চাঁদের কক্ষপথ ঘুরে সফলভাবে পৃথিবীতে ফিরলেন আর্টেমিস-২ এর চার নভোচারী। শনিবার সকাল ৬টা ৭ মিনিটে ক্যালিফোর্নিয়ার সান দিয়েগো উপকূলে প্রশান্ত মহাসাগরে অবতরণ করে তাঁদের বহনকারী ওরিয়ন’ মহাকাশযানটি।
মিশনের কমান্ডার রিড ওয়াইজম্যান জানান, “এটি ছিল এক অসাধারণ যাত্রা, আমরা সবাই সুস্থ আছি।” নভোচারীদের উদ্ধার করে মার্কিন নৌবাহিনীর ইউএসএস জন পি. মুরথা জাহাজে নেওয়া হয়েছে, যেখানে তাঁদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা চলছে।
এই অভিযানে অংশ নেন ক্রিস্টিনা কোচ, ভিক্টর গ্লোভার এবং কানাডার জেরেমি হ্যানসেন। ৯ দিন ১ ঘণ্টা ৩২ মিনিটের এই মিশনে তারা চাঁদের দূরবর্তী অংশে পৌঁছে, পৃথিবী থেকে সর্বোচ্চ ২ লাখ ৫২ হাজার ৭৫৭ মাইল দূরত্ব অতিক্রম করেন নতুন রেকর্ড গড়েন।
মিশনটি একাধিক ইতিহাস সৃষ্টি করেছে, ভিক্টর গ্লোভার প্রথম অশ্বেতাঙ্গ, ক্রিস্টিনা কোচ প্রথম নারী এবং জেরেমি হ্যানসেন প্রথম অ-মার্কিন হিসেবে চাঁদের কক্ষপথ ভ্রমণ করেন।
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নভোচারীদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, “এটি ছিল এক নিখুঁত মিশন। ভবিষ্যতে আবার এমন অভিযান চালানো হবে, পরবর্তী লক্ষ্য মঙ্গল গ্রহ।”
২০২৮ সালের মধ্যে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে মানুষ পাঠানোর পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই এই পরীক্ষামূলক মিশন পরিচালনা করে নাসা।

শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ এপ্রিল ২০২৬
চাঁদের কক্ষপথ ঘুরে সফলভাবে পৃথিবীতে ফিরলেন আর্টেমিস-২ এর চার নভোচারী। শনিবার সকাল ৬টা ৭ মিনিটে ক্যালিফোর্নিয়ার সান দিয়েগো উপকূলে প্রশান্ত মহাসাগরে অবতরণ করে তাঁদের বহনকারী ওরিয়ন’ মহাকাশযানটি।
মিশনের কমান্ডার রিড ওয়াইজম্যান জানান, “এটি ছিল এক অসাধারণ যাত্রা, আমরা সবাই সুস্থ আছি।” নভোচারীদের উদ্ধার করে মার্কিন নৌবাহিনীর ইউএসএস জন পি. মুরথা জাহাজে নেওয়া হয়েছে, যেখানে তাঁদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা চলছে।
এই অভিযানে অংশ নেন ক্রিস্টিনা কোচ, ভিক্টর গ্লোভার এবং কানাডার জেরেমি হ্যানসেন। ৯ দিন ১ ঘণ্টা ৩২ মিনিটের এই মিশনে তারা চাঁদের দূরবর্তী অংশে পৌঁছে, পৃথিবী থেকে সর্বোচ্চ ২ লাখ ৫২ হাজার ৭৫৭ মাইল দূরত্ব অতিক্রম করেন নতুন রেকর্ড গড়েন।
মিশনটি একাধিক ইতিহাস সৃষ্টি করেছে, ভিক্টর গ্লোভার প্রথম অশ্বেতাঙ্গ, ক্রিস্টিনা কোচ প্রথম নারী এবং জেরেমি হ্যানসেন প্রথম অ-মার্কিন হিসেবে চাঁদের কক্ষপথ ভ্রমণ করেন।
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নভোচারীদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, “এটি ছিল এক নিখুঁত মিশন। ভবিষ্যতে আবার এমন অভিযান চালানো হবে, পরবর্তী লক্ষ্য মঙ্গল গ্রহ।”
২০২৮ সালের মধ্যে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে মানুষ পাঠানোর পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই এই পরীক্ষামূলক মিশন পরিচালনা করে নাসা।

আপনার মতামত লিখুন