বাগেরহাটে আইনজীবী এ্যাডভোকেট নিজাম উদ্দিন শান্ত (৪২) হত্যা মামলায় প্রধান আসামি শেখ মুরাদসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। হত্যাকাণ্ডের ৫০ ঘণ্টার মধ্যে অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
সোমবার (২৭জুলাই) বিকেলে বাগেরহাট পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সম্মেলন করে প্রেস ব্রিফিং এর মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন জেলা পুলিশ সুপার হাসান মো. নাসের রিকাবদার।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—শেখ মুরাদ, আবু তাহের দীপ, মো. হাফিজুর রহমান ও মো. শিপন শেখ। তাঁদের মধ্যে হত্যাকাণ্ডে নেতৃত্ব দেওয়ার অভিযোগ থাকা শেখ মুরাদের কাছ থেকে একটি আধুনিক ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, নিহত নিজাম উদ্দিন শান্ত বাগেরহাট জেলা আইনজীবী সমিতির নিয়মিত সদস্য ছিলেন। গত ২৫ জুলাই রাত ১২টা ৫ মিনিটের দিকে আদালত-সংক্রান্ত জরুরি কাজ শেষ করে মোটরসাইকেলে করে বাড়ির উদ্দেশে রওনা হন তিনি। রাত আনুমানিক ১টার দিকে বাগেরহাট পৌরসভার হাড়িখালী গ্রামের তেঁতুলতলা মোড় এলাকায় জনৈক তালহার বাড়ির সামনে পাকা সড়কে পৌঁছালে আগে থেকে ওত পেতে থাকা দুর্বৃত্তরা তাঁর পথরোধ করে। এ সময় তাঁকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করা হয় বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে বাগেরহাট সদর মডেল থানায় ২৫ জুলাই একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। মামলায় দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে বাগেরহাট সদর মডেল থানা পুলিশ ও গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় প্রাথমিকভাবে তিনজনকে শনাক্ত করে। পরে তাঁদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করে পুলিশ।
পুলিশ সুপার হাসান মো. নাসের রিকাবদার আরও জানান, সোমবার (২৭ জুলাই) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩টার দিকে বাগেরহাট সদর মডেল থানার পিসি ডেমা এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের আদালতে পাঠিয়ে মামলাটির অধিকতর তদন্ত এবং হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যের রহস্য উদঘাটনে রিমান্ডের আবেদন করা হবে বলে জানান পুলিশ সুপার। রিমান্ড মঞ্জুর হলে জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে আরও তথ্য পাওয়া যেতে পারে বলে আশা করছে তদন্তসংশ্লিষ্টরা।

সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুলাই ২০২৬
বাগেরহাটে আইনজীবী এ্যাডভোকেট নিজাম উদ্দিন শান্ত (৪২) হত্যা মামলায় প্রধান আসামি শেখ মুরাদসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। হত্যাকাণ্ডের ৫০ ঘণ্টার মধ্যে অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
সোমবার (২৭জুলাই) বিকেলে বাগেরহাট পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সম্মেলন করে প্রেস ব্রিফিং এর মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন জেলা পুলিশ সুপার হাসান মো. নাসের রিকাবদার।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—শেখ মুরাদ, আবু তাহের দীপ, মো. হাফিজুর রহমান ও মো. শিপন শেখ। তাঁদের মধ্যে হত্যাকাণ্ডে নেতৃত্ব দেওয়ার অভিযোগ থাকা শেখ মুরাদের কাছ থেকে একটি আধুনিক ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, নিহত নিজাম উদ্দিন শান্ত বাগেরহাট জেলা আইনজীবী সমিতির নিয়মিত সদস্য ছিলেন। গত ২৫ জুলাই রাত ১২টা ৫ মিনিটের দিকে আদালত-সংক্রান্ত জরুরি কাজ শেষ করে মোটরসাইকেলে করে বাড়ির উদ্দেশে রওনা হন তিনি। রাত আনুমানিক ১টার দিকে বাগেরহাট পৌরসভার হাড়িখালী গ্রামের তেঁতুলতলা মোড় এলাকায় জনৈক তালহার বাড়ির সামনে পাকা সড়কে পৌঁছালে আগে থেকে ওত পেতে থাকা দুর্বৃত্তরা তাঁর পথরোধ করে। এ সময় তাঁকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করা হয় বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে বাগেরহাট সদর মডেল থানায় ২৫ জুলাই একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। মামলায় দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে বাগেরহাট সদর মডেল থানা পুলিশ ও গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় প্রাথমিকভাবে তিনজনকে শনাক্ত করে। পরে তাঁদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করে পুলিশ।
পুলিশ সুপার হাসান মো. নাসের রিকাবদার আরও জানান, সোমবার (২৭ জুলাই) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩টার দিকে বাগেরহাট সদর মডেল থানার পিসি ডেমা এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের আদালতে পাঠিয়ে মামলাটির অধিকতর তদন্ত এবং হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যের রহস্য উদঘাটনে রিমান্ডের আবেদন করা হবে বলে জানান পুলিশ সুপার। রিমান্ড মঞ্জুর হলে জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে আরও তথ্য পাওয়া যেতে পারে বলে আশা করছে তদন্তসংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন