বিপ্লবী বার্তা

মূল পাতা

সারাদেশ

মেঘনাপাড় ট্রাস্টের সেমিনার ও ‘স্বপ্নবুনন’-এর মোড়ক উন্মোচন

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ
মেঘনাপাড় ট্রাস্টের সেমিনার ও ‘স্বপ্নবুনন’-এর মোড়ক উন্মোচন
ছবিঃ বিপ্লবী বার্তা

ক্ষুদ্র ঋণের পরিবর্তে ক্ষুদ্র মূলধন ও কারিগরি শিক্ষার মাধ্যমে লক্ষ্মীপুরের মেঘনাপাড়ের ধীবর জনগোষ্ঠীকে উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন বক্তারা।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সরকারি বাঙলা কলেজে মেঘনাপাড় ট্রাস্ট আয়োজিত সেমিনার, ট্রাস্টের পরিচিতি ও স্মারকগ্রন্থ ‘স্বপ্নবুনন’-এর মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে এ আহ্বান জানানো হয়। অনুষ্ঠানের প্রতিপাদ্য ছিল— ‘ক্ষুদ্র ঋণ নয়, ক্ষুদ্র মূলধন চাই; ঋণগ্রহীতা নয়, উদ্যোক্তা বাড়াই।’

মেঘনাপাড় ট্রাস্টের চেয়ারম্যান ও টিআইবি সদস্য ড. জাহিদ আহমেদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ট্রাস্টের প্রধান উপদেষ্টা ও টিআইবি-এর চেয়ারপার্সন মনসুর আহমেদ চৌধুরী।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সরকারি বাঙলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ প্রফেসর মিটুল চৌধুরী, ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মোজাম্মেল হোসেন চৌধুরী, চ্যানেল এস-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও সুজিত চক্রবর্তী এবং প্রথম আলো ট্রাস্টের সমন্বয়ক মাহবুবা সুলতানা।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রফেসর মো. আক্তারুজ্জামান ভূঞা। তিনি ‘এডুকেশন বেজড প্রোডাকশন অ্যান্ড মার্কেটিং’ মডেলের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। পাশাপাশি লক্ষ্মীপুরের মজু চৌধুরীহাটের মেঘনাপাড়ের ধীবর জনগোষ্ঠীর কারিগরি শিক্ষা ও উদ্যোক্তা উন্নয়নে ৭ কোটি টাকার একটি বিশেষ বাজেটের প্রস্তাব তুলে ধরেন।

প্রবন্ধ উপস্থাপনের সময় তিনি বলেন, প্রচলিত ঋণনির্ভর ব্যবস্থার পরিবর্তে ধীবর জনগোষ্ঠীকে শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও প্রয়োজনীয় মূলধন দেওয়ার মাধ্যমে স্বাবলম্বী করে তোলা প্রয়োজন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মনসুর আহমেদ চৌধুরী বলেন, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর টেকসই উন্নয়নে এ ধরনের উদ্যোগকে এগিয়ে নেওয়া প্রয়োজন। ঋণের পরিবর্তে মূলধন ও যথাযথ শিক্ষা প্রদানের মাধ্যমে তাদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করা সম্ভব।

অনুষ্ঠানে মেঘনাপাড়ের ধীবর জনগোষ্ঠীর জীবনসংগ্রাম, সংকট ও সম্ভাবনা নিয়ে নির্মিত একটি তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

সভাপতির বক্তব্যে ড. জাহিদ আহমেদ চৌধুরী বলেন, মেঘনাপাড় ট্রাস্টের উদ্যোগে কবরস্থান প্রকল্প বাস্তবায়নের পাশাপাশি মসজিদ কমপ্লেক্স ও ট্রেডভিত্তিক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের জন্য ২০ শতাংশ জমি ক্রয় করে ২ হাজার ২০০ বর্গফুটের একটি ভবন নির্মাণ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, মেঘনাপাড় ধীবর কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র বাস্তবায়িত হলে এ জনগোষ্ঠীর দক্ষতা উন্নয়নের পাশাপাশি তাদের সমাজের মূলস্রোতে ফিরিয়ে আনা এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করা সম্ভব হবে।

অনুষ্ঠানে অতিথিরা মেঘনাপাড় ট্রাস্টের বিভিন্ন কার্যক্রমের প্রশংসা করেন এবং উদ্যোগটি বাস্তবায়নে সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সহযোগিতা কামনা করেন। পরে স্মারকগ্রন্থ ‘স্বপ্নবুনন’-এর মোড়ক উন্মোচন করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন

বিপ্লবী বার্তা

বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬


মেঘনাপাড় ট্রাস্টের সেমিনার ও ‘স্বপ্নবুনন’-এর মোড়ক উন্মোচন

প্রকাশের তারিখ : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

ক্ষুদ্র ঋণের পরিবর্তে ক্ষুদ্র মূলধন ও কারিগরি শিক্ষার মাধ্যমে লক্ষ্মীপুরের মেঘনাপাড়ের ধীবর জনগোষ্ঠীকে উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন বক্তারা।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সরকারি বাঙলা কলেজে মেঘনাপাড় ট্রাস্ট আয়োজিত সেমিনার, ট্রাস্টের পরিচিতি ও স্মারকগ্রন্থ ‘স্বপ্নবুনন’-এর মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে এ আহ্বান জানানো হয়। অনুষ্ঠানের প্রতিপাদ্য ছিল— ‘ক্ষুদ্র ঋণ নয়, ক্ষুদ্র মূলধন চাই; ঋণগ্রহীতা নয়, উদ্যোক্তা বাড়াই।’

মেঘনাপাড় ট্রাস্টের চেয়ারম্যান ও টিআইবি সদস্য ড. জাহিদ আহমেদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ট্রাস্টের প্রধান উপদেষ্টা ও টিআইবি-এর চেয়ারপার্সন মনসুর আহমেদ চৌধুরী।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সরকারি বাঙলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ প্রফেসর মিটুল চৌধুরী, ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মোজাম্মেল হোসেন চৌধুরী, চ্যানেল এস-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও সুজিত চক্রবর্তী এবং প্রথম আলো ট্রাস্টের সমন্বয়ক মাহবুবা সুলতানা।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রফেসর মো. আক্তারুজ্জামান ভূঞা। তিনি ‘এডুকেশন বেজড প্রোডাকশন অ্যান্ড মার্কেটিং’ মডেলের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। পাশাপাশি লক্ষ্মীপুরের মজু চৌধুরীহাটের মেঘনাপাড়ের ধীবর জনগোষ্ঠীর কারিগরি শিক্ষা ও উদ্যোক্তা উন্নয়নে ৭ কোটি টাকার একটি বিশেষ বাজেটের প্রস্তাব তুলে ধরেন।

প্রবন্ধ উপস্থাপনের সময় তিনি বলেন, প্রচলিত ঋণনির্ভর ব্যবস্থার পরিবর্তে ধীবর জনগোষ্ঠীকে শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও প্রয়োজনীয় মূলধন দেওয়ার মাধ্যমে স্বাবলম্বী করে তোলা প্রয়োজন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মনসুর আহমেদ চৌধুরী বলেন, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর টেকসই উন্নয়নে এ ধরনের উদ্যোগকে এগিয়ে নেওয়া প্রয়োজন। ঋণের পরিবর্তে মূলধন ও যথাযথ শিক্ষা প্রদানের মাধ্যমে তাদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করা সম্ভব।

অনুষ্ঠানে মেঘনাপাড়ের ধীবর জনগোষ্ঠীর জীবনসংগ্রাম, সংকট ও সম্ভাবনা নিয়ে নির্মিত একটি তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

সভাপতির বক্তব্যে ড. জাহিদ আহমেদ চৌধুরী বলেন, মেঘনাপাড় ট্রাস্টের উদ্যোগে কবরস্থান প্রকল্প বাস্তবায়নের পাশাপাশি মসজিদ কমপ্লেক্স ও ট্রেডভিত্তিক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের জন্য ২০ শতাংশ জমি ক্রয় করে ২ হাজার ২০০ বর্গফুটের একটি ভবন নির্মাণ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, মেঘনাপাড় ধীবর কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র বাস্তবায়িত হলে এ জনগোষ্ঠীর দক্ষতা উন্নয়নের পাশাপাশি তাদের সমাজের মূলস্রোতে ফিরিয়ে আনা এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করা সম্ভব হবে।

অনুষ্ঠানে অতিথিরা মেঘনাপাড় ট্রাস্টের বিভিন্ন কার্যক্রমের প্রশংসা করেন এবং উদ্যোগটি বাস্তবায়নে সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সহযোগিতা কামনা করেন। পরে স্মারকগ্রন্থ ‘স্বপ্নবুনন’-এর মোড়ক উন্মোচন করা হয়।


বিপ্লবী বার্তা

প্রকাশক
শেখ মাহমুদ উজ্জ্বল
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক
কাইয়ুম তালুকদার (কানন)
উপদেষ্টা সম্পাদক
ড. জাহিদ আহমেদ চৌধুরী

কপিরাইট © ২০২৬ । বিপ্লবী বার্তা