বিশ্বখ্যাত আলেম এবং সৌদি আরবের গ্র্যান্ড মুফতি শায়খ সালেহ আল-ফাওজানের দীর্ঘ এক দশকেরও বেশি সময়ের সংগৃহীত ধর্মীয় জ্ঞান বা ইলমি ভাণ্ডার রহস্যজনকভাবে ইন্টারনেট থেকে নিখোঁজ হয়ে গেছে। তার অফিশিয়াল ওয়েবসাইট, ১০ লাখ অনুসারী সমৃদ্ধ এক্স (টুইটার) অ্যাকাউন্ট এবং বিশাল সাবস্ক্রাইবার সম্পন্ন ইউটিউব চ্যানেল—সবই এখন অনলাইন থেকে অদৃশ্য।
হঠাৎ করে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম থেকে তার সমস্ত কর্মকাণ্ড সরিয়ে নেওয়ায় বিশ্বজুড়ে মুসলিম উম্মাহ ও তার অনুসারীদের মাঝে ব্যাপক কৌতূহল ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।
দশকব্যাপী সংগৃহীত শায়খ ফাওজানের কয়েক হাজার ফতোয়া, জুমার খুতবা এবং পাঠদানের এক বিশাল আর্কাইভ এখন আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। মুছে ফেলা কনটেন্টগুলোর একটি সংক্ষিপ্ত তালিকা নিচে দেওয়া হলো:
ফতোয়া: ১১,৭৮৩টি
শিক্ষামূলক পাঠ (দরস): ১,৯৪৪টি
জুমার খুতবা: ১৮৪টি
বিশেষ লেকচার: ৫৭৮টি
শায়খ ফাওজানের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট (alfawzan.af.org.sa) এখন সম্পূর্ণ অচল। এমনকি তার ভেরিফায়েড সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলগুলোও চিরতরে মুছে ফেলা হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কেউ কেউ দাবি করেছিলেন, এই অ্যাকাউন্টগুলো হয়তো ভক্তদের দ্বারা পরিচালিত ছিল। তবে তথ্য যাচাই করে দেখা গেছে, শায়খ সালেহ আল-ফাওজান নিজেই এক সময় তার অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে এই অ্যাকাউন্টগুলোকে দাপ্তরিক মাধ্যম হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছিলেন। ফলে এগুলো কোনো ফ্যান পেজ ছিল না, বরং তার সরাসরি তত্ত্বাবধানেই পরিচালিত হতো।
সবগুলো প্ল্যাটফর্ম থেকে একই সঙ্গে কেন তথ্যগুলো মুছে ফেলা হলো, সে বিষয়ে এখন পর্যন্ত সৌদি আরব সরকার বা শায়খ ফাওজানের দপ্তর থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। শায়খ নিজেও এ বিষয়ে কোনো জনসমক্ষে বিবৃতি দেননি।
ইসলামিক স্কলারদের মতে, এটি আধুনিক যুগের অন্যতম বড় একটি ডিজিটাল ইলমি আর্কাইভ বিলুপ্ত হওয়ার ঘটনা। এই বিপুল পরিমাণ জ্ঞানগর্ভ আলোচনা হঠাৎ করে হারিয়ে যাওয়ায় অনেক গবেষক ও সাধারণ মানুষ বিপাকে পড়েছেন। বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এটি অন্যতম প্রধান আলোচনার বিষয়ে পরিণত হয়েছে।
শায়খ সালেহ আল-ফাওজান বর্তমান বিশ্বের অন্যতম প্রভাবশালী সালাফি আলেম এবং সৌদি আরবের সর্বোচ্চ ওলামা পরিষদের সদস্য। তার ফতোয়া ও পাঠদান বিশ্বের কোটি কোটি মানুষের কাছে অত্যন্ত গ্রহণযোগ্য।

সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ এপ্রিল ২০২৬
বিশ্বখ্যাত আলেম এবং সৌদি আরবের গ্র্যান্ড মুফতি শায়খ সালেহ আল-ফাওজানের দীর্ঘ এক দশকেরও বেশি সময়ের সংগৃহীত ধর্মীয় জ্ঞান বা ইলমি ভাণ্ডার রহস্যজনকভাবে ইন্টারনেট থেকে নিখোঁজ হয়ে গেছে। তার অফিশিয়াল ওয়েবসাইট, ১০ লাখ অনুসারী সমৃদ্ধ এক্স (টুইটার) অ্যাকাউন্ট এবং বিশাল সাবস্ক্রাইবার সম্পন্ন ইউটিউব চ্যানেল—সবই এখন অনলাইন থেকে অদৃশ্য।
হঠাৎ করে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম থেকে তার সমস্ত কর্মকাণ্ড সরিয়ে নেওয়ায় বিশ্বজুড়ে মুসলিম উম্মাহ ও তার অনুসারীদের মাঝে ব্যাপক কৌতূহল ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।
দশকব্যাপী সংগৃহীত শায়খ ফাওজানের কয়েক হাজার ফতোয়া, জুমার খুতবা এবং পাঠদানের এক বিশাল আর্কাইভ এখন আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। মুছে ফেলা কনটেন্টগুলোর একটি সংক্ষিপ্ত তালিকা নিচে দেওয়া হলো:
ফতোয়া: ১১,৭৮৩টি
শিক্ষামূলক পাঠ (দরস): ১,৯৪৪টি
জুমার খুতবা: ১৮৪টি
বিশেষ লেকচার: ৫৭৮টি
শায়খ ফাওজানের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট (alfawzan.af.org.sa) এখন সম্পূর্ণ অচল। এমনকি তার ভেরিফায়েড সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলগুলোও চিরতরে মুছে ফেলা হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কেউ কেউ দাবি করেছিলেন, এই অ্যাকাউন্টগুলো হয়তো ভক্তদের দ্বারা পরিচালিত ছিল। তবে তথ্য যাচাই করে দেখা গেছে, শায়খ সালেহ আল-ফাওজান নিজেই এক সময় তার অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে এই অ্যাকাউন্টগুলোকে দাপ্তরিক মাধ্যম হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছিলেন। ফলে এগুলো কোনো ফ্যান পেজ ছিল না, বরং তার সরাসরি তত্ত্বাবধানেই পরিচালিত হতো।
সবগুলো প্ল্যাটফর্ম থেকে একই সঙ্গে কেন তথ্যগুলো মুছে ফেলা হলো, সে বিষয়ে এখন পর্যন্ত সৌদি আরব সরকার বা শায়খ ফাওজানের দপ্তর থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। শায়খ নিজেও এ বিষয়ে কোনো জনসমক্ষে বিবৃতি দেননি।
ইসলামিক স্কলারদের মতে, এটি আধুনিক যুগের অন্যতম বড় একটি ডিজিটাল ইলমি আর্কাইভ বিলুপ্ত হওয়ার ঘটনা। এই বিপুল পরিমাণ জ্ঞানগর্ভ আলোচনা হঠাৎ করে হারিয়ে যাওয়ায় অনেক গবেষক ও সাধারণ মানুষ বিপাকে পড়েছেন। বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এটি অন্যতম প্রধান আলোচনার বিষয়ে পরিণত হয়েছে।
শায়খ সালেহ আল-ফাওজান বর্তমান বিশ্বের অন্যতম প্রভাবশালী সালাফি আলেম এবং সৌদি আরবের সর্বোচ্চ ওলামা পরিষদের সদস্য। তার ফতোয়া ও পাঠদান বিশ্বের কোটি কোটি মানুষের কাছে অত্যন্ত গ্রহণযোগ্য।

আপনার মতামত লিখুন