নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) ছাত্রদলের দুই পক্ষের সংঘর্ষ, সাংবাদিক হেনস্তা ও বহিরাগতদের হামলার ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন আগামী রবিবার (৩০ আগস্ট) জমা দেওয়া হবে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক ও নোবিপ্রবি ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মো. হাছান উদ্দীন।
এর আগে নিরপেক্ষ ও যথাযথ তদন্তের স্বার্থে সময় বাড়ানোর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে কমিটির সময়সীমা ২০ আগস্ট থেকে তিন কার্যদিবস বাড়িয়ে ২৭ আগস্ট করা হয়। বর্ধিত সময় শেষে রবিবার প্রশাসনের কাছে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন কমিটির সংশ্লিষ্টরা।
কমিটি সূত্রে জানা গেছে, সংঘর্ষ, সাংবাদিক হেনস্তা ও বহিরাগতদের হামলার প্রকৃত কারণ এবং জড়িতদের শনাক্ত করতে প্রত্যক্ষদর্শী, আহত শিক্ষার্থী, সাংবাদিকসহ সংশ্লিষ্টদের সাক্ষাৎকার ও লিখিত বক্তব্য নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন পয়েন্টের সিসিটিভি ফুটেজ এবং গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও বিশ্লেষণ করা হয়েছে। এসব তথ্য-উপাত্ত ও প্রমাণ যাচাই-বাছাই করে প্রতিবেদন তৈরির কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে।
তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. হাছান উদ্দীন বলেন, “আমরা সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে কথা বলেছি এবং প্রাপ্ত প্রমাণাদি যাচাই-বাছাই করেছি। রবিবার প্রশাসনের কাছে সম্পূর্ণ তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে।”
উল্লেখ্য, গত ১৮ আগস্ট গভীর রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মালেক উকিল হলে সিট পরিবর্তনকে কেন্দ্র করে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে নোবিপ্রবি শাখা ছাত্রদলের দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এর জেরে ওই দিন দুপুরে বহিরাগতদের নিয়ে দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও হামলার ঘটনা ঘটে। এ সময় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে কয়েকজন সাংবাদিকও হেনস্তার শিকার হন। ঘটনার পর ওই দিনই ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মো. হাছান উদ্দীনকে আহ্বায়ক করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ আগস্ট ২০২৬
নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) ছাত্রদলের দুই পক্ষের সংঘর্ষ, সাংবাদিক হেনস্তা ও বহিরাগতদের হামলার ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন আগামী রবিবার (৩০ আগস্ট) জমা দেওয়া হবে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক ও নোবিপ্রবি ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মো. হাছান উদ্দীন।
এর আগে নিরপেক্ষ ও যথাযথ তদন্তের স্বার্থে সময় বাড়ানোর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে কমিটির সময়সীমা ২০ আগস্ট থেকে তিন কার্যদিবস বাড়িয়ে ২৭ আগস্ট করা হয়। বর্ধিত সময় শেষে রবিবার প্রশাসনের কাছে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন কমিটির সংশ্লিষ্টরা।
কমিটি সূত্রে জানা গেছে, সংঘর্ষ, সাংবাদিক হেনস্তা ও বহিরাগতদের হামলার প্রকৃত কারণ এবং জড়িতদের শনাক্ত করতে প্রত্যক্ষদর্শী, আহত শিক্ষার্থী, সাংবাদিকসহ সংশ্লিষ্টদের সাক্ষাৎকার ও লিখিত বক্তব্য নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন পয়েন্টের সিসিটিভি ফুটেজ এবং গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও বিশ্লেষণ করা হয়েছে। এসব তথ্য-উপাত্ত ও প্রমাণ যাচাই-বাছাই করে প্রতিবেদন তৈরির কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে।
তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. হাছান উদ্দীন বলেন, “আমরা সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে কথা বলেছি এবং প্রাপ্ত প্রমাণাদি যাচাই-বাছাই করেছি। রবিবার প্রশাসনের কাছে সম্পূর্ণ তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে।”
উল্লেখ্য, গত ১৮ আগস্ট গভীর রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মালেক উকিল হলে সিট পরিবর্তনকে কেন্দ্র করে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে নোবিপ্রবি শাখা ছাত্রদলের দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এর জেরে ওই দিন দুপুরে বহিরাগতদের নিয়ে দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও হামলার ঘটনা ঘটে। এ সময় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে কয়েকজন সাংবাদিকও হেনস্তার শিকার হন। ঘটনার পর ওই দিনই ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মো. হাছান উদ্দীনকে আহ্বায়ক করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

আপনার মতামত লিখুন