যশোরে ডিবি পুলিশের অভিযানে অবৈধ অস্ত্রসহ আটক ইলেকট্রনিক্স ব্যবসায়ী আলী হোসেনের দুই সহযোগীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তাদের শনাক্তের পর আটক করা হয়। বুধবার দুপুরে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হলে তারা দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন, শহরের খোলাডাঙ্গা মুন্সিপাড়ার মৃত মাহাবুবুর রহমানের ছেলে খালেদুর রহমান টিটু এবং কারবালা এলাকার শেখ নুরুদ্দিনের ছেলে শেখ মইনুদ্দিন ফেরদৌস। এর মধ্যে টিটুর বিরুদ্ধে হত্যা, অস্ত্র, বিস্ফোরক ও মাদকসহ বিভিন্ন ধারায় ১৫টি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের এসআই সালাউদ্দিন খান জানান, ঘটনাস্থলের পাশের একটি দোকানের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনার কিছু সময় আগে অভিযুক্তরা আলী হোসেনের দোকানে এসেছিলেন। ফুটেজে শেখ মইনুদ্দিন ফেরদৌসকে একটি ব্যাগ রেখে যেতে দেখা যায়। মূলত ওই ব্যাগের মধ্যেই আগ্নেয়াস্ত্রটি ছিল।
উল্লেখ্য, গত ৬ এপ্রিল দুপুরে ডিবির এসআই অলোক কুমার দে’র নেতৃত্বে একটি টিম শহরের এমকে রোডের সন্ধানী সুপার মার্কেটে অভিযান চালায়। এ সময় ‘মেসার্স তন্নী ইলেকট্রনিক্স’ থেকে দোকান মালিক আলী হোসেনকে আটক করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যমতে দোকান থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন ও একটি তাজা গুলি উদ্ধার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে আলী হোসেন অস্ত্র রাখার পেছনে টিটু ও ফেরদৌসের নাম প্রকাশ করেন।
ডিবি সূত্রে জানা গেছে, বুধবার দুপুরে আটক দুই সহযোগীকে আদালতে সোপর্দ করা হলে তারা বিচারকের কাছে ঘটনার সাথে জড়িত থাকার বিষয়টি স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। জবানবন্দি গ্রহণ শেষে আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ এপ্রিল ২০২৬
যশোরে ডিবি পুলিশের অভিযানে অবৈধ অস্ত্রসহ আটক ইলেকট্রনিক্স ব্যবসায়ী আলী হোসেনের দুই সহযোগীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তাদের শনাক্তের পর আটক করা হয়। বুধবার দুপুরে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হলে তারা দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন, শহরের খোলাডাঙ্গা মুন্সিপাড়ার মৃত মাহাবুবুর রহমানের ছেলে খালেদুর রহমান টিটু এবং কারবালা এলাকার শেখ নুরুদ্দিনের ছেলে শেখ মইনুদ্দিন ফেরদৌস। এর মধ্যে টিটুর বিরুদ্ধে হত্যা, অস্ত্র, বিস্ফোরক ও মাদকসহ বিভিন্ন ধারায় ১৫টি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের এসআই সালাউদ্দিন খান জানান, ঘটনাস্থলের পাশের একটি দোকানের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনার কিছু সময় আগে অভিযুক্তরা আলী হোসেনের দোকানে এসেছিলেন। ফুটেজে শেখ মইনুদ্দিন ফেরদৌসকে একটি ব্যাগ রেখে যেতে দেখা যায়। মূলত ওই ব্যাগের মধ্যেই আগ্নেয়াস্ত্রটি ছিল।
উল্লেখ্য, গত ৬ এপ্রিল দুপুরে ডিবির এসআই অলোক কুমার দে’র নেতৃত্বে একটি টিম শহরের এমকে রোডের সন্ধানী সুপার মার্কেটে অভিযান চালায়। এ সময় ‘মেসার্স তন্নী ইলেকট্রনিক্স’ থেকে দোকান মালিক আলী হোসেনকে আটক করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যমতে দোকান থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন ও একটি তাজা গুলি উদ্ধার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে আলী হোসেন অস্ত্র রাখার পেছনে টিটু ও ফেরদৌসের নাম প্রকাশ করেন।
ডিবি সূত্রে জানা গেছে, বুধবার দুপুরে আটক দুই সহযোগীকে আদালতে সোপর্দ করা হলে তারা বিচারকের কাছে ঘটনার সাথে জড়িত থাকার বিষয়টি স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। জবানবন্দি গ্রহণ শেষে আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন