বর্তমানে বিরতি চললেও ইরানে ইসরায়েলি সামরিক অভিযান এখনো শেষ হয়নি এমনটি বলেছেন বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।
গতকাল শনিবার ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে বৈঠক চলাকালে দেওয়া এক ভিডিওবার্তায় তিনি বলেন, “ইরানে আমাদের অভিযান এখনও শেষ হয়নি, অনেক কিছু করা বাকি। তবে এখন পর্যন্ত অর্জনগুলো ঐতিহাসিক।”
ভিডিওবার্তায় নেতানিয়াহু দাবি করেন, ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সক্ষমতার খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিল বলেই এই অভিযান শুরু করা হয়েছে। তিনি বলেন, ইরান সেই সক্ষমতা অর্জন করলে তা ইসরায়েলের অস্তিত্বের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াত।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনি ক্ষেপণাস্ত্র ও পারমাণবিক প্রকল্পগুলোকে ভূগর্ভে সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন, যাতে সেগুলো ধ্বংস করা কঠিন হয়ে পড়ে। “এই পরিস্থিতিতে আমরা চুপ করে থাকতে পারতাম না,” যোগ করেন তিনি।
উল্লেখ্য, গত ফেব্রুয়ারিতে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে ২১ দিনব্যাপী সংলাপ কোনো চুক্তি ছাড়াই শেষ হয়। পরদিনই যুক্তরাষ্ট্র ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ এবং ইসরায়েল ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ নামে ইরানে সামরিক অভিযান শুরু করে।
পরবর্তীতে উত্তেজনা প্রশমনে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হলেও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়। তবে সর্বশেষ বৈঠকও কোনো সমঝোতা ছাড়াই শেষ হয়েছে।
নেতানিয়াহু বলেন, ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী ইতোমধ্যে অনেক সাফল্য অর্জন করেছে এবং সামনে আরও পদক্ষেপ নেওয়া হবে। একইসঙ্গে তিনি বলেন, ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম ইস্যুতে ডোনাল্ড ট্রাম্পের অবস্থানকে সমর্থন করে ইসরায়েল চুক্তির মাধ্যমে অপসারণ না হলে অন্য উপায়ে তা সরিয়ে নেওয়া হবে।

রোববার, ১২ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ এপ্রিল ২০২৬
বর্তমানে বিরতি চললেও ইরানে ইসরায়েলি সামরিক অভিযান এখনো শেষ হয়নি এমনটি বলেছেন বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।
গতকাল শনিবার ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে বৈঠক চলাকালে দেওয়া এক ভিডিওবার্তায় তিনি বলেন, “ইরানে আমাদের অভিযান এখনও শেষ হয়নি, অনেক কিছু করা বাকি। তবে এখন পর্যন্ত অর্জনগুলো ঐতিহাসিক।”
ভিডিওবার্তায় নেতানিয়াহু দাবি করেন, ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সক্ষমতার খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিল বলেই এই অভিযান শুরু করা হয়েছে। তিনি বলেন, ইরান সেই সক্ষমতা অর্জন করলে তা ইসরায়েলের অস্তিত্বের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াত।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনি ক্ষেপণাস্ত্র ও পারমাণবিক প্রকল্পগুলোকে ভূগর্ভে সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন, যাতে সেগুলো ধ্বংস করা কঠিন হয়ে পড়ে। “এই পরিস্থিতিতে আমরা চুপ করে থাকতে পারতাম না,” যোগ করেন তিনি।
উল্লেখ্য, গত ফেব্রুয়ারিতে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে ২১ দিনব্যাপী সংলাপ কোনো চুক্তি ছাড়াই শেষ হয়। পরদিনই যুক্তরাষ্ট্র ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ এবং ইসরায়েল ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ নামে ইরানে সামরিক অভিযান শুরু করে।
পরবর্তীতে উত্তেজনা প্রশমনে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হলেও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়। তবে সর্বশেষ বৈঠকও কোনো সমঝোতা ছাড়াই শেষ হয়েছে।
নেতানিয়াহু বলেন, ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী ইতোমধ্যে অনেক সাফল্য অর্জন করেছে এবং সামনে আরও পদক্ষেপ নেওয়া হবে। একইসঙ্গে তিনি বলেন, ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম ইস্যুতে ডোনাল্ড ট্রাম্পের অবস্থানকে সমর্থন করে ইসরায়েল চুক্তির মাধ্যমে অপসারণ না হলে অন্য উপায়ে তা সরিয়ে নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন