জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলা এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলায় বৃক্ষরোপণ, পুকুর পুনঃখনন ও কমিউনিটিভিত্তিক বায়োগ্যাস প্ল্যান্টের উদ্বোধন করা হয়েছে। সুইজারল্যান্ড সরকারের অর্থায়নে এবং ওয়াটারএইড বাংলাদেশ ও সুইসকন্টাক্ট বাংলাদেশের কারিগরি সহযোগিতায় ইকো-সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (ইএসডিও) বাস্তবায়িত ‘গোফরইমপ্যাক্ট’ প্রকল্পের আওতায় এই বহুমুখী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) উপজেলার পানিহারা গ্রামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও অংশ নেন নওগাঁ-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. মোস্তাফিজুর রহমান, সুইজারল্যান্ড দূতাবাসের ডেপুটি হেড অব কো-অপারেশন করিন থেভো, ওয়াটারএইড বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর আজমান আহমেদ চৌধুরী, ইএসডিও-এর প্রতিষ্ঠাতা নির্বাহী পরিচালক ড. মুহম্মদ শহীদ উজ জামান, গোফরইমপ্যাক্ট প্রকল্পের প্রধান সাইফ মনজুর-আল-ইসলাম, নওগাঁর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম এবং নিয়ামতপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছাঃ মুর্শিদা খাতুন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, “জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় স্থানীয় পর্যায়ে টেকসই উদ্যোগ গ্রহণ সময়ের দাবি। গোফরইমপ্যাক্ট প্রকল্পের মাধ্যমে প্রত্যন্ত অঞ্চলে পরিবেশবান্ধব উন্নয়ন ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির যে কাজ চলছে, তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়।
দিনের কর্মসূচি অনুযায়ী, প্রধান অতিথি ও অন্যান্য অতিথিবৃন্দ পানিহারা গ্রামে একটি করে গাছের চারা রোপণ করে বৃক্ষরোপণ অভিযানের সূচনা করেন। এরপর তারা স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণে জলবায়ু পরিবর্তন ঝুঁকি বিশ্লেষণ বিষয়ক একটি মতবিনিময় সভায় অংশ নেন, যেখানে স্থানীয় পর্যায়ে জলবায়ু সহনশীলতা অর্জনের বিভিন্ন কৌশল নিয়ে আলোচনা হয়।
পরে প্রতিমন্ত্রী প্রকল্পের সহায়তায় নির্মিত একটি কমিউনিটিভিত্তিক বায়োগ্যাস প্ল্যান্টের শুভ উদ্বোধন করেন। এ সময় তিনি বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধি এবং পরিবেশবান্ধব উপায়ে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় এ ধরনের প্ল্যান্ট গ্রামীণ জনপদে বিপ্লব ঘটাবে।
সৰ্বশেষে অতিথিরা স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য এবং বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় মিলিত হন। সভায় স্থানীয় পর্যায়ে সরকারি-বেসরকারি সমন্বয় বৃদ্ধি, টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করা এবং প্রকল্পের কার্যক্রম আরও গতিশীল করার বিষয়ে আলোচনা হয়।

শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলা এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলায় বৃক্ষরোপণ, পুকুর পুনঃখনন ও কমিউনিটিভিত্তিক বায়োগ্যাস প্ল্যান্টের উদ্বোধন করা হয়েছে। সুইজারল্যান্ড সরকারের অর্থায়নে এবং ওয়াটারএইড বাংলাদেশ ও সুইসকন্টাক্ট বাংলাদেশের কারিগরি সহযোগিতায় ইকো-সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (ইএসডিও) বাস্তবায়িত ‘গোফরইমপ্যাক্ট’ প্রকল্পের আওতায় এই বহুমুখী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) উপজেলার পানিহারা গ্রামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও অংশ নেন নওগাঁ-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. মোস্তাফিজুর রহমান, সুইজারল্যান্ড দূতাবাসের ডেপুটি হেড অব কো-অপারেশন করিন থেভো, ওয়াটারএইড বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর আজমান আহমেদ চৌধুরী, ইএসডিও-এর প্রতিষ্ঠাতা নির্বাহী পরিচালক ড. মুহম্মদ শহীদ উজ জামান, গোফরইমপ্যাক্ট প্রকল্পের প্রধান সাইফ মনজুর-আল-ইসলাম, নওগাঁর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম এবং নিয়ামতপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছাঃ মুর্শিদা খাতুন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, “জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় স্থানীয় পর্যায়ে টেকসই উদ্যোগ গ্রহণ সময়ের দাবি। গোফরইমপ্যাক্ট প্রকল্পের মাধ্যমে প্রত্যন্ত অঞ্চলে পরিবেশবান্ধব উন্নয়ন ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির যে কাজ চলছে, তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়।
দিনের কর্মসূচি অনুযায়ী, প্রধান অতিথি ও অন্যান্য অতিথিবৃন্দ পানিহারা গ্রামে একটি করে গাছের চারা রোপণ করে বৃক্ষরোপণ অভিযানের সূচনা করেন। এরপর তারা স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণে জলবায়ু পরিবর্তন ঝুঁকি বিশ্লেষণ বিষয়ক একটি মতবিনিময় সভায় অংশ নেন, যেখানে স্থানীয় পর্যায়ে জলবায়ু সহনশীলতা অর্জনের বিভিন্ন কৌশল নিয়ে আলোচনা হয়।
পরে প্রতিমন্ত্রী প্রকল্পের সহায়তায় নির্মিত একটি কমিউনিটিভিত্তিক বায়োগ্যাস প্ল্যান্টের শুভ উদ্বোধন করেন। এ সময় তিনি বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধি এবং পরিবেশবান্ধব উপায়ে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় এ ধরনের প্ল্যান্ট গ্রামীণ জনপদে বিপ্লব ঘটাবে।
সৰ্বশেষে অতিথিরা স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য এবং বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় মিলিত হন। সভায় স্থানীয় পর্যায়ে সরকারি-বেসরকারি সমন্বয় বৃদ্ধি, টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করা এবং প্রকল্পের কার্যক্রম আরও গতিশীল করার বিষয়ে আলোচনা হয়।

আপনার মতামত লিখুন