বিপ্লবী বার্তা

মূল পাতা

আন্তর্জাতিক

মিয়ানমারের নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিলেন জান্তাপ্রধান মিন অং হ্লাইং

মিয়ানমারের নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিলেন জান্তাপ্রধান মিন অং হ্লাইং
মিন অং হ্লাইং

মিয়ানমারের জান্তাপ্রধান মিন অং হ্লাইং আজ শুক্রবার প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিয়েছেন। এর মাধ্যমে পাঁচ বছর আগে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখলকারী এই নেতা এবার বেসামরিক পদে বসে নিজের শাসন অব্যাহত রাখছেন।

২০২১ সালে তাঁর নেতৃত্বে এক সামরিক অভ্যুত্থানে মিয়ানমারের নির্বাচিত নোবেলজয়ী নেত্রী অং সান সু চি-এর সরকার উৎখাত করা হয়। ওই সময় সু চিকে আটক করা হয় এবং দেশজুড়ে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ে।

প্রায় পাঁচ বছর ক্ষমতায় থাকার পর সম্প্রতি দেশে নির্বাচন আয়োজন করেন মিন অং হ্লাইং। গত জানুয়ারিতে ভোটগ্রহণ শেষ হলেও বিরোধী বেশির ভাগ দল, বিশেষ করে সু চির দল, এতে অংশ নেয়নি। ফলে সামরিকপন্থী প্রার্থীরাই সহজে জয়ী হন এবং হ্লাইংয়ের প্রেসিডেন্ট হওয়ার পথ সুগম হয়।

শুক্রবার রাজধানী নেপিডো-এর পার্লামেন্টে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শপথ নেন তিনি। বক্তব্যে বলেন, “মিয়ানমার গণতন্ত্রের পথে ফিরে এসেছে এবং একটি ভালো ভবিষ্যতের দিকে এগোচ্ছে।”

প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার আগে তিনি সেনাবাহিনীর শীর্ষ জেনারেলের পদ ছাড়েন। তবে তাঁর ৩০ সদস্যের মন্ত্রিসভার অধিকাংশই বর্তমান বা সাবেক সামরিক কর্মকর্তা, যাদের অনেকেই ২০২১ সালের জান্তা সরকারে যুক্ত ছিলেন। অন্তত ১০ জনের ওপর আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

শপথ অনুষ্ঠানকে ঘিরে রাজধানীতে কঠোর নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। এর আগে কয়েকজন রাজনৈতিক বন্দীকে মুক্তি দেওয়া হলেও সমালোচকেরা একে ‘লোক দেখানো’ পদক্ষেপ বলে উল্লেখ করেছেন।

উল্লেখ্য, ২০২১ সালের অভ্যুত্থানের পর থেকে আটক থাকা অং সান সু চি বর্তমানে ২৭ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করছেন। মানবাধিকার সংস্থাগুলো এ দণ্ডকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছে।

অলাভজনক সংস্থা  অ্যাসিস্ট্যান্স অ্যাসোসিয়েশন ফর পলিটিক্যাল প্রিজনার্সের তথ্য অনুযায়ী, অভ্যুত্থানের পর থেকে দেশটিতে ২২ হাজারের বেশি মানুষ কারাগারে বন্দী রয়েছেন।

মিয়ানমার শপথ গ্রহন জান্তাপ্রধান

আপনার মতামত লিখুন

বিপ্লবী বার্তা

শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬


মিয়ানমারের নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিলেন জান্তাপ্রধান মিন অং হ্লাইং

প্রকাশের তারিখ : ১০ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

মিয়ানমারের জান্তাপ্রধান মিন অং হ্লাইং আজ শুক্রবার প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিয়েছেন। এর মাধ্যমে পাঁচ বছর আগে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখলকারী এই নেতা এবার বেসামরিক পদে বসে নিজের শাসন অব্যাহত রাখছেন।

২০২১ সালে তাঁর নেতৃত্বে এক সামরিক অভ্যুত্থানে মিয়ানমারের নির্বাচিত নোবেলজয়ী নেত্রী অং সান সু চি-এর সরকার উৎখাত করা হয়। ওই সময় সু চিকে আটক করা হয় এবং দেশজুড়ে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ে।

প্রায় পাঁচ বছর ক্ষমতায় থাকার পর সম্প্রতি দেশে নির্বাচন আয়োজন করেন মিন অং হ্লাইং। গত জানুয়ারিতে ভোটগ্রহণ শেষ হলেও বিরোধী বেশির ভাগ দল, বিশেষ করে সু চির দল, এতে অংশ নেয়নি। ফলে সামরিকপন্থী প্রার্থীরাই সহজে জয়ী হন এবং হ্লাইংয়ের প্রেসিডেন্ট হওয়ার পথ সুগম হয়।

শুক্রবার রাজধানী নেপিডো-এর পার্লামেন্টে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শপথ নেন তিনি। বক্তব্যে বলেন, “মিয়ানমার গণতন্ত্রের পথে ফিরে এসেছে এবং একটি ভালো ভবিষ্যতের দিকে এগোচ্ছে।”

প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার আগে তিনি সেনাবাহিনীর শীর্ষ জেনারেলের পদ ছাড়েন। তবে তাঁর ৩০ সদস্যের মন্ত্রিসভার অধিকাংশই বর্তমান বা সাবেক সামরিক কর্মকর্তা, যাদের অনেকেই ২০২১ সালের জান্তা সরকারে যুক্ত ছিলেন। অন্তত ১০ জনের ওপর আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

শপথ অনুষ্ঠানকে ঘিরে রাজধানীতে কঠোর নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। এর আগে কয়েকজন রাজনৈতিক বন্দীকে মুক্তি দেওয়া হলেও সমালোচকেরা একে ‘লোক দেখানো’ পদক্ষেপ বলে উল্লেখ করেছেন।

উল্লেখ্য, ২০২১ সালের অভ্যুত্থানের পর থেকে আটক থাকা অং সান সু চি বর্তমানে ২৭ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করছেন। মানবাধিকার সংস্থাগুলো এ দণ্ডকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছে।

অলাভজনক সংস্থা  অ্যাসিস্ট্যান্স অ্যাসোসিয়েশন ফর পলিটিক্যাল প্রিজনার্সের তথ্য অনুযায়ী, অভ্যুত্থানের পর থেকে দেশটিতে ২২ হাজারের বেশি মানুষ কারাগারে বন্দী রয়েছেন।


বিপ্লবী বার্তা

প্রকাশক
শেখ মাহমুদ উজ্জ্বল
সম্পাদক
ড. জাহিদ আহমেদ চৌধুরী
নির্বাহী সম্পাদক
কাইয়ুম তালুকদার (কানন)

কপিরাইট © ২০২৬ । বিপ্লবী বার্তা