চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার মাখালডাঙ্গা ইউনিয়নে দ্বিতীয় শ্রেণির স্কুলছাত্রকে (৭) ছুরি দেখিয়ে নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে। ভয়ভীতি প্রদর্শন ও বলাৎকারের অভিযোগে হাসেম আলী (৫৫) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রবিবার সকাল ১০টার দিকে শিশুটি তার বাড়ির পাশে খেলাধুলা করছিল। এ সময় প্রতিবেশী মৃত বারেক মণ্ডলের ছেলে হাসেম আলী শিশুটিকে প্রলোভন দেখিয়ে কাছে ডাকে। শিশুটি কাছে এলে হাসেম আলী তাকে একটি ধারালো ছুরি দেখিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দেয় এবং জোরপূর্বক নিজের ঘরে নিয়ে যায়। সেখানে শিশুটির ওপর পাশবিক নির্যাতন চালানো হয়।
নির্যাতনের শিকার শিশুটির গগনবিদারী চিৎকার শুনে পাশের বাড়ির এক নারী এগিয়ে আসেন। তিনি জানালার ফাঁক দিয়ে ঘটনাটি প্রত্যক্ষ করেন এবং চিৎকার শুরু করেন।
তার চিৎকার শুনে গ্রামবাসী দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছায় এবং ঘর থেকে অভিযুক্ত হাসেম আলীকে হাতেনাতে আটক করে। উত্তেজিত জনতা এ সময় অভিযুক্তকে গণধোলাই দেওয়ার চেষ্টা করলে স্থানীয় সচেতন ব্যক্তিরা তাকে আটকে রেখে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ এ কল করেন।
খবর পাওয়ার সাথে সাথেই চুয়াডাঙ্গা সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) পর্যায়ের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশ উত্তেজিত জনতার হাত থেকে হাসেম আলীকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
চুয়াডাঙ্গা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, "ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ পাঠিয়ে অভিযুক্তকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। ভুক্তভোগী শিশুটির স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য তাকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। শিশুর পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।"
এই ঘটনার পর শ্রীকোল গ্রামসহ গোটা মাখালডাঙ্গা ইউনিয়নে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয় অধিবাসীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে অভিযুক্ত হাসেম আলীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। শিশুটির পরিবারের সদস্যরা কান্নায় ভেঙে পড়েছেন এবং তারা জড়িত ব্যক্তির কঠোরতম বিচার চেয়েছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, অপরাধীকে যথাযথ প্রক্রিয়ায় আদালতে সোপর্দ করা হবে এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত নিশ্চিত করা হবে।

সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ এপ্রিল ২০২৬
চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার মাখালডাঙ্গা ইউনিয়নে দ্বিতীয় শ্রেণির স্কুলছাত্রকে (৭) ছুরি দেখিয়ে নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে। ভয়ভীতি প্রদর্শন ও বলাৎকারের অভিযোগে হাসেম আলী (৫৫) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রবিবার সকাল ১০টার দিকে শিশুটি তার বাড়ির পাশে খেলাধুলা করছিল। এ সময় প্রতিবেশী মৃত বারেক মণ্ডলের ছেলে হাসেম আলী শিশুটিকে প্রলোভন দেখিয়ে কাছে ডাকে। শিশুটি কাছে এলে হাসেম আলী তাকে একটি ধারালো ছুরি দেখিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দেয় এবং জোরপূর্বক নিজের ঘরে নিয়ে যায়। সেখানে শিশুটির ওপর পাশবিক নির্যাতন চালানো হয়।
নির্যাতনের শিকার শিশুটির গগনবিদারী চিৎকার শুনে পাশের বাড়ির এক নারী এগিয়ে আসেন। তিনি জানালার ফাঁক দিয়ে ঘটনাটি প্রত্যক্ষ করেন এবং চিৎকার শুরু করেন।
তার চিৎকার শুনে গ্রামবাসী দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছায় এবং ঘর থেকে অভিযুক্ত হাসেম আলীকে হাতেনাতে আটক করে। উত্তেজিত জনতা এ সময় অভিযুক্তকে গণধোলাই দেওয়ার চেষ্টা করলে স্থানীয় সচেতন ব্যক্তিরা তাকে আটকে রেখে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ এ কল করেন।
খবর পাওয়ার সাথে সাথেই চুয়াডাঙ্গা সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) পর্যায়ের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশ উত্তেজিত জনতার হাত থেকে হাসেম আলীকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
চুয়াডাঙ্গা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, "ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ পাঠিয়ে অভিযুক্তকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। ভুক্তভোগী শিশুটির স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য তাকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। শিশুর পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।"
এই ঘটনার পর শ্রীকোল গ্রামসহ গোটা মাখালডাঙ্গা ইউনিয়নে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয় অধিবাসীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে অভিযুক্ত হাসেম আলীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। শিশুটির পরিবারের সদস্যরা কান্নায় ভেঙে পড়েছেন এবং তারা জড়িত ব্যক্তির কঠোরতম বিচার চেয়েছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, অপরাধীকে যথাযথ প্রক্রিয়ায় আদালতে সোপর্দ করা হবে এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত নিশ্চিত করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন