যশোর সদর উপজেলার বসুন্দিয়া ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বিএনপি সভাপতি হারুন-অর-রশীদের পদ স্থগিত করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর সদর উপজেলা শাখা।
রোববার উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, দলীয় নীতি ও আদর্শ পরিপন্থী কার্যকলাপে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগের ভিত্তিতে তার পদ সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে। সিদ্ধান্তটি অনুমোদন করেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আঞ্জারুল হক খোকন।
স্থানীয় একটি সূত্রের দাবি, হারুন-অর-রশীদ তার প্রবাসী ভাইয়ের ছেলের স্ত্রীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। এ অভিযোগে তার স্ত্রী এলাকাবাসীর কাছে অভিযোগ করেন। ঘটনাটি ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা মানববন্ধনের ডাক দেন। পরে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে তদন্ত শুরু করে উপজেলা বিএনপি।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন হারুন-অর-রশীদ। তিনি দাবি করেন, তিনি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার। তার ভাষ্য অনুযায়ী, স্থানীয় একটি চক্র তার পুত্রবধূকে কটূক্তি করত এবং তিনি এর প্রতিবাদ করায় তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তুলে মানহানির চেষ্টা করা হচ্ছে।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, ওই চক্রই তাকে ঘিরে মানববন্ধনসহ বিভিন্ন কর্মসূচির পরিকল্পনা করেছিল।
এদিকে দলীয় সূত্র জানায়, বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে এবং তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রোববার, ০৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ এপ্রিল ২০২৬
যশোর সদর উপজেলার বসুন্দিয়া ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বিএনপি সভাপতি হারুন-অর-রশীদের পদ স্থগিত করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর সদর উপজেলা শাখা।
রোববার উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, দলীয় নীতি ও আদর্শ পরিপন্থী কার্যকলাপে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগের ভিত্তিতে তার পদ সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে। সিদ্ধান্তটি অনুমোদন করেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আঞ্জারুল হক খোকন।
স্থানীয় একটি সূত্রের দাবি, হারুন-অর-রশীদ তার প্রবাসী ভাইয়ের ছেলের স্ত্রীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। এ অভিযোগে তার স্ত্রী এলাকাবাসীর কাছে অভিযোগ করেন। ঘটনাটি ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা মানববন্ধনের ডাক দেন। পরে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে তদন্ত শুরু করে উপজেলা বিএনপি।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন হারুন-অর-রশীদ। তিনি দাবি করেন, তিনি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার। তার ভাষ্য অনুযায়ী, স্থানীয় একটি চক্র তার পুত্রবধূকে কটূক্তি করত এবং তিনি এর প্রতিবাদ করায় তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তুলে মানহানির চেষ্টা করা হচ্ছে।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, ওই চক্রই তাকে ঘিরে মানববন্ধনসহ বিভিন্ন কর্মসূচির পরিকল্পনা করেছিল।
এদিকে দলীয় সূত্র জানায়, বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে এবং তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন