বেড়েই চলেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) এর ভেতরে অস্থিরতা। গত দুই দিনেই পদত্যাগ করেছেন বোর্ডের চারজন পরিচালক। একই সঙ্গে ২০২৫ সালের অক্টোবরের নির্বাচনে অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে গঠিত তদন্ত কমিটি তাদের প্রতিবেদন সরকারের কাছে জমা দিয়েছে।
এমন পরিস্থিতির মধ্যেও নিজের পদ ছাড়তে নারাজ বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল। ক্রিকেটভিত্তিক ওয়েবসাইট 'ক্রিকইনফো' এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সব চাপের মধ্যেও তিনি দায়িত্বে বহাল থাকতে চান।
২০২৫ সালের অক্টোবরে অনুষ্ঠিত বিসিবি নির্বাচনে জালিয়াতির অভিযোগ তদন্তে সরকারের একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি কাজ করছিল। ইতোমধ্যে তারা তাদের প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। পাশাপাশি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অনুপস্থিতি, বোর্ডে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগে ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ও বিসিবির ওপর চাপ বাড়িয়েছে।
চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত মোট ছয়জন পরিচালক বোর্ড থেকে পদত্যাগ করেছেন, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।
এ প্রসঙ্গে
আমিনুল ইসলাম বলেন, “আমি আমার চেয়ারেই বসবো। সবার শেষে যদি কেউ যায়, তবে আমিই যাব।”আমিনুল ইসলাম বলেন, “আমি আমার চেয়ারেই বসবো। সবার শেষে যদি কেউ যায়, তবে আমিই যাব।” তিনি দাবি করেন, একটি নিবেদিত ও সৎ দল নিয়ে তিনি দেশের ক্রিকেটের সেবা করতে চান।
তিনি আরও বলেন, “কেউই অপরিহার্য নয়। আমি আইসিসি-তে কাজ করা একমাত্র বাংলাদেশি। অভিজ্ঞতার কারণেই এখানে দায়িত্ব পালন করছি।”
তদন্ত কমিটির সামনে উপস্থিত না হওয়া প্রসঙ্গে তিনি জানান, সময়ের সমন্বয় না হওয়ায় তিনি সশরীরে যেতে পারেননি, তবে লিখিত জবাব পাঠিয়েছেন। তার বিরুদ্ধে ওঠা কাউন্সিলর মনোনয়নে হস্তক্ষেপের অভিযোগও অস্বীকার করেন তিনি।
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের মে মাসে ফারুক আহমেদ এর স্থলাভিষিক্ত হয়ে বিসিবির দায়িত্ব নেন আমিনুল ইসলাম। পরে অক্টোবরে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে আনুষ্ঠানিকভাবে সভাপতি নির্বাচিত হন।তবে সেই নির্বাচনকে ঘিরেই বিতর্ক তৈরি হয়, যখন সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবাল অনিয়মের অভিযোগ তুলে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান।

রোববার, ০৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ এপ্রিল ২০২৬
বেড়েই চলেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) এর ভেতরে অস্থিরতা। গত দুই দিনেই পদত্যাগ করেছেন বোর্ডের চারজন পরিচালক। একই সঙ্গে ২০২৫ সালের অক্টোবরের নির্বাচনে অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে গঠিত তদন্ত কমিটি তাদের প্রতিবেদন সরকারের কাছে জমা দিয়েছে।
এমন পরিস্থিতির মধ্যেও নিজের পদ ছাড়তে নারাজ বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল। ক্রিকেটভিত্তিক ওয়েবসাইট 'ক্রিকইনফো' এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সব চাপের মধ্যেও তিনি দায়িত্বে বহাল থাকতে চান।
২০২৫ সালের অক্টোবরে অনুষ্ঠিত বিসিবি নির্বাচনে জালিয়াতির অভিযোগ তদন্তে সরকারের একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি কাজ করছিল। ইতোমধ্যে তারা তাদের প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। পাশাপাশি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অনুপস্থিতি, বোর্ডে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগে ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ও বিসিবির ওপর চাপ বাড়িয়েছে।
চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত মোট ছয়জন পরিচালক বোর্ড থেকে পদত্যাগ করেছেন, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।
এ প্রসঙ্গে
আমিনুল ইসলাম বলেন, “আমি আমার চেয়ারেই বসবো। সবার শেষে যদি কেউ যায়, তবে আমিই যাব।”আমিনুল ইসলাম বলেন, “আমি আমার চেয়ারেই বসবো। সবার শেষে যদি কেউ যায়, তবে আমিই যাব।” তিনি দাবি করেন, একটি নিবেদিত ও সৎ দল নিয়ে তিনি দেশের ক্রিকেটের সেবা করতে চান।
তিনি আরও বলেন, “কেউই অপরিহার্য নয়। আমি আইসিসি-তে কাজ করা একমাত্র বাংলাদেশি। অভিজ্ঞতার কারণেই এখানে দায়িত্ব পালন করছি।”
তদন্ত কমিটির সামনে উপস্থিত না হওয়া প্রসঙ্গে তিনি জানান, সময়ের সমন্বয় না হওয়ায় তিনি সশরীরে যেতে পারেননি, তবে লিখিত জবাব পাঠিয়েছেন। তার বিরুদ্ধে ওঠা কাউন্সিলর মনোনয়নে হস্তক্ষেপের অভিযোগও অস্বীকার করেন তিনি।
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের মে মাসে ফারুক আহমেদ এর স্থলাভিষিক্ত হয়ে বিসিবির দায়িত্ব নেন আমিনুল ইসলাম। পরে অক্টোবরে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে আনুষ্ঠানিকভাবে সভাপতি নির্বাচিত হন।তবে সেই নির্বাচনকে ঘিরেই বিতর্ক তৈরি হয়, যখন সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবাল অনিয়মের অভিযোগ তুলে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান।

আপনার মতামত লিখুন