পবিত্র হজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত ইরানের বিরুদ্ধে বড় ধরনের কোনো সামরিক অভিযান না চালাতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে আহ্বান জানিয়েছে সৌদি আরব। বিশ্ব মুসলিমের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় সমাগম হজের নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতেই রিয়াদের পক্ষ থেকে ওয়াশিংটনকে এই অনুরোধ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
সংবাদমাধ্যম ‘নিউ আরব’-এর বৃহস্পতিবারের (২১ মে) এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্প্রতি ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন করে হামলা ও পাল্টা হামলা শুরুর শঙ্কা তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতির মাঝেই সৌদি আরব স্পষ্ট ভাষায় যুক্তরাষ্ট্রকে জানিয়েছে, তারা যেন হজ শেষ হওয়া পর্যন্ত যে কোনো ধরনের সামরিক পদক্ষেপ থেকে বিরত থাকে। চলতি বছরের আগামী ২৬ মে হজের প্রধান দিন বা পবিত্র আরাফাত দিবস উদযাপিত হবে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, সম্প্রতি মার্কিন সরকারের প্রতিনিধিরা কাতার, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেছেন। ওই বৈঠকে আরব দেশগুলোর পক্ষ থেকে ইরানে এই মুহূর্তে কোনো ধরনের হামলা না চালানোর জন্য জোর অনুরোধ করা হয়। দেশগুলো সাফ জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সংঘাতের আগুন জ্বালানোর চেয়ে কূটনীতিকে প্রাধান্য দেওয়া এখন সবচেয়ে বেশি জরুরি।
আরবি সংবাদমাধ্যম আল-আরাবিয়া জানিয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন সামরিক পদক্ষেপের বিষয়ে আরব দেশগুলো এখন এককাট্টা অবস্থান নিয়েছে। বিশেষ করে লাখ লাখ মুসলিমের হজের বিষয়টি মাথায় রেখে তারা যুক্তরাষ্ট্রকে সংযত থাকার আহ্বান জানাচ্ছে।
আরব দেশগুলো মার্কিন প্রশাসনকে সতর্ক করে বলেছে, হজের মতো সংবেদনশীল সময়ে কোনো ধরনের সামরিক হামলা হলে পুরো মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে চরম বিশৃঙ্খলা তৈরি হতে পারে। এর ফলে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা লাখ লাখ সাধারণ হাজি যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে আটকা পড়ে এক ভয়াবহ মানবিক সংকটের মুখোমুখি হতে পারেন।
এর আগে গত ২৮ মে পবিত্র রমজান মাস চলাকালেই ইরানে আকস্মিক বিমান হামলা চালিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র ও দখলদার ইসরায়েল। এবার হজের পবিত্রতা ও নিরাপত্তার স্বার্থে আগেভাগেই ওয়াশিংটনকে সতর্ক করল আরব বিশ্ব।

শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ মে ২০২৬
পবিত্র হজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত ইরানের বিরুদ্ধে বড় ধরনের কোনো সামরিক অভিযান না চালাতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে আহ্বান জানিয়েছে সৌদি আরব। বিশ্ব মুসলিমের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় সমাগম হজের নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতেই রিয়াদের পক্ষ থেকে ওয়াশিংটনকে এই অনুরোধ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
সংবাদমাধ্যম ‘নিউ আরব’-এর বৃহস্পতিবারের (২১ মে) এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্প্রতি ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন করে হামলা ও পাল্টা হামলা শুরুর শঙ্কা তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতির মাঝেই সৌদি আরব স্পষ্ট ভাষায় যুক্তরাষ্ট্রকে জানিয়েছে, তারা যেন হজ শেষ হওয়া পর্যন্ত যে কোনো ধরনের সামরিক পদক্ষেপ থেকে বিরত থাকে। চলতি বছরের আগামী ২৬ মে হজের প্রধান দিন বা পবিত্র আরাফাত দিবস উদযাপিত হবে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, সম্প্রতি মার্কিন সরকারের প্রতিনিধিরা কাতার, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেছেন। ওই বৈঠকে আরব দেশগুলোর পক্ষ থেকে ইরানে এই মুহূর্তে কোনো ধরনের হামলা না চালানোর জন্য জোর অনুরোধ করা হয়। দেশগুলো সাফ জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সংঘাতের আগুন জ্বালানোর চেয়ে কূটনীতিকে প্রাধান্য দেওয়া এখন সবচেয়ে বেশি জরুরি।
আরবি সংবাদমাধ্যম আল-আরাবিয়া জানিয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন সামরিক পদক্ষেপের বিষয়ে আরব দেশগুলো এখন এককাট্টা অবস্থান নিয়েছে। বিশেষ করে লাখ লাখ মুসলিমের হজের বিষয়টি মাথায় রেখে তারা যুক্তরাষ্ট্রকে সংযত থাকার আহ্বান জানাচ্ছে।
আরব দেশগুলো মার্কিন প্রশাসনকে সতর্ক করে বলেছে, হজের মতো সংবেদনশীল সময়ে কোনো ধরনের সামরিক হামলা হলে পুরো মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে চরম বিশৃঙ্খলা তৈরি হতে পারে। এর ফলে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা লাখ লাখ সাধারণ হাজি যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে আটকা পড়ে এক ভয়াবহ মানবিক সংকটের মুখোমুখি হতে পারেন।
এর আগে গত ২৮ মে পবিত্র রমজান মাস চলাকালেই ইরানে আকস্মিক বিমান হামলা চালিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র ও দখলদার ইসরায়েল। এবার হজের পবিত্রতা ও নিরাপত্তার স্বার্থে আগেভাগেই ওয়াশিংটনকে সতর্ক করল আরব বিশ্ব।

আপনার মতামত লিখুন