দেশের এমপিওভুক্ত স্কুল ও কলেজে বর্তমানে ৬০ হাজার ২৯৫টি শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। আজ বুধবার জাতীয় সংসদে কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবুল হাসনাতের এক প্রশ্নের জবাবে টেবিলে উপস্থাপিত উত্তরে তিনি এই তথ্য জানান।
শিক্ষামন্ত্রীর দেওয়া তথ্যানুযায়ী, শূন্য পদগুলোর বিভাজন নিচে দেওয়া হলো:
এমপিওভুক্ত স্কুল ও কলেজ: মোট শূন্য পদ ৬০,২৯৫টি।
সরকারি কলেজ (ক্যাডারভুক্ত প্রভাষক): শূন্য পদ ৬৫৬টি।
সদ্য সরকারিকৃত কলেজ (নন-ক্যাডার প্রভাষক): শূন্য পদ ২,৪১০টি।
বেসরকারি এমপিওভুক্ত কলেজ (অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ): শূন্য পদ ১,৩৪৯টি।
শিক্ষামন্ত্রী জানান, এই বিশাল শূন্যপদ পূরণে সরকার এরই মধ্যে বহুমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
১. বিসিএস নিয়োগ: সরকারি কলেজে প্রভাষক নিয়োগের লক্ষ্যে ৪৫তম থেকে ৫০তম (৪৮তম ব্যতিরেকে) বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে নিয়োগ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
২. এনটিআরসিএ কার্যক্রম: এনটিআরসিএ-র মাধ্যমে স্বচ্ছ ও মেধাভিত্তিক নিয়োগের লক্ষ্যে গত ২৯ মার্চ, ২০২৬ তারিখে ই-রিকুইজিশন (শূন্যপদ সংগ্রহ) বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।
৩. প্রতিষ্ঠান প্রধান নিয়োগ: এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের প্রধান ও সহকারী প্রধানের ১১ হাজার ১৫১টি শূন্য পদ পূরণে ‘৮ম এনটিআরসিএ নিয়োগ পরীক্ষা-২০২৬ (সংশোধিত)’ আয়োজন করা হয়েছে, যার আবেদন গ্রহণ প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে।
তিনি বলেন, "শূন্য পদগুলো দ্রুত পূরণের লক্ষ্যে সরকার বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। এনটিআরসিএ এবং বিসিএস-এর চলমান প্রক্রিয়াগুলো সম্পন্ন হলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষক সংকট দ্রুত নিরসন করা সম্ভব হবে।"
মন্ত্রী আরও জানান, এমপিওভুক্ত কলেজে বর্তমানে ১ হাজার ৩৪৪টি শূন্য পদে নিয়োগ কার্যক্রম চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। সরকারের লক্ষ্য হলো মেধাভিত্তিক নিয়োগ নিশ্চিত করার মাধ্যমে শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন এবং প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রশাসনিক কাঠামো শক্তিশালী করা।

বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ এপ্রিল ২০২৬
দেশের এমপিওভুক্ত স্কুল ও কলেজে বর্তমানে ৬০ হাজার ২৯৫টি শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। আজ বুধবার জাতীয় সংসদে কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবুল হাসনাতের এক প্রশ্নের জবাবে টেবিলে উপস্থাপিত উত্তরে তিনি এই তথ্য জানান।
শিক্ষামন্ত্রীর দেওয়া তথ্যানুযায়ী, শূন্য পদগুলোর বিভাজন নিচে দেওয়া হলো:
এমপিওভুক্ত স্কুল ও কলেজ: মোট শূন্য পদ ৬০,২৯৫টি।
সরকারি কলেজ (ক্যাডারভুক্ত প্রভাষক): শূন্য পদ ৬৫৬টি।
সদ্য সরকারিকৃত কলেজ (নন-ক্যাডার প্রভাষক): শূন্য পদ ২,৪১০টি।
বেসরকারি এমপিওভুক্ত কলেজ (অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ): শূন্য পদ ১,৩৪৯টি।
শিক্ষামন্ত্রী জানান, এই বিশাল শূন্যপদ পূরণে সরকার এরই মধ্যে বহুমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
১. বিসিএস নিয়োগ: সরকারি কলেজে প্রভাষক নিয়োগের লক্ষ্যে ৪৫তম থেকে ৫০তম (৪৮তম ব্যতিরেকে) বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে নিয়োগ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
২. এনটিআরসিএ কার্যক্রম: এনটিআরসিএ-র মাধ্যমে স্বচ্ছ ও মেধাভিত্তিক নিয়োগের লক্ষ্যে গত ২৯ মার্চ, ২০২৬ তারিখে ই-রিকুইজিশন (শূন্যপদ সংগ্রহ) বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।
৩. প্রতিষ্ঠান প্রধান নিয়োগ: এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের প্রধান ও সহকারী প্রধানের ১১ হাজার ১৫১টি শূন্য পদ পূরণে ‘৮ম এনটিআরসিএ নিয়োগ পরীক্ষা-২০২৬ (সংশোধিত)’ আয়োজন করা হয়েছে, যার আবেদন গ্রহণ প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে।
তিনি বলেন, "শূন্য পদগুলো দ্রুত পূরণের লক্ষ্যে সরকার বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। এনটিআরসিএ এবং বিসিএস-এর চলমান প্রক্রিয়াগুলো সম্পন্ন হলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষক সংকট দ্রুত নিরসন করা সম্ভব হবে।"
মন্ত্রী আরও জানান, এমপিওভুক্ত কলেজে বর্তমানে ১ হাজার ৩৪৪টি শূন্য পদে নিয়োগ কার্যক্রম চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। সরকারের লক্ষ্য হলো মেধাভিত্তিক নিয়োগ নিশ্চিত করার মাধ্যমে শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন এবং প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রশাসনিক কাঠামো শক্তিশালী করা।

আপনার মতামত লিখুন