নাসিমা (৫০) ও তাঁদের মেয়ে তানিশা (১৬)। তাঁদের উদ্ধার করে ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে জানা গেছে, তিনজনের অবস্থাই আশঙ্কাজনক।
টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, গ্যাসের পাইপলাইনের লিকেজ থেকে ঘরে গ্যাস জমে ছিল। সকালে রান্নার চুলা জ্বালানোর সময় আগুন ছড়িয়ে পড়লে তাঁরা দগ্ধ হন। এ ঘটনায় ঘরে বিস্ফোরণের কোনো আলামত পাওয়া যায়নি।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের চিকিৎসকরা জানান, লালচানের শরীরের প্রায় ৯৫ শতাংশ এবং নাসিমা ও তানিশার শরীরের যথাক্রমে প্রায় ৮৫ ও ৮৬ শতাংশ পুড়ে গেছে। তাঁদের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন