গাজীপুরের শ্রীপুরে সপ্তম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রী (১৪) অপহরণের পাঁচ দিন পেরিয়ে গেলেও তাকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
এ ঘটনায় শিশুটির মা রহিমা আক্তার শ্রীপুর মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগে জানা যায়, উপজেলার চন্নাপাড়া এলাকার বাসিন্দা রহিমা আক্তারের মেয়ে স্থানীয় আব্দুস সোবাহান একাডেমির সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী। অভিযুক্ত কাপাসিয়া উপজেলার দুর্গাপুর এলাকার বাসিন্দা জাহিদ (২৫) দীর্ঘদিন ধরে ওই শিক্ষার্থীকে কুপ্রস্তাব দিয়ে উত্ত্যক্ত করছিলেন। বিষয়টি তার পরিবারের কাছে জানানো হলেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
পরিবারের দাবি, অভিযুক্তরা অপহরণের হুমকি দেওয়ায় গত ৩০ আগস্ট শ্রীপুর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি নং-২৩৯৮) করা হয়। এরপর ৩১ আগস্ট বিকেল ৪টার দিকে কোচিংয়ে যাওয়ার পথে আনসার রোডের এসকে ফ্যাক্টরির পাশের একটি ফাঁকা স্থানে জাহিদ ও তার সহযোগীরা মেয়েটিকে একটি প্রাইভেটকারে তুলে নিয়ে যায়। এরপর থেকে তার কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। অভিযুক্তের মোবাইল ফোনও বন্ধ রয়েছে। অভিযোগকারী আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, তার মেয়ের নিরাপত্তা ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। তিনি দ্রুত কিশোরীকে উদ্ধার এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
এ ঘটনায় শ্রীপুর মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) বাসার বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর থেকেই ভিকটিমকে উদ্ধারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। তাকে দ্রুত উদ্ধারে অভিযান চলছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
গাজীপুরের শ্রীপুরে সপ্তম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রী (১৪) অপহরণের পাঁচ দিন পেরিয়ে গেলেও তাকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
এ ঘটনায় শিশুটির মা রহিমা আক্তার শ্রীপুর মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগে জানা যায়, উপজেলার চন্নাপাড়া এলাকার বাসিন্দা রহিমা আক্তারের মেয়ে স্থানীয় আব্দুস সোবাহান একাডেমির সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী। অভিযুক্ত কাপাসিয়া উপজেলার দুর্গাপুর এলাকার বাসিন্দা জাহিদ (২৫) দীর্ঘদিন ধরে ওই শিক্ষার্থীকে কুপ্রস্তাব দিয়ে উত্ত্যক্ত করছিলেন। বিষয়টি তার পরিবারের কাছে জানানো হলেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
পরিবারের দাবি, অভিযুক্তরা অপহরণের হুমকি দেওয়ায় গত ৩০ আগস্ট শ্রীপুর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি নং-২৩৯৮) করা হয়। এরপর ৩১ আগস্ট বিকেল ৪টার দিকে কোচিংয়ে যাওয়ার পথে আনসার রোডের এসকে ফ্যাক্টরির পাশের একটি ফাঁকা স্থানে জাহিদ ও তার সহযোগীরা মেয়েটিকে একটি প্রাইভেটকারে তুলে নিয়ে যায়। এরপর থেকে তার কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। অভিযুক্তের মোবাইল ফোনও বন্ধ রয়েছে। অভিযোগকারী আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, তার মেয়ের নিরাপত্তা ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। তিনি দ্রুত কিশোরীকে উদ্ধার এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
এ ঘটনায় শ্রীপুর মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) বাসার বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর থেকেই ভিকটিমকে উদ্ধারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। তাকে দ্রুত উদ্ধারে অভিযান চলছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন