যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর একটি অত্যাধুনিক নজরদারি ড্রোন এমকিউ–৪সি আজ শুক্রবার হরমুজ প্রণালির ওপর নিখোঁজ হয়েছে। নিখোঁজ হওয়ার কিছুক্ষণ আগেই ড্রোনটি উড়ন্ত অবস্থায় জরুরি সতর্কবার্তা পাঠিয়েছিল। এটি বিধ্বস্ত হয়েছে, নাকি ভূপাতিত করা হয়েছে তা এখনো পরিষ্কার নয়।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ড্রোনটি পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালিতে প্রায় তিন ঘণ্টা নজরদারি শেষে ইতালির নেভাল এয়ার স্টেশন সিগোনেলা’ ঘাঁটিতে ফিরছিল। এ সময় এটি ‘কোড ৭৭০০’ (সাধারণ জরুরি সংকেত) পাঠিয়ে নিচে নামতে শুরু করে এবং সামান্য ইরানের দিকে মোড় নেয়। চালকবিহীন এ বিমানটি নিখোঁজ হওয়ার আগে দ্রুত উচ্চতা হারাচ্ছিল বলে শনাক্ত করা হয়।
ড্রোনটি বিধ্বস্ত হয়েছে, নাকি ভূপাতিত তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান এর মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তির মাত্র দুই দিন পরই এ ঘটনা ঘটল। ওই চুক্তিতে ইরান হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল পুনরায় চালুর বিষয়ে সম্মত হয়েছিল।
এমকিউ–৪সি যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে ব্যয়বহুল ড্রোনগুলোর একটি, যার মূল্য ২০ কোটি ডলারের বেশি। এটি দীর্ঘ সময় ধরে গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে কৌশলগত নজরদারি চালাতে সক্ষম এবং প্রায়ই পি-৮এ পসিডন টহল বিমানের ‘আকাশের চোখ’ হিসেবে কাজ করে।
উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের আওতায় এসব ড্রোন মোতায়েন করা হয়েছে।

শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ এপ্রিল ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর একটি অত্যাধুনিক নজরদারি ড্রোন এমকিউ–৪সি আজ শুক্রবার হরমুজ প্রণালির ওপর নিখোঁজ হয়েছে। নিখোঁজ হওয়ার কিছুক্ষণ আগেই ড্রোনটি উড়ন্ত অবস্থায় জরুরি সতর্কবার্তা পাঠিয়েছিল। এটি বিধ্বস্ত হয়েছে, নাকি ভূপাতিত করা হয়েছে তা এখনো পরিষ্কার নয়।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ড্রোনটি পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালিতে প্রায় তিন ঘণ্টা নজরদারি শেষে ইতালির নেভাল এয়ার স্টেশন সিগোনেলা’ ঘাঁটিতে ফিরছিল। এ সময় এটি ‘কোড ৭৭০০’ (সাধারণ জরুরি সংকেত) পাঠিয়ে নিচে নামতে শুরু করে এবং সামান্য ইরানের দিকে মোড় নেয়। চালকবিহীন এ বিমানটি নিখোঁজ হওয়ার আগে দ্রুত উচ্চতা হারাচ্ছিল বলে শনাক্ত করা হয়।
ড্রোনটি বিধ্বস্ত হয়েছে, নাকি ভূপাতিত তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান এর মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তির মাত্র দুই দিন পরই এ ঘটনা ঘটল। ওই চুক্তিতে ইরান হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল পুনরায় চালুর বিষয়ে সম্মত হয়েছিল।
এমকিউ–৪সি যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে ব্যয়বহুল ড্রোনগুলোর একটি, যার মূল্য ২০ কোটি ডলারের বেশি। এটি দীর্ঘ সময় ধরে গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে কৌশলগত নজরদারি চালাতে সক্ষম এবং প্রায়ই পি-৮এ পসিডন টহল বিমানের ‘আকাশের চোখ’ হিসেবে কাজ করে।
উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের আওতায় এসব ড্রোন মোতায়েন করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন