যশোরের ঝিকরগাছায় এক বিস্ময়কর ঘটনার সাক্ষী হলেন স্থানীয়রা। মানুষের মতো ব্যথা সইতে না পেরে নিজের চিকিৎসার জন্য নিজেই পশু হাসপাতালে এসে হাজির হয়েছে একটি আহত হনুমান। রোববার (১২ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলা প্রাণিসম্পদ ও ভেটেরিনারি হাসপাতালে এই বিরল ঘটনা ঘটে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, কোনো এক সময় দুর্বৃত্তের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে হনুমানটির শরীরের পেছনের অংশ জখম হয়। এরপর থেকেই প্রাণীটি চিকিৎসার জন্য বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়াচ্ছিল। এর আগে সেটি ঝিকরগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও থানাতেও গিয়েছিল বলে জানা গেছে।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মাসুমা আখতার জানান, দুপুরে হনুমানটি হাসপাতালে এসে প্রথমে একটি চিকিৎসা শেডের টেবিলে বসে পড়ে। এরপর সেটি ফার্মেসি কক্ষে ঢুকে বিভিন্ন ওষুধের বোতল খুলে গন্ধ শোঁকার চেষ্টা করে। উপস্থিত চিকিৎসকরা দ্রুত সেটির ক্ষতস্থান পরিষ্কার করে ভায়োডিন দিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা শুরু করেন। আশ্চর্যজনক বিষয় হলো, চিকিৎসা নেওয়ার সময় হনুমানটি অত্যন্ত শান্ত ছিল এবং কোনো বাধা দেয়নি।
ডা. মাসুমা আখতার ও প্রাণিসম্পদ সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ডা. আব্দুর রহমান শেখ প্রাণীটির সুচিকিৎসা নিশ্চিত করেন। ডা. মাসুমা বলেন, "হনুমানটির আচরণ ছিল অনেকটা বাক্প্রতিবন্ধী মানুষের মতো। সে যেন আকার-ইঙ্গিতে বুঝিয়ে দিচ্ছিল যে তার চিকিৎসা প্রয়োজন।"
এদিকে রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই ঘটনার ছবি ছড়িয়ে পড়লে তা দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়। আহত ও অবলা একটি প্রাণীর এমন বুদ্ধিমত্তা দেখে অনেকেই যেমন অবাক হয়েছেন, তেমনি চিকিৎসকদের আন্তরিকতা ও মানবিকতার প্রশংসায় ভাসছেন নেটিজেনরা।

সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ এপ্রিল ২০২৬
যশোরের ঝিকরগাছায় এক বিস্ময়কর ঘটনার সাক্ষী হলেন স্থানীয়রা। মানুষের মতো ব্যথা সইতে না পেরে নিজের চিকিৎসার জন্য নিজেই পশু হাসপাতালে এসে হাজির হয়েছে একটি আহত হনুমান। রোববার (১২ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলা প্রাণিসম্পদ ও ভেটেরিনারি হাসপাতালে এই বিরল ঘটনা ঘটে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, কোনো এক সময় দুর্বৃত্তের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে হনুমানটির শরীরের পেছনের অংশ জখম হয়। এরপর থেকেই প্রাণীটি চিকিৎসার জন্য বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়াচ্ছিল। এর আগে সেটি ঝিকরগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও থানাতেও গিয়েছিল বলে জানা গেছে।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মাসুমা আখতার জানান, দুপুরে হনুমানটি হাসপাতালে এসে প্রথমে একটি চিকিৎসা শেডের টেবিলে বসে পড়ে। এরপর সেটি ফার্মেসি কক্ষে ঢুকে বিভিন্ন ওষুধের বোতল খুলে গন্ধ শোঁকার চেষ্টা করে। উপস্থিত চিকিৎসকরা দ্রুত সেটির ক্ষতস্থান পরিষ্কার করে ভায়োডিন দিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা শুরু করেন। আশ্চর্যজনক বিষয় হলো, চিকিৎসা নেওয়ার সময় হনুমানটি অত্যন্ত শান্ত ছিল এবং কোনো বাধা দেয়নি।
ডা. মাসুমা আখতার ও প্রাণিসম্পদ সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ডা. আব্দুর রহমান শেখ প্রাণীটির সুচিকিৎসা নিশ্চিত করেন। ডা. মাসুমা বলেন, "হনুমানটির আচরণ ছিল অনেকটা বাক্প্রতিবন্ধী মানুষের মতো। সে যেন আকার-ইঙ্গিতে বুঝিয়ে দিচ্ছিল যে তার চিকিৎসা প্রয়োজন।"
এদিকে রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই ঘটনার ছবি ছড়িয়ে পড়লে তা দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়। আহত ও অবলা একটি প্রাণীর এমন বুদ্ধিমত্তা দেখে অনেকেই যেমন অবাক হয়েছেন, তেমনি চিকিৎসকদের আন্তরিকতা ও মানবিকতার প্রশংসায় ভাসছেন নেটিজেনরা।

আপনার মতামত লিখুন